অনলাইন সংস্করণ
১৩:৫৬, ০৭ মে, ২০২৬
পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরেছে, তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে মাঠ পর্যায়ে থাকা সেনাবাহিনীর সদস্যদের ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সভা শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তাই অনির্দিষ্টকালের জন্য সেনাবাহিনী মাঠে রেখে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন নেই। ধাপে ধাপে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পুলিশ বাহিনীকে আরও শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল করার বিষয়ে আস্থা তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, পুলিশকে কার্যকর ও শৃঙ্খল অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলে সরকার মনে করে। জনগণের মধ্যেও সেই আস্থা তৈরি হয়েছে। এ কারণেই সেনাবাহিনীকে ধাপে ধাপে মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তবে এই প্রত্যাহার প্রক্রিয়া কীভাবে হবে, তা পুলিশ, সেনাবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো একসঙ্গে বসে ঠিক করবে বলেও জানান তিনি।
চলমান বিশেষ অভিযান প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি, জুয়াড়ি ও অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে।
তিনি বলেন, সময় শেষ হয়ে যায়নি। অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং প্রতিদিনই দাগী আসামি গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। মাদক, সন্ত্রাস ও অস্ত্র সংক্রান্ত অপরাধীদের আটক করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যৌথ অভিযানও পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি এককভাবেও অভিযান চালানো হচ্ছে।
‘বড় গডফাদারদের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় এবং সঠিক তালিকা অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, চলমান অভিযানের ফলে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে, যদিও এ বিষয়ে ভিন্ন মত থাকতে পারে।