‘হার্টের ৩০ শতাংশ সক্ষমতা নিয়ে বেঁচে ছিলেন আইয়ুব বাচ্চু’

হার্টের ৩০ শতাংশ সক্ষমতা নিয়েই জীবনের শেষ ক’টি বছর বেঁচে ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক। বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে কিংবদন্তি এই সংগীতশিল্পীকে মৃত অবস্থাতেই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল বলে জানান হাসপাতাল পরিচালক (মেডিকেল সার্ভিসেস) ড. মির্জা নাজিম উদ্দিন।

তিনি বলেন, আইয়ুব বাচ্চুর হার্টের কার্যক্ষমতা ছিল ৩০ শতাংশ। নরমালি থাকে ৭০ শতাংশ। ওনার ছিল ৩০ শতাংশ। যার জন্য ওনি বার বার হাসপাতালে ভর্তি হতে হতো।

সকালে আইয়ুব বাচ্চুর হার্ট অ্যাটাক হলে তার গাড়ির চালক তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

নাজিম উদ্দিন জানান, গাড়ি চালক যখন তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন উনার মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল। এর অর্থ হলো হার্টের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে মুখ দিয়ে পানির মত অর্থাৎ ফেনা বের হচ্ছিল। যেটাকে আমরা হার্টফেলও বলে থাকি।

হাসপাতালে আসতে আসতে রাস্তায়ই উনি মারা যান, এমন মন্তব্য করে এই চিকিৎসক বলেন, আমাদের বিশেষ টিম যথেষ্ট চেষ্টা করেছে। তবে তার আগেই ওনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে তার মৃত্যু ঘোষণা করি।

ড. মির্জা নাজিম উদ্দিন আরও বলেন, তিনি বহুদিন হৃদরোগে ভুগছিলেন। দুই সপ্তাহ আগেও তিনি চেকআপ করিয়ে গেছেন। এর আগে ২০০৯ সালে তার হার্টে রিং পরানো হয়।

এর আগেও ২০১২ সালে ফুসফুসে পানি জমার কারণে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছিল আইয়ুব বাচ্চুকে।


নতুন পরিচয়ে পরী!
বর্তমান সময়টায় পরীমনি মানেই তরুণ প্রজন্মের ঘুম হারাম। অভিনয়ের পাশাপাশি
বিস্তারিত
রবীন্দ্রনাথের পিতার নাম মিয়া খলিফা!
ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির বাংলা প্রথম পত্রের
বিস্তারিত
জামিন পেলেন হিরো আলম, সংসার
যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারধর এবং নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায়
বিস্তারিত
মিশর চলচ্চিত্র উৎসবে জুরি অ্যাওয়ার্ড
সুর্বণা সেঁজুতি টুসির মীনালাপের জয়জয়কার অব্যাহত রয়েছে। এবার অর্জনের সপ্তম
বিস্তারিত
আমাকে বাথরুম থেকে নগ্ন করে
কণ্ঠশিল্পী মিলাকে নগ্ন অবস্থায় বাথরুম থেকে বের করে নির্যাতন করা
বিস্তারিত
পূর্ণিমার ফাঁস হওয়া নতুন ভিডিও
মুগ্ধতার আরেক নাম পূর্ণিমা। ঘোর অন্ধকার রাতের আকাশ আলোকিত করে
বিস্তারিত