শীতের কদর

শীতের দেশে থাকতে থাকতে বরফ হয়েছি আমি

শুষ্ক বোধ আর রুক্ষ স্বভাব, মেজাজ ঊর্ধ্বগামী
শীত পালাতে গেলাম দখিনে, উষ্ণ জলজভূমি
চুপি চুপি বলি, শোন হে উত্তাপ, আমাকে বাঁচাবে তুমি।

নেই ঠান্ডা-বরফের লেশ, সবুজে ঘেরা সারা সময়
কোট-মাফলার কিছুই লাগে না, জীবন বড়ই মধুময়
এক মাস যায়, দুই, তিন মাস, নয়টি মাস কাটে
গ্রীষ্ম আসে; দারুণ দহে মাটি চৌচির ফাটে।

একটানা এ দাবানলে শালিক ঝিমায় গাছের ডালে
ঘাম দরদর ক্লান্ত শরীর বন্দী স্বপ্ন-জালে
স্বপ্নে দেখি ডাকিছে আমায় পুরনো সেই শীতের শহর
পাতাহীন গাছ, শুভ্র তুষার, জমাট বাঁধা দীঘির বহর।

না, ওখানে না, অন্য কোথাও, শীত যেখানে কিছুটা কম
সেখানে সকালে ফেনা ভাত খাবো সঙ্গে ভর্তা হরেক রকম
কুয়াশা ভোরে শিশির ঝরে খেজুর গাছের রসের ভাড়ে
পলাশ শিমুলরৌদ্র পোহায় পরম সুখে  পুকুর পাড়ে।

টগর, পদ্ম, বরুই, লেবুর গন্ধে চৌদিক মৌ মৌ করে
শৈত্যপ্রবাহ পালিয়ে দেখি দাবদাহে শীতের কদর বাড়ে।


রুদ্রর কবিতা উচ্চারণ থেকে কথনে
রুদ্রর বহির্মুখী চেতনারাশির ওপর তার ভাবকল্প ও সংরাগবহুলতার তোড় আছড়ে
বিস্তারিত
আলো জেলে রাখি কবিতার খাতায়
কী নীরব রাত! একা একা বসে লিখছি। লেখার মাঝে দুঃখগুলো
বিস্তারিত
কতিপয় বিচ্ছিন্ন মুহূর্তের টীকা
  ১. নিরন্তর শুষ্কতার বশে আমি এক মরুকাঠ; অথচ ঠান্ডাজলপূর্ণ কিছু
বিস্তারিত
রৈখিক রক্তে হিজলফুল
বৃষ্টি হৃদয় উঠোন ভিজিয়ে যায় বিপ্রতীপ বিভাবন আঁধারের ক্লান্তিলগ্নে চোখের
বিস্তারিত
অপারগতা
না তুষার ঝড় না মাইনাস ফোর্টি শীতের রাত তো, বুড়োটা কিছুক্ষণ
বিস্তারিত
যন্ত্রণার দীর্ঘশ্বাস
  অলীক স্বপ্ন, অসীম দহন, সমুখের হিসাব নিকাশ প্রদীপের শিখা ছিল
বিস্তারিত