ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ আ. লীগের সম্মেলন আজ

ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে আজ শনিবার (৩০ নভেম্বর)। এদিন সকাল ১১টায় রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকালে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে (কাউন্সিল অধিবেশন) মহানগরের দুই অংশের নতুন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হবে।

আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী মহানগর পর্যায়ে প্রতি তিন বছর পর সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও এবার ঢাকা মহানগরের দুই অংশের সম্মেলন হচ্ছে সাত বছর পর। ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। যদিও এর তিন বছর পর ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগকে দুই ভাগে বিভক্ত করে ২০১৬ সালের ১০ এপ্রিল মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর-দক্ষিণ, ৪৫টি থানা এবং ১০০টি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নগুলোর সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকদের নাম একযোগে ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

এবার ঢাকা মহানগরের দুই অংশ একসঙ্গে সম্মেলনের আয়োজন করছে। একই মঞ্চে একই সময়ে দুই অংশের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে দুই অংশের নেতাদের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত থাকবেন। দুই অংশ মিলিয়ে চার হাজার কাউন্সিলর ও ডেলিগেট উপস্থিত থাকবেন বলে নগরের নেতারা জানান।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ বলেন, ‘সম্মেলনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। নৌকার আদলে মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। কাউন্সিলর-ডেলিগেট ও আমন্ত্রিত অতিথিরাও এতে উপস্থিত থাকবেন।’

মুরাদ আরও বলেন, ‘উৎসবমুখর পরিবেশে এবারের ম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।’

এদিকে সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও এর চারপাশে রয়েছে সাজ সাজ রব। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পদপ্রত্যাশী নেতাদের ছোট-বড় ব্যানার ও পোস্টারে ছেয়ে গেছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও তার আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

প্রসঙ্গত, আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলটির সব শাখার সম্মেলন করে কমিটি হালনাগাদ করার পরই কেন্দ্রের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এর অংশ হিসেবে দলটির সহযোগী সংগঠন যুবলীগের আগামী ২৩ নভেম্বর, স্বেচ্ছাসেবক লীগের ১৬ নভেম্বর এবং ৬ নভেম্বর কৃষক লীগের ও ৯ নভেম্বর ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন শ্রমিক লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

তবে, এবারের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এক ভিন্ন প্রেক্ষাপটে। যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ এবং কৃষক লীগের কিছু নেতার বিরুদ্ধে অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসায় জড়িত থাকা, জুয়া ও মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ ওঠে। ক্যাসিনোকাণ্ডে রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এনামুল হক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রূপন ভুঁইয়ার নামের সঙ্গে মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ কয়েক নেতার নাম আলোচনায় আসে। এছাড়া মহানগর আওয়ামী লীগের দুই অংশের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধেই কমিটি বাণিজ্য এবং ক্ষেত্র বিশেষে অন্যের জমি ও সম্পত্তি দখলের অভিযোগ ওঠে। সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সরানো হবে বলে মনে করা হচ্ছে।


তাপসের আসনে মনোনয়ন জমা দিলেন
ঢাকা-১০ আসনের উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী
বিস্তারিত
ব্যারিস্টার রুমিনকে নিয়ে যা বললেন
জাতীয় সংসদে দুই সংসদ সদস্যের বক্তব্যে ব্যাপক হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।
বিস্তারিত
‘শাজাহান খানের ভাড়াটে শ্রমিকরা মাঠে
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের বিরুদ্ধে
বিস্তারিত
খালেদার মামলা দুর্নীতির, প্রশ্ন করে
খালেদা জিয়ার মামলা রাজনৈতিক নয়, দুর্নীতির। তাই এ নিয়ে প্রশ্ন
বিস্তারিত
ষড়যন্ত্রের কারণে মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছি:
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ
বিস্তারিত
খালেদা জিয়ার প্যারোল নিয়ে কাদেরের
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন
বিস্তারিত