যাত্রীবাহী লঞ্চভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ানোর দাবি

প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৭ | অনলাইন সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় এবার যাত্রীবাহী লঞ্চের ভাড়া ৫১ থেকে ৬০ শতাংশ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রী পরিবহনকারী লঞ্চ মালিকদের সংগঠন। এই হিসেবে লঞ্চের যাত্রীভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১ টাকা ৫০ পয়সা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ২ টাকা ৯৫ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা বাড়িয়ে ৪ টাকা ৪৫ পয়সা এবং ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে ২ টাকা ৫২ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা বাড়িয়ে ৪ টাকা ২ পয়সা করার দাবি জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নৌপরিবহন, রেলপথ ও সেতু বিভাগ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে দেওয়া এক চিঠিতে এ দাবি জানান বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাপ) সংস্থা। চিঠিতে সংগঠনের প্রেসিডেন্ট গোলাম নবী আলমগীর সই করেন।

চিঠিতে বলা হয়, গত ২১ সেপ্টেম্বর সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১১৫ থেকে ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। এতে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ১৮ শতাংশ বেড়েছে। অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রী পরিবহনে নিয়োজিত লঞ্চগুলো সম্পূর্ণ ডিজেল ও মবিলচালিত হওয়ায় এতে পরিচালন ব্যয় বেড়েছে।

লঞ্চ মালিকরা জানান, এরই মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ বিভিন্ন ফি ও চার্জ বাড়িয়েছে। এর মধ্যে কনজারভেন্সি চার্জ ৩০ শতাংশ, রুট পারমিট ফি ৫০ শতাংশ এবং বার্দিং চার্জ ১১৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নৌযানের রুট পারমিটের আবেদন ফরমের ফিও ৬০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি নৌযানের বিশেষ অনুমতি ফি, স্থগিত রুট পারমিট পুনর্বহাল চার্জ এবং মালিকানা, নাম বা রেজিস্ট্রেশন পরিবর্তনের জন্য নতুন করে বিভিন্ন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া লঞ্চ নির্মাণ ও পরিচালনায় ব্যবহৃত প্লেট, অ্যাঙ্গেল, প্রপেলার, ইঞ্জিনের খুচরা যন্ত্রাংশ, ওয়েল্ডিং রড, গ্যাস, রং ও স্পেয়ার পার্টসের দাম এবং ডকিংসহ বিভিন্ন খরচ কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে বলে দাবি করেন লঞ্চ মালিকরা।

লঞ্চ মালিকরা জানান, ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রতি কিলোমিটারে ৪ টাকা ৪৫ পয়সা, ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে ৪ টাকা ২ পয়সা এবং যাত্রীপ্রতি সর্বনিম্ন ভাড়া ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় বর্ধিত ডিজেলের দাম বাতিল করার দাবি জানান তারা।

 

আবা/এসআর/২৬