তাকওয়ার চার স্তর

প্রথম স্তর : যেসব বিষয়বস্তু বা যে সম্পদ হারাম হওয়ার বিষয়ে শরিয়তের নির্দেশ বিদ্যমান; তা না করা বা তেমন কিছু ব্যবহার না করা। অর্থাৎ ফতোয়ার বিধান মোতাবেক আমল করে যাওয়া, হালাল-হারাম মান্য করা। এটি হচ্ছে সর্বসাধারণের তাকওয়া।

দ্বিতীয় স্তর : সালেহিনের তাকওয়া অর্থাৎ যারা সংশয়যুক্ত বিষয়াদি থেকেও বেঁচে থাকে। হাদিসে এসেছেÑ মহানবী (সা.) এরশাদ করেন, ‘যা কিছুতে সংশয় বিদ্যমান তা পরিহার কর এবং যেসবে সংশয় নেই তা গ্রহণ কর।’
তৃতীয় স্তর : মুত্তাকিদের স্তর। রাসুল (সা.) এরশাদ করেন, ‘মুসলমানরা যতক্ষণ পর্যন্ত বিপজ্জনক বিষয়াদিতে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় আপাতত বিপজ্জনক নয় এমন সব বিষয় থেকেও বিরত না থাকবে; ততক্ষণ পর্যন্ত তারা মুত্তাকির স্তরে উপনীত হতে পারবে না।’ তার মানে, মুত্তাকিদের কাছে শুধু ওই সম্পদ ও বস্তু হালাল, ব্যবহারযোগ্য যাতে উপস্থিত সময়েও কোনোরকম সংশয় নেই এবং ভবিষ্যতেও তাতে আশঙ্কার কিছু নেই।
চতুর্থ স্তর : সর্বোচ্চ স্তরের তাকওয়া হচ্ছে সিদ্দিকিনের তাকওয়া। অর্থাৎ যা কিছু আহার করলে আল্লাহর ইবাদত-আনুগত্যে শক্তি-সামর্থ্য অর্জনের কিছু নেই; তা পরিত্যাগ করা। (দরসে কোরআন : পৃ.-৪৯৭)।


কর্ডোভা : সভ্যতার হারিয়ে যাওয়া
স্থাপত্যশিল্পে কর্ডোভা সমকালীন পৃথিবীকেই শুধু ছাড়িয়ে যায়নি, বরং পতনের শত
বিস্তারিত
মদিনা মুনাওয়ারার মর্যাদা
মদিনার মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব মুসলিম উম্মাহর কাছে দিবালোকের মতো সুস্পষ্ট।
বিস্তারিত
ধর্ষণ রোধে চাই ইসলামের অনুশাসন
  ধর্ষণ বর্তমান পৃথিবীর অতি পরিচিত এক ভয়ঙ্কর শব্দের নাম। যে
বিস্তারিত
পারস্পরিক সহযোগিতা
অসংখ্য হাদিসে নববি মুসলিম সমাজের তাকাফুল বা পারস্পরিক সহযোগিতার মাহাত্ম্য
বিস্তারিত
বিপদে পাশে থাকুন
আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেনÑ
বিস্তারিত
কোরআন-সুন্নাহর আলোকে লেনদেন
ইসলামি অর্থনীতি হলো কোরআন ও সুন্নাহ মোতাবেক অর্থনৈতিক লেনদেন ব্যবস্থা।
বিস্তারিত