অনলাইন সংস্করণ
১৫:০২, ০৬ মে, ২০২৬
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দায়ের করা কিছু মামলায় নিরপরাধ ব্যক্তিদের নাম থাকলে তা পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, প্রকৃত আসামি নয়—এমন ব্যক্তিদের অব্যাহতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বুধবার (৬ মে) জেলা প্রশাসক সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জেলা পর্যায় থেকে এসব মামলার তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য হলো এক মাসের মধ্যে নিরপরাধ ব্যক্তিদের নাম মামলা থেকে প্রত্যাহার করা।
তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যেসব রাজনৈতিক মামলা হয়েছে, সেগুলোও স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
অস্ত্র লাইসেন্স প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক ও দলীয় বিবেচনায় অনেক অস্ত্র লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং জেলা প্রশাসকদের এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লাইসেন্সকৃত অনেক অস্ত্র জমা নেওয়া হলেও এখনো সব ফেরত দেওয়া হয়নি। দ্রুত সেগুলো ফেরত দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১০ হাজার অস্ত্র এখনো জমা না পড়ায় সেগুলো উদ্ধারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, ঈদের সাত দিন আগে পুলিশ সদর দপ্তরে মনিটরিং সেল চালু করা হবে। নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। ফেরিঘাট এলাকায় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গাড়ি থেকে নামিয়ে তল্লাশির ব্যবস্থা রাখা হবে।
কুরবানির চামড়া সংরক্ষণ বিষয়ে তিনি বলেন, গ্রামাঞ্চলে সাত দিন পর্যন্ত চামড়া সংরক্ষণের জন্য বিনামূল্যে লবণ সরবরাহ করা হবে।
এ ছাড়া সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জানান, প্রতিবেশী দেশের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সীমান্তে সতর্কতা জোরদার করতে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।