আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে পাঠাগারের গুরুত্ব

সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগার

বলা হয়ে থাকে, যে জাতি যত শিক্ষিত, সে জাতি তত উন্নত। আর শিক্ষার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হলো বই। বই পড়ার মাধ্যমে মানুষের জ্ঞান অর্থাৎ শিক্ষা বৃদ্ধিলাভ করে। আর একথা সর্বজন স্বীকৃত যে, শুধু পাঠ্যবইয়ের পাঠ পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা বা জ্ঞান নয়। বরং এটা হলো জ্ঞানের খ-িত একটি অংশ। জ্ঞান সমুদ্রে প্রবেশের দ্বার। পাঠ্যবই পাঠের মাধ্যমে জ্ঞানান্বেষী আরও বেশি জ্ঞান আহরণ করতে শিখবে

বই মানুষের পরম বন্ধু। একটি ভালো বই পারে একজন মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে টেনে আনতে। বই পড়া থেকে অর্জিত হয় আনন্দ। অর্জিত হয় জ্ঞান আর সক্ষমতা। বহুযুগ থেকে জ্ঞানচর্চার প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে বই। একটি বই মানুষের জ্ঞানের অনেকগুলো দরজা খুলে দেয়। তার মধ্যে লুকিয়ে থাকা ভালো গুণগুলো বিকশিত করে। পরিণত করে অন্য মানুষে। একটি ভালো বই একজন মানুষকে ধীরে ধীরে উন্নত মানসিকতার অধিকারী ভালো মানুষে পরিণত করে। তাই বলা যায়, বই মানুষ গড়ার কারিগর। 
কিন্তু হাজার বিষয়ের হাজার ধরনের হাজারটা বই অনেক সময় একত্রে পাওয়া যায় না। এজন্য গড়ে ওঠে পাঠাগার। একই জায়গায় অনেক বইয়ের সমাহারের নাম হলো পাঠাগার বা লাইব্রেরি। কয়েকটি বই নিয়ে যেমন হয় পাঠাগার, তেমনি কোনো পাঠাগারে থাকে লাখ লাখ বই। পাঠাগারের সুবিধা হলো এখানে একই জায়গায় বিভিন্ন বিষয়ের অনেকগুলো বই একসঙ্গে পাওয়া যায়। ইতিহাস, সমাজ, সাহিত্য, বিজ্ঞান, শিল্প-সংস্কৃতি সবকিছুর মেলবন্ধন এই পাঠাগার। রবীন্দ্রনাথ চমৎকার উপমা দিয়েছেন পাঠাগারের। তিনি বলেনÑ ‘মহাসমুদ্রের শত বৎসরের কল্লোল কেহ যদি এমন করিয়া বাঁধিয়া রাখিতে পারিত যে, সে ঘুমাইয়া পড়া শিশুটির মতো চুপ করিয়া থাকিত, তবে সেই নীরব মহাশব্দের সহিত এই লাইব্রেরির তুলনা হইত।’ তিনি পাঠাগারকে মহাসমুদ্রের কল্লোল ধ্বনির সঙ্গে তুলনা করেছেন। এ যেন এক নিস্তব্ধ মহাসাগর!
পাঠাগারের প্রকারভেদ : পাঠাগার সাধারণত তিনভাবে গড়ে ওঠে। ব্যক্তিগত পাঠাগার, পারিবারিক পাঠাগার ও সামাজিক পাঠাগার। ব্যক্তিগত পাঠাগার গড়ে ওঠে এর মানুষের মর্জিমাফিক। তার পছন্দ এখানে একমাত্র বিবেচ্য হয়। সুতরাং তিনি যেসব বিষয় পছন্দ করেন, সেসব বিষয়ের বই দিয়ে তিনি তার পাঠাগার গড়ে তোলেন। এর বাইরের বই সাধারণত সেখানে স্থান পায় না। তাই বলা যায়, পাঠাগার মালিকের রুচি ও পছন্দ প্রতিফলিত হয় ব্যক্তিগত পাঠাগারে। ব্যক্তিগত পাঠাগার সাধারাণ ছোট আকারের হয়। 
পারিবারিক পাঠাগার হয় এর চেয়ে একটু বড়। সেখানে পরিবারের সদস্যদের রুচি ও পছন্দকে মাথায় রেখে বইয়ের সংগ্রহ গড়ে তোলা হয়। ব্যক্তিগত পাঠাগার থেকে এর আকার-আয়তন যেমন বড় হয় তেমনি এর বইয়ের সংগ্রহ হয় বৈচিত্র্যপূর্ণ। 
সামাজিক পাঠাগারকে বলা চলে পূর্ণাঙ্গ পাঠাগার। কেননা এখানে সাধারণত কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে প্রাধান্য না দিয়ে সবধরনের মানুষের পছন্দসই বই রাখা হয়। তাই এখানে যেমন মেলে গবেষকদের জন্য ভারী ভারী গবেষণামূলক বই, তেমনি মেলে পুরোনো গন্ধমাখা ইতিহাসের কেতাব। আবার হালকা বিনোদনের বই যেমনি পাওয়া যায় তেমনি থাকে নিখাঁদ শিশুতোষ বইয়ের সম্ভার। অর্থাৎ সবধরনের পাঠকের জ্ঞানপিপাসা নিবারণের ব্যবস্থা থাকে এসব পাঠাগারে। পাঠাগারের ভেতরে বসে বই পড়ার ব্যবস্থা যেমনি থাকে, আবার ক্ষেত্রবিশেষে বই ধার নিয়ে বাড়িতে বসে পড়ারও সুবন্দোবস্ত থাকে। ইদানীং নতুন আরেক ধরনের পাঠাগার বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তা হলো ই-পাঠাগার। কম্পিউটার, ট্যাবলেট বা স্মার্টফোন জাতীয় ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের সঙ্গে ইন্টারনেট সংযোগ হলে খুব সহজেই ঘরে বসে বিশে^র যে কোনো ভাষার বই পড়া সম্ভব। চাইলে ডাউনলোড করে রেখে দেওয়া যায়, আবার বন্ধু-বান্ধবদের কাছে পাঠানোও যায়। কোনো নির্দিষ্ট স্থান ও গ-ির সঙ্গে সীমাবদ্ধ না হওয়ায় এবং বেশ সহজলভ্য হওয়ায় দিন দিন অনলাইন-ভিত্তিক এ পাঠাগারটির জনপ্রিয়তা বেড়ে চলেছে। আজকালতো অনেক প্রকাশক তাদের বই কাগজে ছাপার আগে তার অনলাইন সংস্করণ প্রকাশ করছেন। 
উন্নত সমাজের জন্য চাই পাঠাগার : বলা হয়ে থাকে, যে জাতি যত শিক্ষিত, সে জাতি তত উন্নত। আর শিক্ষার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হলো বই। বই পড়ার মাধ্যমে মানুষের জ্ঞান অর্থাৎ শিক্ষা বৃদ্ধিলাভ করে। আর একথা সর্বজন স্বীকৃত যে, শুধু পাঠ্যবইয়ের পাঠ পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা বা জ্ঞান নয়। বরং এটা হলো জ্ঞানের খ-িত একটি অংশ। জ্ঞান সমুদ্রে প্রবেশের দ্বার। পাঠ্যবই পাঠের মাধ্যমে জ্ঞানান্বেষী আরও বেশি জ্ঞান আহরণ করতে শিখবে। বিভিন্ন বিষয়ের বিভিন্ন বই পড়ার মধ্য দিয়ে সে জ্ঞানের নতুন নতুন সব দিগন্ত উন্মোচন করবে। পাঠ্যবইয়ের বাইরের এ বিশাল জ্ঞান ভা-ারের সন্ধান মিলবে পাঠাগারে। কেননা শুধু সেখানেই জ্ঞানের বিভিন্ন ধারার বিভিন্ন বই একসঙ্গে রয়েছে। এ যেন এক নিশ্চুপ মহাসাগর। জ্ঞানের মহাসাগর। প্রতিদিন শত-সহস্র জ্ঞানান্বেষী এ মহাসাগর মন্থন করে তুলে নেয় জ্ঞানের যবরজদ-ইয়াকুত, মণি আর মুক্তামালা। এই যে জ্ঞানসাগর মন্থিত মুক্তামালা, তা তুলে নিয়ে এসে জ্ঞানপিপাসু তার নিজের তৃষ্ণা মেটানোর সঙ্গে সঙ্গে আরও হাজারো জ্ঞানপিপাসুর তৃষ্ণা মেটানোর চেষ্টা করে। এ জ্ঞানকে ছড়িয়ে দেয় অন্যদের মাঝে। 
অজ্ঞানতা অন্ধকার। জ্ঞান হচ্ছে আলো। এ আলো আস্তে আস্তে ছড়িয়ে পড়তে থাকে বিশ^ময়। জ্ঞানের সে আলোকবিভায় দশদিক হয়ে ওঠে আলোকময়। জ্ঞানের সে আলোকে স্নাত হয়ে মানুষ হয়ে ওঠে পরিশুদ্ধ। বিশুদ্ধ আত্মা নিয়ে একেকজন মানুষ পরিণত হয় উন্নত মানুষে। ধীরে ধীরে সমাজ হয় আলোকিত ও উন্নত। এবং অবশ্যই আদর্শ। কারণ জ্ঞান মানুষকে বিনম্র করে। করে মহৎ। আর সে মহৎ মানুষদের নিয়েই গঠিত হয় আদর্শ সমাজ। সুতরাং আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে পাঠাগারের গুরুত্ব অপরিসীম। 
ইসলামে পাঠাগার : শুনতে অবাক লাগলেও সত্য যে, পাঠাগার প্রতিষ্ঠা ইসলামি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ। পাঠাগার হচ্ছে একটি মুসলিম ঐতিহ্য। মূলত ধর্মীয় নির্দেশনার কারণেই মুসলমানরা পাঠাগার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জ্ঞান চর্চায় আগ্রহী হয়ে ওঠে। পবিত্র কোরআনে ৯২ বার জ্ঞানচর্চার ওপর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। মুসলমানদের ধর্মগ্রন্থের নাম হলো কোরআন অর্থাৎ ‘অধ্যয়ন’। আর পবিত্র কোরআনে প্রথম নাজিলকৃত শব্দ হলো ‘ইকরা’ তথা ‘পড়’। অন্যদিকে রাসুল (সা.) বলেন, ‘প্রত্যেক মুসলমানের ওপর জ্ঞানান্বেষণ ফরজ।’ ‘দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞানান্বেষণ করতে থাক।’ ইসলামের এসব সুস্পষ্ট বক্তব্যের কারণে সেই মধ্যযুগে গোটা ইউরোপ যখন অজ্ঞানতার অন্ধকারে ডুবে ছিল তখন মুসলমানরা মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও স্পেনে জ্ঞানের আলো জে¦লেছিল। কর্ডোভা, গ্রানাডার বিশ^বিদ্যালয়গুলোতে হাজার হাজার ছাত্র পড়াশোনা করত। আজকের তথাকথিত সভ্য ইউরোপ সে বিশ^বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার ফসল। অষ্টম শতাব্দীতে বাগদাদের খলিফারা ‘দারুল হিকমা’ প্রতিষ্ঠা করেন। এর মাধ্যমে প্লেটো, এরিস্টটল প্রমুখ বিশ^খ্যাত দার্শনিক মণীষীর রচনাবলি গ্রিক থেকে আরবিতে অনুবাদ করা হয়। এতে করে মুসলমানরা ইউরোপের জ্ঞান-বিজ্ঞানকে সংরক্ষণ করে। শুধু ইউরোপে নয়, প্রাচীন ভারতবর্ষে ইসলাম আগমনের আগেকার প্রচলিত শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও দর্শনেরও সংরক্ষণ করেছে মুসলমানরা এবং সঙ্গত কারণেই গড়ে উঠেছে বইয়ের বিশাল সংগ্রহশালা বা পাঠাগার। সে যুগের একেকজন হাদিস বিশারদ বা ইসলামিক স্কলারের ব্যক্তিগত সংগ্রহেই থাকত লাখ খানেক বই! ভাবতে আশ্চর্য লাগলেও এমনটাই সত্য। আল্লামা জাহেয নামে আরবের বিখ্যাত এক প-িত ব্যক্তি ছিলেন। তিনি তার পড়াশোনার জন্য বইগুলো তার ঘরে স্তূপাকারে রাখতেন। বৃদ্ধ বয়সেও তার বইপ্রীতি এতটুকুও কমে যায়নি। একদিন তিনি তার বিশাল বই ভা-ার থেকে একটি বই টেনে বের করার সময় বইগুলোর ভারকেন্দ্র নড়ে যায়। ফলে বইগুলো হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ে তার ওপর। আর বিশাল গ্রন্থরাজির নিচে চাপা পড়ে প্রাণ হারান এ জ্ঞান তাপস।
মুসলমানদের জ্ঞান সাধনার প্রমাণ মেলে আরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে। তারাই জ্ঞানকে ছড়িয়ে দেন বিশ^ময়। জ্ঞানের বাহন বই। আর বই তৈরির প্রধান উপকরণ হলো কাগজ। হিজরি প্রথম শতাব্দীতে কাগজ তৈরির বিদ্যা মুসলমানরা সমরখন্দের চীনা সম্প্রদায়ের কাছ থেকে শিখে আরব বিশে^ নিয়ে আসে। এরপর হিজরি দ্বিতীয় ও তৃতীয় সালে বাগদাদ ও মিশরে বেশ কয়েকটি কাগজের কল স্থাপন করা হয়। খলিফা মামুনের রাজত্বকালে বাগদাদে কাগজের বেশ প্রচলন দেখা যায়। মুসলমানদের মাধ্যমে সারা দুনিয়ায় কাগজ তৈরির বিদ্যা ছড়িয়ে পড়ে। ভাবা যায়? বাগদাদে ও মিশরে যখন কাগজ তথা বইয়ের ব্যাপক প্রচলন, তখন কী করে লিখতে হয় ইউরোপ তাই জানত না! মুসলমানরা অর্ধ পৃথিবীব্যাপী একটি পাঠাগার আন্দোলন শুরু করেছিল। তারা বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক হারে ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেছিল। ইসলামি শাসনামলে মুসলিম বিশে^র তিনটি খ্যাতিমান জ্ঞানচর্চাকেন্দ্রের একটি হলো মিশরের রাজধানী কায়রো। সেখানের অসংখ্য পাঠাগারের একটি ‘বায়তুল হিকমাহ’ বা জ্ঞানগৃহ। যেটি ফাতেমি খলিফা আল আজীজ ৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন। এই পাঠাগারে বইয়ের ভলিয়ম সংখ্যা ছিল এক লাখ। বাঁধাই করা বইয়ের সংখ্যা ছিল প্রায় ছয় লাখ। শুধু চিত্রিত কোরআনের সংখ্যাই ছিল দুই হাজার চারশ। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ইসলামি জ্ঞান দুনিয়ার আর এক রাজধানী বাগদাদ ছিল পাঠাগারেরও রাজধানী। এ শহরের সবচেয়ে বড় পাঠাগারের নাম ছিল ‘দারুল হিকমাহ’। পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পাঠাগার ছিল এটি। কিন্তু মুসলমানদের দুর্ভাগ্য, তারা এ পাঠাগারটি রক্ষা করতে পারেনি। হালাকু খান যখন বাগদাদ আক্রমণ করে, তখন অন্য অনেক জিনিসের পাশাপাশি এ পাঠাগারটিও ধ্বংস করে দেয়। পুড়িয়ে ভস্ম করে দেয় এ বিশাল পাঠাগারটি। ঐতিহাসিকরা লেখেন, ‘দারুল হিকমাহ’ এর ছাই বিখ্যাত দজলা নদীতে ফেলা হলে দীর্ঘ ছয় মাস পর্যন্ত দজলার রং বিবর্ণ ছিল। 
বলা হয়ে থাকে, সমগ্র ইউরোপ যখন ঘুমিয়ে ছিল, তখন মুসলিম স্পেন একা জ্ঞানের মশাল হয়ে জ¦লেছিল। সে স্পেনের মুসলমানরা বড় বড় অনেক বিশ^বিদ্যালয় স্থাপন করেছিল। এর মধ্যে গ্রানাডা বিশ^বিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় পাঠাগারটিতে সংরক্ষিত বইয়ের নামের তালিকা বা ক্যাটালগটি ছিল ৪৪ খ-ে বিভক্ত! মুসলমানরা যেখানে গিয়েছে সেখানেই ধর্ম প্রচারের পাশাপাশি শুরু করেছে পাঠাগার আন্দোলন। কেননা তারা বুঝতে পেরেছিল আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে পাঠাগার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে ইসলাম
গত ১০ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হয়ে গেল বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য
বিস্তারিত
জুলুমবাজ ও হত্যাকারীর পরিণতি
বর্তমানে চারদিকে একটি দৃশ্য ফুটে উঠছে। দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার।
বিস্তারিত
কোরআনের আলোকে পরস্পরের প্রতি শিষ্টাচার
আমরা মানুষ, পৃথিবীতে আমাদের বসবাস। প্রয়োজনের তাগিদে মানুষের সঙ্গে মেলামেশা,
বিস্তারিত
পোশাকের শালীনতা
পোশাক-পরিচ্ছদ মানুষের লজ্জা নিবারণ করে। পোশাকে মানুষের রুচি, ব্যক্তিত্ব, ঐতিহ্য,
বিস্তারিত
কে এই নোবেল বিজয়ী আবি
তিনি নিজেও ওরোমো মুসলিম ছিলেন। তার বাবা ছিলেন মুসলিম আর
বিস্তারিত
মুসলিম নোবেল বিজয়ীরা
  ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। তবে প্রথম মুসলমান
বিস্তারিত