পুঁচকে হাতি

সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই ইজতিদের বাড়ির দিকে রওনা হলো নিমকি। পাহাড়ি রাস্তা। বাতাসে দোল খাওয়া পাতার তালিতে কেমন এক মধুর সুর ভেসে আসছে। সে সুরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পাহাড়ের ঝরনা পাখিদের গান। এক অন্য রকম অনুভূতি তৈরি করেছে। এমন সকাল এর আগে দেখেনি নিমকি। দেখবেই কী করে? ও তো জন্মের পর আর বন থেকে বের হতেই পারেনি। তার মায়ের নিষেধ আছে

ধীরে ধীরে বিকালের রোদ কমে যাচ্ছে, কমে যাচ্ছে সূর্যের আলো। পাশের পাহাড়ের ছায়া এসে ছুঁয়ে দিচ্ছে নিমকির শরীর। বিকালের আলোয় বনের বাইরে থাকতে নিমকির ভালো লাগে। ভালো লাগে খেলতে, নাচতে, গাইতে। প্রজাপতি, ফুল, পাখি বিকালের হালকা রোদ আর ইজতিকে। বিকাল হলেই নিমকি পাহাড়ের বন থেকে বের হয়ে এসে অপেক্ষা করে ইজতির জন্য। ইজতিদের বাসা এখান থেকে বেশি দূরে নয়। প্রতিদিন বিকালে ইজতি আর নিমকি খেলা করে এখানে। 
শুধু তারা দুইজন আসে তা নয়, বিকালবেলা এখানে পশুপাখিরা ঘুরতে আসে। বিকালের মোলায়েম আলোটা বেশ মজার। এখান থেকে পুরো বনটা দেখা যায়। আহা কতই না চমৎকার দৃশ্য। চারদিকে সবুজ আর সবুজ। মেঘের জন্য বেশি দূর দেখা যায় না এ দৃশ্যটি। সবুজের ওপারে মেঘেদের বাড়ি। 
ইজতির সঙ্গে খেলতে ভালো লাগে বলেই এখন আর নিমকি হাতির দলের সঙ্গে খেলতে যেতে চায় না। ইজতি খুব মজার। এখানের সব চেনে। কোন গাছের কি নাম। কোন ফুল দেখতে কেমন। কোন পাখি এখন গান করছে। কার সুর বেশি সুন্দর। নিমকি কম বুঝলেও ইজতি খুব ভালো বুঝে। ভালো চেনে।
গাছের ছায়া থেকে নামতে নামতে সবুজ ঘাসের মাঠে মিশে গেল আলো। সন্ধ্যা হয়ে গেল কিন্তু ইজতি এলো না। ইজতির কথা ভাবতে ভাবতে মনটা খারাপ হয়ে গেল নিমকির। 
সন্ধ্যা শেষে রাত নেমে এলো, বন্ধ হয়ে গেল সুরেলা পাখিদের ডাক। শুধু ঝিঁ ঝিঁ শব্দ আর দূর থেকে ভেসে আসছে হুক্কা হুয়া। হুক্কা হুয়া। 
এ মহূর্তে শেয়ালের চিৎকারটা খুব বিরক্তিকর লাগছে নিমকির কাছে। 
ইজতির জন্য নিমকির খুব চিন্তা হচ্ছে। ছটফট করতে লাগল। নাকি শরীর খারাপ করেছে। নিমকি চিন্তা করল কাল সকালে ইজতিদের বাসায় যাবে। কিন্তু কীভাবে যাব ভালো করে তো চেনা হয়নি। শুধু পাহাড়ের ওপর থেকে দেখিয়েছে। ইজতির কথা ভাবতে ভাবতে কখন চোখে ঘুম চলে এলো নিমকি বুঝতেও পারল না।
সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই ইজতিদের বাড়ির দিকে রওনা হলো নিমকি। পাহাড়ি রাস্তা। বাতাসে দোল খাওয়া পাতার তালিতে কেমন এক মধুর সুর ভেসে আসছে। সে সুরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পাহাড়ের ঝরনা পাখিদের গান। এক অন্য রকম অনুভূতি তৈরি করেছে। এমন সকাল এর আগে দেখেনি নিমকি। দেখবেই কী করে? ও তো জন্মের পর আর বন থেকে বের হতেই পারেনি। তার মায়ের নিষেধ আছে। 
বন ছাপিয়ে হাঁটতে হাঁটতে লোকালয়ের কাছাকাছি চলে এসেছে। সব কিছু কেমন নতুন নতুন লাগছে। এমন খোলা মাঠ। ফসলি জমি। মাথার ওপর একটা বিশাল খোলা আকাশ। ওই দূরে মানুষজন দেখা যাচ্ছে। নিমকি সামনে যেতেই চোখে পড়ল দূরে কতগুলো মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। 
নিমকি কিছু না বুঝে নিজ গতিতে হাঁটতে থাকে। হঠাৎ থমকে যায় নিমকি! সারা শরীরে কেমন যেন কাঁপন ধরে গেল। কাঁপতে কাঁপতে মাটিতে পড়ে গেল নিমকি। সঙ্গে সঙ্গে চারদিক থেকে হইহই শব্দ শোনা গেল, ততক্ষণে নিমকির কানে আর কোনো আওয়াজ গেল না। 
পরের দিন পত্রিকায় নিউজ এলো, মানুষের পাতা বৈদ্যুতিক তারের ফাঁদে জীবন গেল এক 
বন্যহাতির। 


বকের বিড়ম্বনা
সবাই মিলে বকের বিরুদ্ধে বিচার নিয়ে গেল হুতুম প্যাঁচার কাছে।
বিস্তারিত
স্বাধীনতার জয়ে
  খুশির খেয়ায় নাও ভিড়ে যায় স্বাধীনতা পেয়ে, ঢেউয়ের দোলায় পাল
বিস্তারিত
স্বাধীনতার মান
স্বাধীন দেশ বাংলাদেশ স্বাধীনতার গান শুনি, স্বাধীনতার মান নিয়ে লিখেছেন
বিস্তারিত
যুদ্ধ কেবল ঝরায় চোখের জল
যুদ্ধ কি আর শুদ্ধ করে পথ? অস্ত্র দিয়ে যায় কি রোখা
বিস্তারিত
তোমরা যারা
তোমরা যারা যুদ্ধ করো আলোর সড়ক রুদ্ধ করো,      
বিস্তারিত
শান্তি
জাতি জাতি মিলেমিশে  হয় জাতিসংঘ  সংঘের নীতি দেখো জাতি করে ভঙ্গ। জাতিনেতা
বিস্তারিত