অপারগতা

না তুষার ঝড়

না মাইনাস ফোর্টি
শীতের রাত তো,
বুড়োটা কিছুক্ষণ আগেও কাঁপছিল
ঠকঠক ক’রে
এখন কাঁদছে
হুহু ক’রে
কোনো লুকোছাপা নেই
ছেঁড়া কাঁথাটা আর কত লড়াই করতে পারে?

সূর্য দেখার ভাগ্য কি তার হবে?
রোদকে পিঠ দেখিয়ে
কড়-কড়ে ঠান্ডা ভাত
আর মাছের ঝাল-ঝোল
যেনবা থক-থকে জেলি
কয়েকটা কাঁচা লঙ্কা
এই মুহূর্তে আর কোনো স্বপ্ন নেই বুড়ো ভিখিরির।

লোকটার কাঁপুনি
কান্না
দীর্ঘশ্বাসগুলোকে...
দুঃখিত, আমি অনুবাদ বলতে পারছি না,
এমন কী অভিনয়!


রুদ্রর কবিতা উচ্চারণ থেকে কথনে
রুদ্রর বহির্মুখী চেতনারাশির ওপর তার ভাবকল্প ও সংরাগবহুলতার তোড় আছড়ে
বিস্তারিত
আলো জেলে রাখি কবিতার খাতায়
কী নীরব রাত! একা একা বসে লিখছি। লেখার মাঝে দুঃখগুলো
বিস্তারিত
কতিপয় বিচ্ছিন্ন মুহূর্তের টীকা
  ১. নিরন্তর শুষ্কতার বশে আমি এক মরুকাঠ; অথচ ঠান্ডাজলপূর্ণ কিছু
বিস্তারিত
রৈখিক রক্তে হিজলফুল
বৃষ্টি হৃদয় উঠোন ভিজিয়ে যায় বিপ্রতীপ বিভাবন আঁধারের ক্লান্তিলগ্নে চোখের
বিস্তারিত
যন্ত্রণার দীর্ঘশ্বাস
  অলীক স্বপ্ন, অসীম দহন, সমুখের হিসাব নিকাশ প্রদীপের শিখা ছিল
বিস্তারিত
শীতের কদর
শীতের দেশে থাকতে থাকতে বরফ হয়েছি আমি শুষ্ক বোধ আর রুক্ষ
বিস্তারিত