গণতন্ত্রের স্বার্থে বিএনপির সংসদে আসা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে বিজয়ীদের গণতন্ত্রের স্বার্থে সংসদে এসে কথা বলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের যৌথসভার সূচনা বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব দুর্নীতিগ্রস্ত, সাজাপ্রাপ্ত এবং পলাতক আসামি বলেই জনগণ নির্বাচনে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচনে হেরেছে এ দোষ তাদের।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রার্থী নিয়ে মনোনয়ন বাণিজ্য না করলে বিএনপি হয়তোবা এই নির্বাচনে আরও ভালো ফল করতে পারত। এর থেকেই তো মানুষ জানতে পেরেছে, তাদের চরিত্রটা কী! এদের চরিত্র শোধরায়নি। তাই বাংলাদেশের জনগণ নির্বাচনে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। তারপরও যে কয়টা আসনে তারা জিতেছে, গণতন্ত্রের স্বার্থে তারা যদি চায়, তাদের সংসদে আসা প্রয়োজন।

এবারের নির্বাচনে বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্টের পরাজয় প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, এখন বিএনপি নির্বাচনে হেরেছে, এই দোষটা তারা কাকে দেবে? দোষ দিলে তাদের নিজেদেরকেই দিতে হয়। কারণ এই নির্বাচনে তাদের কোনো মাথা ছিল না। একটি রাজনৈতিক দলের যদি নেতৃত্ব না থাকে, মাথাই না থাকে, তাহলে সেই রাজনৈতিক দল কীভাবে নির্বাচনে জয়ের কথা চিন্তা করতে পারে?

বিএনপির 'অপকর্মের' কারণে নির্বাচনে কিছু প্রাণহানি ঘটেছে জানিয়ে তিনি বলেন, 'এবারের নির্বাচনটা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে। তবে কিছু কিছু জায়গায় বিএনপি-জামায়াত জোট মিলে ব্যালট বাক্স ছিনতাই করতে গেছে। কোথাও তারা নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করেছে। তাদের এই অপকর্মের কারণে বেশ কিছু প্রাণহানি ঘটেছে, যার মধ্যে আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদের অনেকেই আছেন।'

নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ মহাজোটের বিশাল বিজয়ের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'রাষ্ট্র পরিচালনায় আমরা জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে পেরেছি। তার ফলে ২০১৮ সালের নির্বাচনেও জয়লাভ করেছি। এমনকি ২০১৪ সালের নির্বাচনেও যারা কী করবেন- এমন দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ছিলেন, তারাও কিন্তু সবাই এগিয়ে এসেছিলেন এই নির্বাচনে আমাদের সমর্থন দেয়ার জন্য। বিশেষ করে আওয়ামী লীগকে সমর্থন দেয়ার জন্য।'

তিনি বলেন, এখানে ছাত্র-শিক্ষক, কৃষক-শ্রমিক, কামার-কুমার জেলে-তাঁতীসহ মেহনতি মানুষ এবং ব্যবসায়ী সম্প্রদায় থেকে শুরু করে প্রত্যেকের মাঝে একটি আকাঙ্ক্ষা ছিল যে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে তারা ভালো থাকবেন। আওয়ামী লীগ এলে দেশটা ভালো চলবে। আওয়ামী লীগ এলে দেশের উন্নতি হবে। এই উপলব্ধিটা তাদের মাঝে ব্যাপকভাবে দানা বেঁধে যায়। এ কারণেই তারা আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছেন।

গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের পর শনিবারের যৌথসভাই ছিল দলীয় নীতিনির্ধারণী ফোরামের প্রথম কোনো বৈঠক, যেখানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।


রিজার্ভ চুরি: এ মাসেই নিউইয়র্ক
যুক্তরাষ্ট্রের রির্জাভ ব্যাংকে রাখা বাংলাদেশের চুরি হওয়া রিজার্ভের টাকা উদ্ধারে
বিস্তারিত
এসএসসির সময় সব কোচিং সেন্টার
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর সাত দিন আগ থেকে শেষ
বিস্তারিত
শেখ হাসিনার পক্ষেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ
আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর দেশের
বিস্তারিত
গুলশান হলি আর্টিসান হামলার আসামি
গুলশানের হলি আর্টিসান হামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি ও জেএমবির অন্যতম সুরা
বিস্তারিত
দুর্নীতি, মাদক ও জঙ্গিবাদ নির্মূল
দেশ থেকে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও  ‍দুর্নীতি নির্মূল করতে স্বরাষ্ট্র
বিস্তারিত
ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরল
ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে আটক ২১ বাংলাদেশিকে ফেরত দিয়েছে ভারত
বিস্তারিত