মিথ্যা সব গোনাহের মূল

ঘড়ির কাঁটা দুপুর ১২টা ছুঁই ছুঁই। আমি সাতরাস্তার মোড় থেকে যাত্রাবাড়ীর উদ্দেশে বাসে উঠে বসলাম। গাড়ি মগবাজার এসে জ্যামে আটকা পড়ল। আমার পেছনের সিটে বসা এক যাত্রীর মোবাইলে রিং বেজে উঠল। সে ফোন রিসিভ করে বলল, ভাই! আমি এখন সাভার নবীনগরে আছি। আগামীকাল আপনার সঙ্গে দেখা করব। মনের অজান্তেই আমি পেছন ফিরে তার দিকে তাকালাম; চোখে চোখ পড়লে লোকটি খানিকটা লজ্জায় পড়ে গেল এবং চেহারা অন্যদিকে ফিরিয়ে নিল।
দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে এভাবে আমরা অসংখ্য মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে থাকি। আবার একটি মিথ্যা ধামাচাপা দিতে একাধিক মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টাও করি। অথচ মিথ্যা একটি নিন্দিত, ঘৃণিত ও জঘন্যতম অপরাধ এবং সব পাপের মূল, যা মানুষের ইহকাল ও পরকালকে ধ্বংস করে। মিথ্যা বলার কারণে মহান আল্লাহ তায়ালা পূর্ববর্তী বহু সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছেন। মিথ্যুকদের জন্য জাহান্নামে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
পবিত্র কোরআনের অন্যত্র আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, ‘তোমরা মূর্তি পূজার অপবিত্রতা এবং মিথ্যা বলা থেকে বিরত থাকো।’ (সূরা হজ : ৩০)।
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘মোনাফেকের আলামত তিনটিÑ ১. কথা বললে মিথ্যা বলে, ২. ওয়াদা করলে ভঙ্গ করে, ৩. আমানত রাখলে খেয়ানত করে।’ (বোখারি)।
ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘তোমরা মিথ্যা থেকে বেঁচে থাক। কেননা মিথ্যা মানুষকে গোনাহের দিকে নিয়ে যায়, আর গোনাহ জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়।’ (মুসলিম)।
পৃথিবীর কোনো দেশ, জাতি, ধর্ম ও নীতিতে মিথ্যার বৈধতা নেই। বরং মিথ্যা যতই সুমিষ্ট ও সুমধুর হোক তা দুর্গন্ধময়। মিথ্যা বলা, মিথ্যা ওয়াদা করা বা কাউকে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া এগুলো সবই গর্হিত ও জঘন্যতম অপরাধ এবং এর পরিণাম জাহান্নাম। তাই আসুন, সর্বদা সত্য বলি, সৎপথে চলি এবং জীবনের সর্বক্ষেত্রে মিথ্যাকে পরিহার করি।


দাজ্জালের ফেতনা থেকে সাবধান
নবী (সা.) তাঁর উম্মতকে ফেতনা থেকে কঠিনভাবে সতর্ক করেছেন। এ
বিস্তারিত
সন্ত্রাসবাদের কোনো ধর্ম নেই
শ্রীলঙ্কায় নিরাপরাধ মানুষের ওপর নির্বিচার সন্ত্রাসী হামলায় সারাবিশ্বের বিবেকবান মানুষের
বিস্তারিত
আলোর পরশ
কোরআনের বাণী আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘যে বিষয়ে তোমার কোনো জ্ঞান নেই,
বিস্তারিত
দ্বিতীয় কাতার কোথা থেকে শুরু
প্রশ্ন : নামাজের প্রথম কাতার পূর্ণ হয়ে গেলে দ্বিতীয় কাতার
বিস্তারিত
ন তু ন প্র
বইয়ের নাম : রামাদান উদযাপন রচয়িতা : ড. মাওলানা আবু সালেহ
বিস্তারিত
জীবন পাথেয়
আপনি বিপদে পড়ে সর্বশেষ কবে আল্লাহর কাছে ধরনা দিয়েছেন? আল্লাহর
বিস্তারিত