২৩ মের ট্রেন টিকিট বিক্রি শুরু, যেভাবে কাটবেন
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ১০:৫৩ | অনলাইন সংস্করণ

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বুধবার (১৩ মে) থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমের প্রথম দিনে বিক্রি হচ্ছে ২৩ মে’র টিকিট।
রেলওয়ের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১৩ মে থেকে ১৭ মে পর্যন্ত ঈদ উপলক্ষে আগাম টিকিট সংগ্রহ করা যাবে। অন্যদিকে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২১ মে থেকে। এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে।
আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচি অনুযায়ী, ২৩ মে’র টিকিট পাওয়া যাবে ১৩ মে, ২৪ মে’র টিকিট ১৪ মে, ২৫ মে’র টিকিট ১৫ মে, ২৬ মে’র টিকিট ১৬ মে এবং ২৭ মে’র টিকিট মিলবে ১৭ মে।
ফেরত যাত্রার ক্ষেত্রে ৩১ মে’র টিকিট পাওয়া যাবে ২১ মে, ১ জুনের টিকিট ২২ মে, ২ জুনের টিকিট ২৩ মে, ৩ জুনের টিকিট ২৪ মে এবং ৪ জুনের টিকিট ২৫ মে বিক্রি করা হবে।
রেলওয়ে জানিয়েছে, সার্ভারের ওপর চাপ কমাতে এবারও দুই ধাপে টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। পশ্চিমাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলের টিকিট দুপুর ২টা থেকে পাওয়া যাবে।
একজন যাত্রী ঈদের আগাম যাত্রা ও ফেরত যাত্রার জন্য একবার করে টিকিট কাটতে পারবেন। প্রতিবার সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কেনা যাবে। এ ক্ষেত্রে সহযাত্রীদের নামও যুক্ত করার সুযোগ থাকবে।
তবে ঈদের আগাম ও ফেরত যাত্রার কোনো টিকিট ফেরত নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে রেলওয়ে।
চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২৮, ২৯ ও ৩০ মে’র টিকিট বিক্রির বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া যাত্রার দিন মোট আসনের ২৫ শতাংশ আসনবিহীন টিকিট স্টেশনের কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করা যাবে। তবে বিরতিহীন ট্রেনের ক্ষেত্রে এ সুবিধা থাকবে না।
যেভাবে টিকিট সংগ্রহ করবেন
রেলওয়ের ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করেই অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে। আগে নিবন্ধন করা থাকলে শুধু প্রবেশ করলেই টিকিট কাটা সম্ভব হবে।
নিবন্ধনের জন্য প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিবন্ধন অংশে যেতে হবে। এরপর ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ করতে হবে। মোবাইল নম্বরে পাঠানো যাচাইকরণ সংকেত সঠিকভাবে দিয়ে যাচাই সম্পন্ন করলে নিবন্ধন সফল হবে।
টিকিট কাটতে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ব্যবহারকারীর নাম ও গোপন সংকেত দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। এরপর ভ্রমণের তারিখ, যাত্রার স্থান, গন্তব্য ও আসনের শ্রেণি নির্বাচন করে টিকিট অনুসন্ধান করতে হবে।
পরবর্তী ধাপে ট্রেনের নাম, আসন খালি আছে কি না এবং ছাড়ার সময় দেখা যাবে। আসন নির্বাচন শেষে ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ব্যাংক কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করলে সঙ্গে সঙ্গে ই-টিকিট পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে যাত্রীর ই-মেইলেও টিকিটের অনুলিপি পাঠানো হবে।
