৩ দফা দাবিতে

আরবান প্রাইমারি হেলথ্ কেয়ার সার্ভিসেস কর্মীদের মানববন্ধন

আরবান প্রাইমারি হেলথ্ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রজেক্টের কর্মীরা বর্তমান ২০১৫ সালের পে-স্কেল বহাল রাখা ও বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদান প্রসঙ্গে ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে।

সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এটি অনুষ্ঠিত হয়। তিন দফা দাবিগুলো হল- ২০১৫ সালের সরকার প্রদেয় প্লে-স্কেল বহল রাখতে হবে; আরবানের সকল স্তরের কর্মীদের বেতন স্কেল পদানুযায়ী সমান হতে হবে; আরবানের নতুন ফেইজে সকল কর্মীদের চাকরিতে বহাল রাখতে হবে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এই প্রকল্পের কর্মীরা অনেক কষ্ট করে রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে মানুষের হাতের নাগালে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছে। প্রকল্পটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক বাস্তবায়িত।

আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রজেক্টের কর্মীরা জানান, ১৯৯৬ সালে শহরের মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‌'আরবান প্রাইমারি হেলথ্ কেয়ার প্রকল্প' নামক একটি যুগান্তকারী প্রকল্প গ্রহণ করেন, যা ২০০০ সাল থেকে নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও নগর মাতৃসদনের মাধ্যমে নগর এলাকার সব অসহায়, হতদরিদ্র, বস্তিবাসী ও নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও সাধারণ আয়ের মানুষদের জন্য স্বল্পমূল্যে গুণগত মানের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে। কিন্তু প্রকল্পের কর্মীদের সরকার প্রদেয় ২০১৫ সালের জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী চলমান বেতন-ভাতা বাতিলের চক্রান্ত চলছে। প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন করার প্রায় ১০ মাস পূর্বেই ২৩টি কর্মএলাকায় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পত্রিকায় দরপত্র আহ্বান করা হয়। সেই দরপত্রে সকল কর্মএলাকার কর্মীদের জন্য একটি নির্দিষ্ট নীতিমালায় বেতন কাঠামো গ্রেড অনুযায়ী উল্লেখ ছিল। পরবর্তীতে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইউনিট তাদের নিজেদের স্বার্থে প্রহসনের বাজেট তৈরির দায় এড়াতে কর্মীদের নির্দিষ্ট গ্রেড অনুযায়ী বেতন-ভাতা বাতিল করে এবং অন্যান্য খাতের বাজেট ঠিক রেখে বেসরকারি সংস্থাকে দরপত্র জমা দিতে বলা হয়, যা পত্রিকায় প্রকাশিত করা হয়নি। অথচ প্রজেক্ট পরিচালনার জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইউনিট ও প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন ইউনিটের কর্মীদের ২০১৫ সালের জাতীয় পে-স্কেল নীতিমালায়ই বেতন-ভাতা গ্রেড অনুযায়ী বহাল রাখা হয়। 

আরবান প্রাইমারি হেলথ্ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রজেক্টের কর্মীরা আরও বলেন, বেসরকারি সংস্থা বেশি মুনাফার স্বার্থে শুধুমাত্র মাঠের কর্মীদের চলমান বেতন-ভাতাদি প্রায় অর্ধেকের চেয়েও বেশি কমিয়ে লুটপাটের বাজেট তৈরি করে দরপত্র জমা দেয়। এই দরপত্র বহাল থাকলে বেসরকারি সংস্থার অসুস্থ ও নোংরা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বেতন-ভাতার বৈষম্য তৈরি করা হবে। বেসরকারি সংস্থার রদবদল হলে প্রকল্পের সরাসরি স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত কর্মীদের চাকরি থেকে বাদ দেয়া হয়। যার ফলে পূর্বের কর্মীরা দক্ষ হলেও তারা বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। 

তাই অত্র প্রকল্পের কর্মীদের সরকার প্রদেয় ২০১৫ সালের জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা বহাল রাখা, চাকরির নিরাপত্তা প্রদান (স্ব-স্ব পদে বহাল রাখা) এবং কর্মীদের বেতন বৈষম্য বাতিলের চক্রান্ত দূর করে পদানুযায়ী সমন্বিত বেতন-ভাতা বহাল রেখে ও বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের কাছে আমাদের আবেদন।


রাজৈরে বিএনপির অর্ধশত নেতাকর্মীর আ.লীগে
মাদারীপুর-২ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের
বিস্তারিত
নোয়াখালীতে ৫ মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা
প্রতি বছরের মতো এবারও নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী
বিস্তারিত
সংখ্যালঘুদের ওপর গুলির প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ধুকুরিয়া গ্রামের জগদীশ সাহার বাড়িতে বোমাহামলা ও
বিস্তারিত
রংপুর-১ গঙ্গাচড়ায় আসন লড়াই হবে
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী আলাপ-আলোচনা ও
বিস্তারিত
টাঙ্গাইলে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত
টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন ও জেলা জনশক্তি ও কর্মসংস্থান অধিদপ্তর এর
বিস্তারিত
শিবগঞ্জে বৃষ্টি উপেক্ষা করে চলছে
সকাল থেকেই জেলায় সূর্যের দেখা মেলেনি। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা
বিস্তারিত