সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানবের গল্প

নবীজিকে নিয়ে অনুভূতি-শেষ কিস্তি

পৃথিবীতে যুগে যুগে সময়ের প্রয়োজনে অনেক মহামানব এসেছেন। তারা সবাই তাদের মেধা, যোগ্যতা, পরিশ্রম ও প্রজ্ঞার দ্বারা পৃথিবীর মানুষের প্রভূত উন্নতি সাধন করেছেন। মানুষকে অন্যায় ও অপকর্ম থেকে সরিয়ে ভালো ও ন্যায়ের দিকে নিয়ে এসেছেন। কিন্তু যদি প্রশ্ন করা হয়, সব মহামানবের মধ্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব কে? এর উত্তরে পৃথিবীর সব ঐতিহাসিক ও জীবনী লেখক একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছেন, তিনি হলেন হজরত মুহম্মদ মোস্তফা (সা.)। 
মহান আল্লাহপাক তাঁকে পৃথিবীর সব মানবজাতির জন্য প্রেরণ করেছেন। তিনি ছিলেন পবিত্র কোরআনের প্রতিচ্ছবি এবং সব মানুষের জন্য উত্তম আদর্শ। যা কিছু ভালো এবং সৌন্দর্যময় তার সবকিছুই উপস্থিত ছিল মহানবী (সা.) এর চরিত্রে।
কেন তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব? এ প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে আমাদের সর্বাগ্রে তাঁর জীবনী পর্যালোচনা করে দেখতে হবে। তার আগে পৃথিবীতে যেসব মহামানব এসেছেন তারা প্রত্যেকেই একটা নির্দিষ্ট জাতি বা গোষ্ঠীর জন্য শান্তির পয়গাম নিয়ে এসেছেন। কিন্তু মুহাম্মদ (সা.) সারা বিশ্বের সব মানুষের জন্য রহমতস্বরূপ আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, ধর্মীয়, রাজনৈতিকসহ সব ক্ষেত্রে যে উত্তম আদর্শ রেখে গেছেন তা মানব জীবনের সর্বক্ষেত্রে প্রতিফলিত হলে নিশ্চিতরূপে পৃথিবীর বুকে ঝরনাধারার মতো শান্তি নেমে আসবে। তিনি অপরকে বুকে টেনে নিতেন পরম স্নেহভরে। অন্যায়কারীর প্রতি তিনি যেমন কঠোরতা দেখিয়েছেন তেমনি দুঃখী মানুষের জন্য নিজের বুকে সমভাবে তাদের দুঃখ-ব্যথা অনুভব করেছেন।
একজন নেতা হিসেবেও তিনি বিশ্বের বুকে এক অনন্য নজির স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন। একসময় মহানবীকে (সা.) তাঁর প্রিয় জন্মভূমি মক্কা থেকে আত্মীয়-পরিজনসহ বহিষ্কার করা হয়।
তিনি দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে মদিনার বুকে আশ্রয় গ্রহণ করেন। মহানবী (সা.) শক্তি সঞ্চয় করে মক্কার বুকে বীরবেশে ফিরে এলেন। তিনি সেদিন চাইলেই তাঁর শত্রুদের পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে মুছে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা না করে শত্রুদের সবাইকে ক্ষমা করে দিলেন। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন নজির কি আর একটিও পাওয়া যাবে? শত্রুকে তিনি কখনও অভিশাপ দেননি। বরং তাদের জন্য প্রাণভরে দোয়া করেছেন। পৃথিবীর বুকে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য জীবনভর চেষ্টা করে গেছেন। একজন মহামানবের পক্ষেই এমনটা করা সম্ভব। 

আরাফাত শাহীন
শিক্ষার্থী, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়


রমজানের পরে আমলের ত্রুটির জন্য তওবা
বছরের সবগুলো মাসই ইবাদতের মৌসুম। যদিও মর্যাদা ও দায়িত্বের ভিন্নতা
বিস্তারিত
চলে গেলেন মিসরের প্রথম নির্বাচিত
গ্রামে থাকতেই হিফজ শেষ করেন এবং সেখানেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক
বিস্তারিত
আলোর পরশ
কোরআনের বাণী ‘তারা হুর, যারা তাঁবুতে সুরক্ষিতা। অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের
বিস্তারিত
কবি নজরুল ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের
ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের স্থপতি সংগঠন তমদ্দুন মজলিসের উদ্যোগে জাতীয় কবি
বিস্তারিত
জান্নাত সম্পর্কে মহানবী (সা.)
  আমাদের প্রিয় রাসুল (সা.) আমাদের জন্য জান্নাত সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করে
বিস্তারিত
ফরজ গোসলের নিয়ম এবং যে
বিভিন্ন কারণে গোসল ফরজ হয়। আর ফরজ গোসল ইসলামি জীব
বিস্তারিত