সবাই মিলে দেশ পুনর্গঠন করলে কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৬ | অনলাইন সংস্করণ

দেশের তরুণ এবং শিক্ষার্থীরা সবাই মিলে দেশ পুনর্গঠন করলে কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি একটা সাহায্য চাই, হেল্প চাই। আমি যতটুকু জানি বাংলাদেশে স্কাউটসের সংখ্যা প্রায় ২৩ লাখ, বিএনসিসি সদস্যের সংখ্যা ২২ হাজার। এছাড়া প্রাথমিক স্কুল-মাদ্রাসা ছাড়াও সারা দেশে হাইস্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। আর প্রাথমিক স্কুল-মাদ্রাসাসহ আড়াই কোটি।
তিনি বলেন, 'এবার আপনারা আমাকে বলেন, এতগুলো মানুষ— আমরা যদি দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই, কেউ কি ঠেকিয়ে রাখতে পারবে? কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। এখন আপনাদেরকে দায়িত্ব নিতে হবে দেশটা কীভাবে আমরা গড়ে তুলবো। এই দেশটা আমাদেরকে গড়ে তুলতে হবে কারণ এই দেশে আমরা সকলে থাকবো।'
সবাই একত্রিত হয়ে দেশকে পরিষ্কার করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সরকারপ্রধান বলেন, ‘'আজকে এই যে আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি, এই যে হাজার হাজার মানুষ এই মাঠে, সারা দেশের সবগুলো জেলাতে মিলিয়ে লাখ লাখ মানুষ যারা আমরা একত্রিত হয়েছি, আমরা একটি লক্ষ্য নিয়ে একত্রিত হয়েছি যে, আমরা আমাদের দেশকে পরিষ্কার করবো, আবর্জনা মুক্ত করার চেষ্টা করবো।'
বক্তব্যে তরুণদের রাষ্ট্র পুনর্গঠনের কাজে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এই যে সংখ্যাটা আমি বললাম, একটা দেশের এত বড় তরুণ সমাজ যদি দেশকে পরিবর্তন করতে চায়, তাহলে করা সম্ভব। তরুণ সমাজ যে পরিবর্তন করতে পারে, সেটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে।'
তিনি বলেন, 'পরিবর্তনের সূচনা সেখান থেকেই তরুণ সমাজ করেছে। কাজেই আসেন, আজকে আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি, আগামী তিন মাস আমরা এই যে ডেঙ্গুর যে সমস্যাটা, এই সমস্যাটার আমরা সমাধান করার চেষ্টা করবো। হয়তো আমরা ১০০ ভাগ পারবো না, কিন্তু অন্তত ৮০ ভাগ আমরা পারবো।'
তারেক রহমান বলেন, 'আমি এই যে যেই কথাটা বলেছি— ২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের তরুণ সমাজ দেখিয়ে দিয়েছে দেশকে কী করে পরিবর্তন করতে হয়। পরিবর্তন হয়েছে। তরুণ সমাজের কাছে আমার আহ্বান— আসুন এবার রাষ্ট্রকে, দেশকে আমরা পুনর্গঠন করি।'
