শীতের কদর

শীতের দেশে থাকতে থাকতে বরফ হয়েছি আমি

শুষ্ক বোধ আর রুক্ষ স্বভাব, মেজাজ ঊর্ধ্বগামী
শীত পালাতে গেলাম দখিনে, উষ্ণ জলজভূমি
চুপি চুপি বলি, শোন হে উত্তাপ, আমাকে বাঁচাবে তুমি।

নেই ঠান্ডা-বরফের লেশ, সবুজে ঘেরা সারা সময়
কোট-মাফলার কিছুই লাগে না, জীবন বড়ই মধুময়
এক মাস যায়, দুই, তিন মাস, নয়টি মাস কাটে
গ্রীষ্ম আসে; দারুণ দহে মাটি চৌচির ফাটে।

একটানা এ দাবানলে শালিক ঝিমায় গাছের ডালে
ঘাম দরদর ক্লান্ত শরীর বন্দী স্বপ্ন-জালে
স্বপ্নে দেখি ডাকিছে আমায় পুরনো সেই শীতের শহর
পাতাহীন গাছ, শুভ্র তুষার, জমাট বাঁধা দীঘির বহর।

না, ওখানে না, অন্য কোথাও, শীত যেখানে কিছুটা কম
সেখানে সকালে ফেনা ভাত খাবো সঙ্গে ভর্তা হরেক রকম
কুয়াশা ভোরে শিশির ঝরে খেজুর গাছের রসের ভাড়ে
পলাশ শিমুলরৌদ্র পোহায় পরম সুখে  পুকুর পাড়ে।

টগর, পদ্ম, বরুই, লেবুর গন্ধে চৌদিক মৌ মৌ করে
শৈত্যপ্রবাহ পালিয়ে দেখি দাবদাহে শীতের কদর বাড়ে।


ভাতঘুম
সুমন রহমান লাজুক ভঙিতে হাসে। তার মাথাটা নুয়ে আসে বুকের
বিস্তারিত
কাঠমান্ডুর দরবারে
নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত হনুমান ধোকা দরবার ১৯৭৯ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব
বিস্তারিত
কবিতা
কাজী জহিরুল ইসলাম গৃহগল্প দাঁড়াবার জন্য কিছুটা সময় নেয় এরপর টুপ
বিস্তারিত
গণসমুদ্রচোখ আমাকে পাহারা দেয়
দাগহীন আত্মসমর্পণ, গোটা থানকুনি বাঁক তা দিচ্ছে। ধুলোর গায়ে-বেদনায়, প্রয়াণে;
বিস্তারিত
পথিক
তোমার বাস কোথায় গো পথিক, দেশে না বিদেশে আমি তোমায়
বিস্তারিত
নদী এবং নদীরা
হ্যাঁ, মেয়েটির নাম ছিলÑ নদী! পারভীন জাহান নদী। হয়তো আরও
বিস্তারিত