logo
প্রকাশ: ০৮:১৪:৫১ PM, শুক্রবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৮
পুলিশের ইলিশ ছিনতাই, পরে আটক
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মা নদীতে জেলেদের ভয় দেখিয়ে ইলিশ ছিনতাই ও টাকা আদায় করার অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সোহেল রানাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় জনগণ ও জেলেরা।

শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তাকে লৌহজং থানায় সোপর্দ করা হয়। সোহেল রানার সঙ্গে থাকা দুই সহযোগী মো. মোহন (২৪) ও লিটন শেখকেও (২২) থানায় আটকে রাখা হয়েছে। তাদের সবার বাড়ি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার জৈনসার এলাকায়।

প্রাথমিকভাবে এএসআই সোহেল রানার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন শ্রীনগর ও লৌহজং সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মাকসুদা লিমা।

তিনি জানান, অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। সোহেল রানা জেলেদের কাছ থেকে মা ইলিশ ছিনতাই ও টাকা আদায় করার সময় স্থানীয় লোকজন ও জেলেরা তাকে আটক করে পুলিশে দেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগকারীরা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

লৌহজং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলি জানান, সোহেল রানার বিরুদ্ধে মামলা হবে। তিনি এর আগেও এখানে এসে ইলিশ মাছ ও টাকা নিয়ে গেছেন। পরে জেলেরা খোঁজ নিয়ে জেনেছেন যে তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলার পুলিশ না।

মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম আলোকিত বাংলাদেশকে জানান, অভিযোগ পেয়েছি, যাচাই-বাছাই চলছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগকারীরা জানান, সোহেল রানা ঢাকা থেকে এখানে এসে অভিযানের কথা বলে এর আগেও মা ইলিশ নিয়ে গেছেন। এছাড়া ইলিশ দিতে রাজি না হলে অনেক সময় টাকা দাবি করেন তিনি। পরে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, তিনি ঢাকায় কর্মরত।

সম্পাদক ও প্রকাশক : কাজী রফিকুল আলম । সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫ থেকে প্রকাশিত এবং প্রাইম আর্ট প্রেস ৭০ নয়াপল্টন ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক বিভাগ : ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৯১১০৫৭২, ৯১১০৭০১, ৯১১০৮৫৩, ৯১২৩৭০৩, মোবাইল : ০১৭৭৮৯৪৫৯৪৩, ফ্যাক্স : ৯১২১৭৩০, E-mail : [email protected], [email protected], [email protected]