রূপগঞ্জে পোস্টার লাগানো নিয়ে আ.লীগ-বিএনপির সংঘর্ষে আহত ১৭

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীর পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মাঝে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১৭ কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সংঘর্ষকালে একপক্ষ আরেক পক্ষের লোকজনের বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট করেছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার রূপগঞ্জ সদর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে ।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একাদশ সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কাজী মনিরুজ্জামান মনিরের সমর্থিত ছাত্রদল নেতা সোহেল, এমদাদ, মোমেনসহ ১৫/২০ জন নেতাকর্মীরা বুধবার দুপুর ১২টার দিকে রূপগঞ্জ সদর এলাকার কাজী আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে পোস্টার লাগাতে যায়। পোস্টার লাগানোর খবর পেয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত  গোলাম দস্তগীর গাজীর সমর্থিত ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মশিউর রহমান রিপনসহ তার লোকজন তাদের বাধা দিতে আসে। এ নিয়ে উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। সংঘর্ষে সোহেল, সাগর, এমদাদ, মোমেন, খলিল, আসলাম, মানিক, আলামিন, তোফাজ্জল হোসেন, রফিকুর ইসলাম, পিস্টন রাসেলসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১৭ কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সংঘর্ষ চলাকালীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছাত্রদল নেতা সোহেল, মোমেন, খলিল ও মানিকের বাড়িতে ও বিএনপির সমর্থিত লোকজন ছাত্রলীগ নেতা পিস্টন রাসেলের বাড়িতে হামলায় চালায়।

এ সময় ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করেছে বলে উভয়পক্ষের লোকজন দাবি করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান বলেন, আমি এই হামলা ও বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে লুটপাটের তীব্র প্রতিবাদের পাশাপাশি আওযামী লীগের সন্ত্রাসীদের শাস্তি দাবি করছি। নির্বাচন কমিশন মুখে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের কথা বললেও বাস্তবে ঘটছে উল্টো ব্যাপার। আমাকে কোথাও প্রচারণা চালাতেই দিচ্ছে না। পাশাপাশি গ্রেফতার-নির্যাতন চালানো হচ্ছে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর।

প্রশাসন-নির্বাচন কমিশন সবাই প্রস্তুতি নিচ্ছে আরেকটি পাতানো নির্বাচন সম্পন্ন করার। এবার তাদের সে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না। শহিদ জিয়ার প্রতিটি কর্মী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত আছে।

এ ব্যাপারে ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মশিউর রহমান রিপনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিএনপির লোকজন পোস্টার লাগানোর সময় ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের দেখে তারা উস্কানিমূলক কথা বলে। এর প্রতিবাদ করতে গেলে বিএনপির লোকজন উল্টো আমার লোকজনের ওপর হামলা করে।

এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে সাথে সাথে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।


দশ টাকার জন্য মাকে কুপিয়ে
মাত্র দশ টাকার গুলের দাম না দেওয়ায় পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে মাকে
বিস্তারিত
শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে প্রশাসনকে
শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির ৪র্থ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৬ জুন
বিস্তারিত
১০ ঘন্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে
কিশোরগঞ্জ রেল স্টেশনের কাছে হোম সিগন্যালে লোকাল ট্রেনের ইঞ্জিন লাইনচ্যুত
বিস্তারিত
চবিতে প্রকৌশলীর রুমে তালা, মুঠোফোনে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) প্রকৌশল দপ্তরের এক প্রকৌশলীর রুমে তালা দেয়ার
বিস্তারিত
নদী দখলকারীরা যত ক্ষমতাশালীই হোক
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান হাওলাদার বলেছেন, যে
বিস্তারিত
আশুলিয়া থেকে হানিফ পরিবহনের সেই
আশুলিয়ার নয়ারহাট এলাকা থেকে হানিফ পরিবহনের সেই ঘাতক ড্রাইভার ইয়ার
বিস্তারিত