রাজশাহীতে এসএসসির ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলার পুরান তাহিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও প্রতিকার মিলছে না। স্কুলটির পরীক্ষার্থীদের কয়েকজন অভিভাবক সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ তুলেছেন।

রোববার সকালে রাজশাহী মহানগরীতে একটি পত্রিকা অফিসে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে আবু হেনা নামে এক পরীক্ষার্থীর অভিভাবক লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান। তিনি বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে তারা জেলা প্রশাসক, শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও দুর্নীতি দমন কমিশনে লিখিত অভিযোগ করেছেন। জেলা প্রশাসক অতিরিক্ত আদায় করা অর্থ ফেরত দিতে স্কুলটির প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দিয়েছেন। তবে তারা টাকা ফেরত পাননি।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, এবার স্কুলটির পরীক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক বিভাগের জন্য ২ হাজার ১৫০, বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ২ হাজার ২৫০ টাকা আদায় করা হয়েছে। এছাড়াও কিছু কিছু পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ৩ হাজারেরও বেশি টাকা আদায় করা হয়েছে। আর গত পরীক্ষায় ফের করা এক বিষয়ের পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৮০০ এবং একাধিক বিষয়ের জন্য দেড় হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে।

অন্যদিকে নির্বাচনী পরীক্ষায় যেসব পরীক্ষার্থী এক বা একাধিক বিষয়ে ফেল করেছে তাদের মধ্যে থেকে মানবিক বিভাগের জন্য সর্বনিম্ন ৩ হাজার ২০০ এবং বিজ্ঞান বিভাগের জন্য সাড়ে ৩ হাজার টাকা ফি আদায় করা হয়েছে। অথচ শিক্ষাবোর্ড নির্ধারিত মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য ১ হাজার ৪৪৫ টাকা এবং বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ১ হাজার ৫৬৫ টাকা নির্ধারণ করে রেখেছে। বিনারশিদে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে প্রধান শিক্ষক ইউসুফ আলী সরদার ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবদুস সাত্তার প্রামানিক ভাগবাটোয়ারা করে নিচ্ছেন বলেও সংবাদ সম্মেলন অভিযোগ করা হয়।

আবু হেনা বলেন, স্কুলের এক পরীক্ষার্থীর বাবা ভিক্ষাবৃত্তি করেন। তার কাছ থেকেও অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষক ইউসুফ আলী সরদারের কাছে টাকা কম নেওয়ার অনুরোধ করলে তিনি তাদের সঙ্গে অসৌজ্যমূলক আচরণ করেন। একই সাথে এ বিষয়ে কোথাও অভিযোগ করলে প্রবেশপত্র প্রদান করবেন না, এমনকি পরীক্ষা কেন্দ্রে তাদের বহিষ্কার করা হবে বলেও হুমকি প্রদান করেন। আর টাকা আদায়ের রশিদ চাইলে প্রধান শিক্ষক বলেছেন, ফি গ্রহনের  রশিদ প্রদানের কোনো বিধান নেই। তাই তিনি রশিদ দিতে পারবেন না।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আবদুস সাত্তার প্রামানিককে নিয়ম ভেঙে স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। তিনি এই স্কুলেরই অবসরপ্রাপ্ত অফিস সহকারি। তিনি চাকরিতে থাকা অবস্থায় এই প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগসাজোস করে অষ্টম শ্রেণির একটি জাল সনদ বিক্রি করেছিলেন। আবদুস সাত্তার পুরান তাহিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েরও সভাপতি ছিলেন। তিনি এই দায়িত্ব নিয়েই স্কুলের কিছু মূল্যবান গাছ কেটে নামমাত্র মূল্যে বিক্রির চেষ্টা করেছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তা আটকেছিলেন। এখন পুরান তাহিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে নানা অনিয়ম করে যাচ্ছেন। আর তাকে সহযোগীতা করছেন প্রধান শিক্ষক। তাদের দুজনের অর্থের লোভের কাছে পিষ্ট হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্কুলটির সভাপতি আবদুস সাত্তার প্রামানিক ও প্রধান শিক্ষক ইউসুফ আলী সরদার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বলেছেন, সব তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। তারা অতিরিক্ত কোনো টাকা নেননি। কত টাকা আদায় করা হয়েছে তা লিখিতভাবে শিক্ষাবোর্ডকে জানানো হয়েছে।


উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে ৩০ ডিসেম্বর
ফেনীতে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছে প্রার্থীরা। মঙ্গলবার বিকেলে
বিস্তারিত
শান্তি ও উন্নয়নের প্রতীক নৌকা:
প্রচার-প্রচারণা কাজের অংশ হিসাবে আজ মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে সদর
বিস্তারিত
আ.লীগের আরেকটি অবিস্মরণীয় বিজয় হবে:
স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার
বিস্তারিত
নোয়াখালীতে যুবলীগ নেতাকে গুলি ও
নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের নুরু পাটোয়ারির হাটে বিএনপির সমর্থকদের
বিস্তারিত
নির্বাচনকে ঘিরে বিশৃঙ্খলা করলে ছাড়
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অতীতে যা হয়েছে, এবার সেই
বিস্তারিত
জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বিল্লাল হোসেন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁদপুর জেলা শখার সেক্রেটারি মাওলানা বিল্লাল হোসেন
বিস্তারিত