সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের আ.লীগে জায়গা নেই: কাদের

শুদ্ধি অভিযান ও শেখ হাসিনার এ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে। আজকে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, জমি দখল চলছেনা। মাদক এবং নেশাকে না বলুন। সন্ত্রাসকে না বলুন। যারা সন্ত্রাস করবে, দুর্নীতি করবে আওয়ামী লীগে তাদের কোন জায়গা নাই বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 

শুক্রবার বিকেলে সাভার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব কথা বলেন। 

ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে আগামী তিন বছরের জন্য সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে মিসেস হাসিনা দৌলা এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মঞ্জুরুল আলম রাজীবের নাম ঘোষণা করেন। 

এ সময় তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু নেই, বঙ্গবন্ধু আমাদেরকে স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন, শেখ হাসিনা আজকে আমাদের মুক্তির সংগ্রামের কাণ্ডারী। আওয়ামী লীগে কোন অস্থিরতা নেই। আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত। একজন নেতার পিছনে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে আছি। তিনিই আমাদের একমাত্র অভিভাবক।  

কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে প্রতিযোগিতা আছে কিন্তু অসুস্থ প্রতিযোগিতা নেই। আমরা দূষিত রক্তগুলোকে বের করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন বিএনপির বড় বড় উইকেট পড়ে যাচ্ছে। বাঘা বাঘা নেতারা নেতিবাচক রাজনীতির কারণে জনগণের আস্থা হারিয়েছেন। বিএনপি আজকে পথহারা পথিকের মতো দিশেহারা। বিএনপির নেতারাও আজকে বিএনপির সাথে থাকতে চাইছে না। বিএনপি’র আজকে আর কোন রাজনীতি নেই, আন্দোলনে ব্যর্থ, নির্বাচনে ব্যর্থ, বিএনপি আজ বাংলাদেশ নালিশ পার্টি। নালিশ ছাড়া তাদের আর কোন পুঁজি নেই। বিদেশিদের কাছে নালিশ করে, প্রেস ব্রিফিং করে নালিশ করে, এই তাদের সম্বল। আন্দোলনের ডাক দেয়, আষাঢ়ের তর্জন-গর্জনের মতো হাঁক-ডাক দেয়, জনগত সাড়া দেয় না। এ আন্দোলনের কোন মূল্য নাই। 

অনুপ্রবেশকারী সবাই খারাপ লোক নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, ক্লিন ইমেজের অন্য দলের লোকজনকেও আমরা দলে সদস্যপদ দেই। কিন্তু যারা খারাপ লোক, সন্ত্রাসী, দাগি চাঁদাবাজ, তাদের নেতৃত্বে রাখা যাবে না। নেত্রীর কাছে তালিকা আছে। তালিকা ধরে ধরে যদি কোন কারণে কেউ ঢুকেও পড়ে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারবে না। 

আমরা আদর্শের রাজনীতি করি। আমাদের ভুল-ত্রুটি হতে পারে। কিন্তু আদর্শের শেকড় থেকে আমরা এক চুলও সরিনি, এক চুলও সরব না। 

আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মিসেস হাসিনা দৌলার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, পানিসম্পদ উপ-মন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম।

এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা-১৯ আসনে সাংসদ ডা. এনামুর রহমান, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ বেনজির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান প্রমুখ। 


পিয়াজ ছাড়া রান্না হলে, আওয়ামী
পিয়াজ কিনতে গিয়ে মানুষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে জানিয়ে জাতীয় পার্টির
বিস্তারিত
ব্যর্থ মন্ত্রীদের সরিয়ে দেয়া হবে
মন্ত্রিসভায় যারা ভালো করবে না তাদের দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হবে।
বিস্তারিত
রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল
দীর্ঘ দিন ধরে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে
বিস্তারিত
ওবায়দুল কাদেরকে চ্যালেঞ্জ দিলেন মির্জা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল
বিস্তারিত
ইলিয়াস কাঞ্চন নানা অনিয়ম করেন,
সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান বলেছেন- সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত
বিস্তারিত
অতিথি পাখিদের স্থান হবে না
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের
বিস্তারিত