বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত

তাবলিগের মুরব্বিদের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

এবারের বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাবলিগ জামায়াতের দুই পক্ষকে নিয়ে বসা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ তথ্য সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ওই বৈঠকে অংশ নেয়া আলেম প্রতিনিধি শোলাকিয়া ঈদগাহর খতিব মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।

যদিও তাবলিগ জামাতের বিবদমান দুই পক্ষই জানুয়ারিতে পৃথক তারিখে টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা করার ঘোষণা দিয়েছিল। ভারতের তাবলিগের মুরুব্বি মাওলানা সাদ কান্ধলভিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধ নিরসনে তাবলিগ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল ভারত যাবে বলে জানা গেছে বিভিন্ন সূত্রে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনিছুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘নির্বাচনের আগে সব ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ। একইসঙ্গে তাবলিগের জামাতের মধ্যে বিরোধও রয়েছে। এসব বিবেচনায় তাবলিগের বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাবলিগের দুই পক্ষের সব কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। তারা কোনও জোড় (জমায়েত), ওজহাতি জোড় (স্পষ্টকরণ জমায়েত) কিছুই করতে পারবেন না। এছাড়া একটি প্রতিনিধি দল ভারত যাবে। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা আলাপ-আলোচনা করে সমাধান করবেন।’

বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন শেষ হলে দুই পক্ষ বসেই তারিখ নির্ধারণ করবে। সেক্ষেত্রে সরকার সব ধরনের সহায়তা দেবে।’

আলেমদের মধ্যে শোলাকিয়া ঈদগাহর খতিব মাওলানা ফরীদ উদ্‌দীন মাসঊদ ও গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদের খতিব মাওলানা মাহমুদুল হাসানও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মো. জয়নাল আবেদিন, পুলিশের আইজি মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, ধর্মসচিব, সেতু বিভাগের সচিব, আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক শেখ আবদুল্লাহ।

প্রসঙ্গত, তাবলিগ জামায়াতের বিশ্ব আমির দিল্লির মাওলানা সাদ কান্ধলভি ও নিজামুদ্দীন মারকাজের বিরোধিতা করছেন পাকিস্থানের তাবলিগি নেতৃবৃন্দ। তাই তাবলিগের মূল সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে নিজামুদ্দীন মারকাজের সমান ক্ষমতা দাবি করে আলমি শুরা গঠন করে রাইভেন্ড মার্কাজ।

কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে অংশদারিত্বের বিবাদে দিল্লি-লাহোর জড়িয়ে পড়লে বিশ্বজুড়েই এর প্রভাব পড়ে। বাংলাদেশে তাবলিগ জামায়াতের প্রধানকেন্দ্র কাকরাইল মসজিদেও ছড়িয়ে পড়ে এ বিভক্তি।

১১ জন শুরা সদস্যের মাঝে ছয়জন নিজামুদ্দীনের পক্ষে থাকলেও বাকি পাঁচজন আলমি শুরার পক্ষে অবস্থান নেন।

এ অংশের বিরোধিতায় বিগত বিশ্ব ইজতেমায় তাবলিগের আমির মাওলানা সাদ ও নিজামুদ্দীনের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ এসেও ইজতেমায় অংশ নিতে পারেননি।

পরে কাকরাইল মসজিদে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মুরব্বিদের উপস্থিতিতে আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর তিন চিল্লার সাথীদের জোড় এবং ১১, ১২, ও ১৩ জানুয়ারি ২০১৯ বিশ্ব ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ করেন।

এর বিরোধিতা করে ডিসেম্বরের ৭ থেকে ১১ জোড় এবং জানুয়ারির ১৮, ১৯ ও ২০ ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ করে অপর পক্ষ।

তাবলিগ জামাতের ইতিহাসে এ প্রথম ইজতেমা ও জোড়ের তারিখ নিয়ে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এ দ্বন্দ্ব নিরসনেই বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।


প্রার্থী বৈধ অস্ত্র বহন করতে
সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী বৈধ অস্ত্র বহন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন
বিস্তারিত
‘হত্যার রাজনীতিতে নেমেছে আগুন সন্ত্রাসীরাই’
আগুন-সন্ত্রাসীরাই হত্যার রাজনীতিতে নেমেছে বলে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান
বিস্তারিত
আবারও দেশের সেবা করার সুযোগ
আওয়ামী লীগের উন্নয়ন তৃণমূলের উন্নয়ন, নৌকায় ভোট দিলে কেউ কোনোদিন
বিস্তারিত
‘প্রতিযোগিতা যেন সহিংসতায় রূপ না
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ও
বিস্তারিত
রসএনার্গোএটমের নিরাপত্তা নীতির ব্যাপারে আইএইএর
আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি এজেন্সির (আইএইএ) বিশেষজ্ঞরা নিরাপত্তার নীতির প্রতি রাশিয়ার
বিস্তারিত
বাবার মতো বাংলার মানুষের জন্য
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমাকে মারার
বিস্তারিত