
ভালো ঈদযাত্রার আশ্বাস দিয়েছেন সড়ক ও পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ভালো ব্যবস্থাপনার চেষ্টা করছি। সর্বোচ্চ সক্ষমতা দিয়ে কাজ করছি।
সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে আসন্ন ঈদযাত্রা প্রস্তুতি সভায় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
তিনি জানান, সড়ক নিরাপত্তা, যানজট নিয়ন্ত্রণ ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বেসরকারি হিসাবে গত ঈদুল ফিতরে সাড়ে তিন শতাধিক মানুষ প্রাণ হারান। মন্ত্রী শর্ত সাপেক্ষে দায় স্বীকার করেন। তিনি বলেন, দায় নিতে আমাদের সমস্যা নেই। কিন্তু সবকিছু যে আমার একার নিয়ন্ত্রণে নয়, সেটাও বুঝতে হবে।
দুর্ঘটনা রোধে সমন্বয় প্রয়োজন জানিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় মহাসড়ক তৈরি করে। এলজিআরডি স্থানীয় সড়ক তৈরি করে। আবার রুট পারমিট দেয় কমিটি, বিআরটিএ গাড়ির ফিটনেস দেয়, হাইওয়ে পুলিশ তদারকি করে। কিন্তু দুর্ঘটনা ঘটলেই সব দায় এসে পড়ে মন্ত্রণালয়ের ওপর।
সড়ক দুর্ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সড়কমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর প্রায় সাড়ে চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। ২০২৪ সালে এ সংখ্যা ছিল প্রায় ৫ হাজার ৩৮৪ জন, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। গত ঈদুল ফিতরের ১১ দিনে সারাদেশে ১৭০ জন নিহত হন। মহাসড়কে নিহত হন ৪৩ জন।
সড়ক মন্ত্রী বলেন, শুধু মন্ত্রণালয়ের একার দায়িত্ব নয়; হাইওয়ে পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন, বিআরটিএ, এলজিআরডিসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে হবে। দেশের মহাসড়কে অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশপথ, ব্যাটারিচালিত যানবাহন এবং ছোট রাস্তা থেকে সরাসরি ৯০ ডিগ্রিতে মহাসড়কে ওঠা দুর্ঘটনার বড় কারণ।
দুর্ঘটনার উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, কুমিল্লার একটি দুর্ঘটনায় স্থানীয় সড়ক ৯০ ডিগ্রি কোণে মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় দুর্ঘটনা ঘটে। এ ধরনের নকশাগত ত্রুটি এলজিআরডির আওতায় হলেও প্রশ্নের মুখে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়কেই পড়তে হয়।
সড়কে শৃঙ্খলা আনতে সড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্যামেরা চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সময় লাগবে বলে জানান মন্ত্রী।
আবা/এসআর/২৬