logo
প্রকাশ: ০১:৫৮:১৬ AM, শনিবার, জানুয়ারী ১২, ২০১৯
রুদ্রর কবিতা উচ্চারণ থেকে কথনে
বে গ ম আ ক তা র কা মা ল

রুদ্রর বহির্মুখী চেতনারাশির ওপর তার ভাবকল্প ও সংরাগবহুলতার তোড় আছড়ে পড়েছে। ফলে প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘উপদ্রুত উপকূল’ (১৯৭৯) এই তোড়ে ভেসে গিয়ে শব্দগুণসম্পন্ন কবিতাকাশে মুখনিঃসৃত উচ্চারণকেই বেশি চারিয়ে দিয়েছে। আর তাতে ধ্বনিময়তা প্রবল হয়েছে, আঁকড়ে রয়েছে অন্যাসক্ত অলঙ্কারের শরীর ও রূপকের পালকরাশি। এসব শব্দরাশির উৎসারণ ঘটেছে চারপাশের প্রতিবেশ থেকেÑ বৈরী রাষ্ট্র, অসম শ্রেণি আর ’৭১-এর স্মৃতিকন্দর থেকে। কবির বেদনাময় তারুণ্য থেকেও উত্থিত। বেদনাময় দুই কারণে; প্রেমজ-বিষাদময়তার কারণে এবং সাম্য সমাজাকাক্সক্ষার অচরিতার্থতায়। ফলে একদিকে মরমবেদনা বাখানে রুদ্র যেমন দ্রবীভূত, নম্র ও সমর্পিত, অন্যদিকে আগুনভরা উচ্চারণে, শপথে ও সংগ্রামের সংকল্পে বহুজীবনঘনিষ্ঠÑ ‘বুকের ভাষাকে সাজিয়ে রনের সজ্জায়,/আমি বুনে দিই শব্দ-প্রেরণা মানুষের লোহু মজ্জায়।’ নিজেকে ‘শব্দ-শ্রমিক’ (দ্রষ্টব্য ‘শব্দ-শ্রমিক’ কবিতা) ঘোষণা করে, ভাষা-সৈনিকরূপে রণসজ্জায় সাজাতে চান কোমল বর্ণমালাকে। এ কবিতায় উঁকি দিয়ে যায় নজরুলের দ্রোহের আমিত্ব। নজরুলও উচ্চারণপ্রবল কবি, কবিতায় তিনি রুদ্র-কঠোর-কোমলললিতÑ সব ধ্বনিরই সঞ্চার ঘটিয়েছেন, যদিও গানের ভাষায় তিনি ছিলেন কথার কারুশিল্পী। রুদ্রের কবিতায় এরকম পরিকল্পই চোখে পড়েÑ উচ্চারণ থেকে ক্রমেই কথনের দিকে উত্তরণের দিশা খুঁজে নেওয়া যায়। কথার গর্বেই যেহেতু কবিতা, কবিকে একসময় নিভৃত বা উচ্চ স্বর যে ধরনেরই হোক কণ্ঠস্বর পেরিয়ে কথার গর্বে কবিতার পাল তুলতেই হয়। প্রতিভাশীলিত কবিদের এটাই আইডেনটিটি। রুদ্রর অকালপ্রয়াণ (১৯৯১) সত্ত্বেও কি এই আইডেনটিটি অর্জিত হয়েছে? তার স্বল্প কবিজীবনে প্রকাশিত কবিতাবলিতে কি তা চিহ্নিত করা যাচ্ছে? না-কি আরও অপেক্ষমাণ ছিল রুদ্রর প্রতিভান্বিত কৃতী? যেখানে তার উচ্চারকসত্তা সংগীতের বাউলসত্তার কথনে অন্য কোনো ইঙ্গিতের দিব্যতা ছুঁয়ে ফেলতে পারত?
রুদ্র বড় বেশি সময়তাড়িত কবি, দেশ-সন্ততির ব্যাপ্ততায় নিজেকে মিশিয়ে ফেলার সহজাত ক্ষমতায় তিনি সত্তাবান। এটাই তার কবি হিসেবে শুদ্ধতা, নিয়তিও বটে। কারণ আধুনিকতার ক্লান্তি-বোরডম, নৈঃসঙ্গ্য-একাকিত্ব ও আত্মবিচ্ছিন্নতার অভিভাব থেকে তার কবিতাই শুধু নয়, সত্তরের পরবর্তী দশকগুলোর বাংলাদেশের কবিতা অনেক দূরে এসেছে। কেননা তাদের পেরোতে হয়েছে অমারাত্রি, সাঁতার দিতে হয়েছে যুদ্ধের রক্তসমুদ্র, পাড়ি দিতে হয়েছে মৃত্যুর দরিয়া। ফলে ‘আলোর দরজা’ না ভেঙে তাদের অন্য উপায় ছিল না। ইতিহাস-সময়ের বুড়ি ছুঁয়েই তাদের কবিতা লিখতে হয়েছে। তাই তারা বাস্তবের অভিঘাতে জন্ম নেওয়া শব্দের সিঁড়ি বেয়ে অন্তর ভুবনে পা রেখেছে। রুদ্রর কবিতায় এর প্রমাণ :
বাতাসে লাশের গন্ধ ভাসে,
মাটিতে লেগে আছে রক্তের দাগ।
এই রক্তমাখা মাটির ললাট ছুঁয়ে একদিন যারা বুক বেঁধেছিলো
জীর্ণ জীবনের পুঁজে তারা খুঁজে নেয় নিষিদ্ধ আঁধার।
ধর্ষিতা বোনের শাড়ি ওই আমার রক্তাক্ত জাতির পতাকা।
(বাতাসে লাশের গন্ধ)
রুদ্র কথনেই বহির্চারী শাব্দিক জগৎ থেকে পলায়ন করেন না, আবার নিজের সত্তা, স্বজ্ঞা ও স্মৃতিগুলো নিয়ে বাইরের জগৎ-প্রতিবেশকে চিহ্নহীন বা বিপর্যস্ত করে দেন না। বরং বাইরের রাষ্ট্র-সমাজ-শ্রেণিই যে তার সব ছায়াকায়াকে নষ্টভ্রষ্ট ও চিহ্নহীন করে দিচ্ছেÑ এ বস্তুবাদী জীবনচেতনায় তিনি স্বস্থ, এমনকি আশির স্বৈরাচারী শাসন ত্রাসে বিপন্ন সময়েও তাতেই বিশ্বস্ত। এটাই তার সচেতন মানসকাঠামোর শুদ্ধতা। তাই সামরিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও শ্রেণিবৈষম্য নিয়ে রুদ্রর ‘আনবিক বিষ-জ্বালা’ আছে, আছে ‘শব্দ-কাস্তের ঝলসানো’ বিপ্লবী সত্তাও। তিনি কখনোই সাম্যের বিশ্বাসজারিত স্বপ্নবান কবিতা হাতছাড়া করেননি।
তবুও প্রতি কবিরই থাকে ‘সব কথা হয়ে গেলে শেষ/শব্দের প্লাবনে একা জেগে’ থাকার নির্জন ঢেউয়ে ‘ভেসে ভেসে’ নিজেকে জড়ানোর কথকতা। রুদ্রেরও তা আছে, প্রবলভাবেই আছে। কেননা তিনি যৌবন-বেদনার ঋত্বিক। বহির্চারী হয়ে যেমন বহুজনের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়ে সংলাপিতার উচ্চারণে কবিতা ভরিয়ে তোলেন, তেমনি নিভৃতচারী হয়ে যৌবনÑ যাকে তারুণ্য বলাই শ্রেয়, তাতে অনুভববিদ্ধ হয়ে এক প্রবল ঘ্রাণকল্পের সম্পর্কায়ন ঘটান স্মৃতি-প্রেম-প্রেমিকার সঙ্গে। ‘তীর ভেবে ভেঙে পড়বো আমার যৌবনে।’ ‘যে চোখ আকাশ দ্যাখে, মানুষের স্বভাব দ্যাখে,/যে-চোখ স্বাতির মগ্নতা দেখে প্রেমার্দ্র বুকে/অনুভব জ্বেলে রাখে অশেষ বাসনা।’Ñ এই যে বাসনা বা ফবংরৎব-এর আকুলতা সেটিই রুদ্রর কবিতাকে নিয়ে যায় কথনের ক্রীড়মানতায় ও সক্রিয়তায়। এবং সেখানে নিছক প্রেমারতির যৌবনই শুধু কথা বলে না, একজন ‘শব্দ-শ্রমিকে’র স্বেদ-বাসনা-রতি-আরতি-স্পর্শ-স্বাদÑ সবকিছুই জড়িয়ে-মাড়িয়ে ‘ফসলের সোনালি পালক’ হয়ে কবিতার মাঠে খসে-খসে পড়ে। বোধ, স্মৃতি, স্থিতি, বিশ্বাস, সময় সবকিছু ছিঁড়েখুঁড়ে দিলেও,
তবুও আকাংখারা মাঝে মাঝে চিৎকার কোরে ওঠে সফেন সাগর,
তবুতো কোনোদিন একদিন বৈশাখি রাতে জীবন এসে বলেছিলো/ হাড়ের খুলির মাটি কোনো এক বর্ষার পর ঠিকই পাললিক হবে,/ খরার মাঠের বুকে দেখো ঠিক মেলে দেবে ফসলের সোনালি পালক।
(মাংশভুক পাখি)
এ-উচ্চারণ নিছক আশাবাদের ঝলকানি নয়, এটি তার আত্মকথনÑ যা জীবনকে অস্তিবাদী রূপে দেখার গভীরতা থেকে উত্থিত। কেননা, রুদ্র শুধু প্রেমেই সমর্পিত করেন না নিজেকে,Ñ ‘পাথরের নিচের করুন বেদনার জল/আমি সেই অভিমান আমাকে গ্রহণ করো।’Ñ এ কথায় যেমন নম্রকম্প্র আত্মনিবেদনের সুবিনীত সক্রিয়তা আছে তেমনি আছে ‘আমি’র সঙ্গে ‘আমরা’র সম্পর্কায়ন গড়ার গভীর সাধÑ 
আকাশের দেহ থেকে ঝ’রে পড়ে সন্ধার আঁধারÑ 
এসো কথা বোলে উঠি, আমরা ভালোবাসার কথা বলি,
এই নিশব্দের দেয়াল ভেঙে এসো আজ স্বপ্নের কথা বলি।
(ধাবমান ট্রেনের গল্প)
এভাবে গাঢ়তর হয়ে আসে তার কণ্ঠ এবং নানা কথারÑ প্রিয়-অপ্রিয়-বিরহ-মিলন-স্বপ্নবাসনা-ব্যর্থতাÑইত্যাকার বোধ নিয়ে অন্তর্বয়নে রুদ্রর কবিতা পাকা ধানশিষের মতো ঝরে-ঝরে পড়ে কবিতার মাঠে। তার প্রত্যয়-প্রতিজ্ঞার বুননে সে মাঠে ‘শস্যের প্রতিটি সবুজ কণা’ ‘আমাদের রক্তে শ্রমে পুষ্ট হয়েছে।’ এই যে ফসলসংস্কৃতির বলয়ে মিশে থাকে রুদ্রর অস্তিত্বের আর্কিটাইপ তা যেন বাংলা কবিতার সাংস্কৃতিক বয়ানের বহতা নদী। বিশেষ করে তার ‘মানুষের মানচিত্র’ গ্রন্থের কবিতায় যে বিচিত্র বৃত্তিধারী উৎপাদক শ্রেণির সংলাপলিপি ও জীবনচিত্রটি অঙ্কিত হয়েছে তাতে ওই সাংস্কৃতিক বয়ানে আমাদের ক্লিষ্ট-কীর্ণ-মেকি নগরায়ণের বিরুদ্ধে এক নান্দনিক কথামালাও বটে। জাতিসত্তার মৌলিক স্বরূপ-সন্ধানে এ কবি নৃসত্তা-নদী-নারী-শ্রেণির ইতিহাস-ফসলের মাঠÑ সব পরিভ্রমণ করে উত্তরিত হতে চেয়েছেন নাগরিকতায় নয়Ñ প্রাকৃতিকতায়। যে-প্রাকৃতিকতায় ভাষাকাঠামো গড়ে উঠেছে, উৎপাদন ব্যবস্থা ও আমাদের বোধচিন্তার প্রণালি-পথটি বিনির্মিত হয়েছে। নব্বইয়ের দশকের কবিতায় যে প্রান্তিক জীবন ও আন্তর্সাংস্কৃতিক বয়ান বিশেষ প্রাণ পেয়েছে তার শুরুটায় রুদ্রর কবিতাকে দাঁড় করানো যায়। আর এখানেই তিনি ক্রমে ক্রমে অর্জন করেছেন নিজের ভিতর-কথাটি। নিজের মেধাবী কল্পনার তন্তুবীজ দিয়ে বুনতে পেরেছেন আত্মদর্শনের জমিন :
মাটির দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে আর আকাশ দেখা হয় না
এতো কিছুই দ্যাখার থাকে, এতো কিছু দেখতে হয় মাটিতে প্রতিদিন/ চোখের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে আর দিগন্ত দেখা হয় না/ এতো চোখ! এতো এতো চোখের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয় প্রতিদিন/ নিজের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে আর নিজেকে দেখা হয় না/ এতো কিছু করতে হয়, এতো কিছু করার থাকে নিজেকে নিয়ে প্রতিদিন
(আত্ম-দর্শন)
এ-কবিতায় দাঁড়ি নেই, কারণ অশেষ বিস্তারই তার আত্মদর্শন, নিজেকে দেখার মধ্য দিয়েও চারপাশকেই আসলে দেখা হয়, নিজেকে নিয়ে এত সক্রিয়তা যার সেই কবি অবশ্যই নিছক উচ্চারণে বদ্ধ থাকেন না, বিশেষ করে ‘মৌলিক মুখোশ’ (১৯৯০) ও ‘এক গ্লাস অন্ধকার’ (১৯৯২) কাব্যদুটিতে তার লিখনশৈলী উচ্চারণ-সৌকর্য পেরিয়ে কথনকলায় বিম-িত হয়েছে যাতে মিশেছে শ্লেষ-ব্যাজস্তুতি-বিরোধাভাস এবং সাংগীতিকতা। প্রথম পর্যায়ের সেইসব অন্যাসক্ত অলঙ্কৃতির আশ্রয় ছেড়ে কবিতা স্থিরীকৃত হয়েছে অভিজ্ঞতা ও বোধের গভীরতায় :
আসলে তো পরস্পর পরস্পরের দিগন্তে দেখি মেঘ,
আমরা বৃষ্টির ভ্রƒণ দেখে চৌচির প্রাণের জন্যে,
শস্যহীন হৃদয়ের জন্যে আশাবাদী হয়ে উঠিÑ 
পরস্পরের দিগন্ত ছুঁতে চাই, ছুঁতে চাই
দিগন্তের মেঘ।
হৃদয়-দিগন্ত ছুঁতে চেয়ে একদিন জেগে উঠে দেখি
ছুঁয়ে আছি পরস্পর আমাদের নশ্বর মাংশের দেহ।
(বৃষ্টির ভ্রƒণ দেখে)
দৃশ্যমান প্রযুক্তির জটাজুটে অবরুদ্ধ কাল
পূর্ণিমার চাঁদ থেকে ঝ’রে পড়ে সোনালি অসুখ।
ডাক শুনে পেছনে তাকাইÑ কেউ নেই।
এক গ্লাস অন্ধকার হাতে নিয়ে বোসে আছি একা...
(এক গ্লাস অন্ধকার)
এক নদী ব’য়ে যায়, অন্য নদী ভিতরে নীরব,
কার জন্যে কোন নদী, কার খেয়া কোন ঘাটে বাঁধা
জানাই হলো না আজো।
শুধু নক্ষত্রের ঝ’রে পড়া দেখে দেখে রাত বাড়ে
বেলা যায়Ñ অপেক্ষায় ঝ’রে পড়ে স্বপ্নময় চোখ।
(নদীর ওপারে থাকে রোদ)
ওপরের তিনটি কাব্যাংশে আত্মকথনের ফর্মে রুদ্র কথা বলছেন, এবং একধরনের বাউলপনার উন্মোচন ঘটাচ্ছেন। এ বাউল সংসারছিন্ন, জীবনবিবিক্ত, প্রান্তবাসী নয়, আবার আধুনিকতা-উত্তরাধুনিকতাÑ কোনোটারই তল্পিবাহক নয়। অন্য-এক একাকিতার নান্দনিক অবস্থান ও চোখ তৈরির লক্ষ্যই এখানে প্রেরণায়িত। আমাদের লোকায়ত কবিদের প্রান্তিক অবস্থানের মতোইÑ যারা প্রান্তে থেকে জীবনজগতের পরিধিতেই হাঁটেন, ঘোরাফেরা করেন। তাতে নির্মিত হয় জীবনসংযোগ ও বহুস্বরিকতা। রুদ্রর শেষের কবিতাগুলোও তাই। তার বাউলসত্তাটি ‘হৃদয়ভরা সুগভীর এক ক্ষত’ পুষে রাখলেও জীবন-নদীকেই দুহাত তুলে তিনি ডাকেন এবং যে নদীর ‘জল ছুঁয়ে যায় তীরের চিবুক, চিল/বাতাসে ডানার ছোঁয়া রেখে ভাসে নীলে।/...ডানা ঝাপটায় পাখিটি বুকের ঘরে, পুড়ে যায় তনু অলৌকিকতার জ্বরে।’ এই চিল যেমন জীবনানন্দীয় মোটিফ, তেমনি পাখি/অলৌকিকতা আমাদের মরমি-সত্তার টোটেম। মাটির দিকে তাকিয়ে থাকার যে আত্মদর্শন সেখানেই এসব চিল, নদী, পাখি আর অলৌকিকতার জন্মলালনপালন। রুদ্র তাই নিছক আকাশচারী রোমান্টিক কবি নন, নীলিমায় ডানা ভাসিয়ে অলৌকিকতায় উড়াল দেননি। সেরকম কল্পোক্তি থেকে তার কবিতা অনেকখানি মুক্ত। বরং বস্তু-প্রাণ আর ভেতর মহলের জড়াজড়ি সম্বন্ধের মায়াজালে ক্রমে রুদ্রর কবিতা হয়ে উঠতে থাকে বহু ও নিবিড় কথার গর্বÑ ‘পুষে রাখে যেমন ঝিনুক,/খোলশের আবরণে মুক্তার সুখ।’Ñ এবং সুরের আবডালে ‘ফসলের ঘুম’কে গোপন শান্ততায় রেখে দেয় শব্দের শয্যায়। আমরা এক অসমাপ্ত কবিসত্তার জীবনঘন আইডেনটিটিকে তার কবিতার প্রয়োগ-প্রতিভার বৈচিত্র্যের মধ্যে সঞ্চরণশীল রূপেই প্রত্যক্ষ করি। হ

সম্পাদক ও প্রকাশক : কাজী রফিকুল আলম । সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫ থেকে প্রকাশিত এবং প্রাইম আর্ট প্রেস ৭০ নয়াপল্টন ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক বিভাগ : ১৫১/৭, গ্রীন রোড (৪র্থ-৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৯১১০৫৭২, ৯১১০৭০১, ৯১১০৮৫৩, ৯১২৩৭০৩, মোবাইল : ০১৭৭৮৯৪৫৯৪৩, ফ্যাক্স : ৯১২১৭৩০, E-mail : [email protected], [email protected], [email protected]