‘গণআন্দোলন’ ছাড়া উপায় দেখছেন না নজরুল

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, আলোচনা ও সংলাপে সরকারের আচরণ পরিবর্তন হচ্ছে না, এখন গণআন্দোলন ছাড়া কোনো উপায় দেখছি না।

তিনি বলেন, সরকারের আত্মরক্ষার জেদের কারণে পরিস্থিতির কাঙ্খিত কোনো পরিবর্তন দেখতে পারছি না।

বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের একটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ লেবার পার্টির এক সংহতি সমাবেশে এসব কথা বলেন নজরুল ইসলাম খান।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে এই সমাবেশ হয়।

বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, বাংলাদেশ এখন অস্বাভাবিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। যে গণতন্ত্র, সুশাসন ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্নে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, সেই স্বপ্ন বারবার ধূলিস্যাৎ করে। বারবার ক্ষমতাসীনেরা ও তাদের প্রধান সহযোগী জাতীয় পার্টি গণতন্ত্র হরণ করেছে। আর বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সেই গণতন্ত্র লড়াইয়ের আন্দোলনে নেমেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানই প্রথম গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারা বলে সংবিধানের বাইরে চলা যাবে না। সংসদ বিলুপ্ত করে তফসিল ঘোষণা করার কথা সংবিধানেই বলা আছে। সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচনে আসেন। এটা সংবিধানের বাইরের কিছু না। ইভিএমের কথা সংবিধানের কোথায় লেখা আছে? সেনাবাহিনী নিয়োগে বাধা সংবিধানের কোথায় বাধা দেয়া হয়েছে?’ তিনি বলেন, ‘এই গণতন্ত্রহীনতার যে সংস্কৃতি তা অতিক্রম করতে রাজপথে আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই।’

সেনাবাহিনীকে ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে রাখার বিষয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, তারা বলে, সেনাবাহিনী শহরে কোনো একটা স্টেডিয়াম বা মাঠে ভোটের সময় তাঁবু গেড়ে বসে থাকবে। রিটার্নিং অফিসাররা চাইলে তারা গিয়ে নির্বাচনী কাজে সহযোগিতা করবে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা তাদের অনুগত হন, তারা কেন বলবে? সেনাবাহিনী তাঁবুতে থাকবে, আর এই সুযোগে তাঁদের গুন্ডাপান্ডা আর পুলিশ দিয়ে সিল মারবে, এর নাম স্ট্রাইকিং ফোর্স। বরং সেনাবাহিনীকে নির্বাচনের প্রত্যক্ষ কাজে অংশ নিতে দিলেই জনগণ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে আসতে পারবে। এতে করে সরকারের জেতার কোনো সম্ভাবনা নাই।’

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আরও উন্নত চিকিৎসা দরকার মন্তব্য করে নজরুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসকেরা বলছেন, উন্নত চিকিৎসা না হলে বিএনপি চেয়ারপারসন পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন, অন্ধ হয়ে যেতে পারেন। সরকার কী সেটাই চায়? তাঁকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকেরা জানতেই পারলেন না। আজ হোক কাল হোক, সরকারের প্রত্যেকটা কাজের হিসাব জনগণের কাছে দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন এই নেতা।

লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন, দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক রহমান, আমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, অর্থ সম্পাদক আল আমিন, লেবার পার্টির ছাত্র সংগঠন ছাত্র মিশনের যুগ্ম সম্পাদক শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।


প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে, রুখে
বিচার ও ইনসাফ না থাকায় দেশে মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা, ধর্ষণের
বিস্তারিত
আওয়ামী লীগের নজর বিএনপির শপথে
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ছয়টি আসনে বিএনপি থেকে বিজয়ী সংসদ
বিস্তারিত
ময়মনসিংহের নগর পিতা হলেন টিটু
কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন (মসিক) নির্বাচনে আওয়ামী
বিস্তারিত
গ্যাটকো মামলায় খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ
গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের
বিস্তারিত
ছাত্রলীগের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করলেন
দলের এবং সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক এবং প্রশাসনিক
বিস্তারিত
আমি প্যারোলে মুক্তি নেবো কেন?
প্যারোলে মুক্তি চান না বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার আশা,
বিস্তারিত