দেড় লাখ টন সার ও ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার
প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:৩৮ | অনলাইন সংস্করণ

দেশের বর্ধমান চাহিদা মেটাতে সরকার আজ পৃথক প্রস্তাবে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল এবং ১ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি ও ডিএপি সার কেনার অনুমোদন দিয়েছে।
চলতি বছরের সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিজিপি) ৪৬তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্রথম প্রস্তাবের আওতায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে (ওটিএম) ৫০ কেজি ওজনের বস্তায় ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার সুপারিশ করা হয়েছে।
সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে খুলনার ফুলতলার ‘জয়তুন অটো রাইস অ্যান্ড ডাল মিলস লিমিটেড’কে। কর ও ভ্যাটসহ এতে মোট ব্যয় হবে প্রায় ৭৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। সে হিসাবে প্রতি কেজি মসুর ডালের দাম পড়ছে ৭৬ দশমিক ৮৯ টাকা।
এছাড়া সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) চুক্তির আওতায় মোট চার লটে সার আমদানিরও সুপারিশ করেছে কমিটি।
দ্বিতীয় প্রস্তাবে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ও কানাডিয়ান কমার্শিয়াল কর্পোরেশনের (সিসিসি) মধ্যকার চুক্তির আওতায় দুই লটে ৮০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানি করা হবে।
চুক্তির ৩য় লটে সিসিসি থেকে কেনা হবে ৪০ হাজার মেট্রিক টন সার, যাতে মোট ব্যয় হবে প্রায় ১৮৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা (প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৩৮৩ দশমিক ৮০ মার্কিন ডলার)। একই চুক্তির ৪র্থ লটের আওতায় সমপরিমাণ (৪০ হাজার মেট্রিক টন) এমওপি সার একইভাবে একই দামে (৩৮৩.৮০ ডলার) কেনা হবে, যার ব্যয়ও ধরা হয়েছে প্রায় ১৮৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।
অন্যদিকে রাশিয়ার জেএসসি ফরেন ইকোনমিক কর্পোরেশনের (প্রডিনটর্গ) সঙ্গে বিএডিসির মধ্যে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে স্বাক্ষরিত আরেকটি চুক্তির আওতায় ৭ম লটে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানি করা হবে।
প্রতি মেট্রিক টন ৩৮৩ দশমিক ৮০ মার্কিন ডলার হিসাবে এতে ব্যয় হবে প্রায় ১৬৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা। সরবরাহকারী হিসেবে প্রডিনটর্গকেই সুপারিশ করা হয়েছে।
পাশাপাশি বিএডিসি ও সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ‘মা’আদেন’-এর চুক্তির আওতায় ২০২৬ সালের ৪র্থ লটে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে কমিটি।
প্রতি মেট্রিক টন ৮৮৫ মার্কিন ডলার হিসাবে এতে খরচ হবে প্রায় ৪৩৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। সরবরাহকারী কোম্পানি হিসেবে মা’আদেন-এর নাম সুপারিশ করা হয়েছে।
সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি আজ উপস্থাপিত সবকটি ক্রয় ও আমদানি প্রস্তাবই অনুমোদনের সুপারিশ করেছে।
