কাঠঠোকরা

আমার দেহে ঠুকরে ঠুকরে অনবরত
গর্ত করে কাঠঠোকরা 
বাসা বানায়
ব্যথায় নীল হই আমি।
তুমি খোঁজ সুখের বাস
জমা রাখো সোনালি ডিম।

তারপর ডিমগুলি পাখি হয়
এবং উড়ে যায়

আমি অসংখ্য ভালোবাসার গর্ত দেহে দাঁড়িয়ে থাকি
অতঃপর শূন্য গর্তে সাপেরা এসে বাসা বাঁধে।


রুদ্রর কবিতা উচ্চারণ থেকে কথনে
রুদ্রর বহির্মুখী চেতনারাশির ওপর তার ভাবকল্প ও সংরাগবহুলতার তোড় আছড়ে
বিস্তারিত
আলো জেলে রাখি কবিতার খাতায়
কী নীরব রাত! একা একা বসে লিখছি। লেখার মাঝে দুঃখগুলো
বিস্তারিত
কতিপয় বিচ্ছিন্ন মুহূর্তের টীকা
  ১. নিরন্তর শুষ্কতার বশে আমি এক মরুকাঠ; অথচ ঠান্ডাজলপূর্ণ কিছু
বিস্তারিত
রৈখিক রক্তে হিজলফুল
বৃষ্টি হৃদয় উঠোন ভিজিয়ে যায় বিপ্রতীপ বিভাবন আঁধারের ক্লান্তিলগ্নে চোখের
বিস্তারিত
অপারগতা
না তুষার ঝড় না মাইনাস ফোর্টি শীতের রাত তো, বুড়োটা কিছুক্ষণ
বিস্তারিত
যন্ত্রণার দীর্ঘশ্বাস
  অলীক স্বপ্ন, অসীম দহন, সমুখের হিসাব নিকাশ প্রদীপের শিখা ছিল
বিস্তারিত