তারেক রহমানের নির্দেশে ব্যানার-পোস্টার সরালেন বিএনপি নেতারা
প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯:৪৫ | অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় রাজধানীর নয়াপল্টনসহ দেশের সব জায়গা থেকে ব্যানার ও পোস্টার সরানোর কার্যক্রম শুরু করেছে দলের নেতাকর্মীরা।
মাত্র তিন দিনের মধ্যে তারা মূলত এসব ব্যানার-পোস্টার সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও দলের চেয়ারপারসন সদ্য মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে টানানো ব্যানার–পোস্টার এখনই অপসারণ করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছে দলটি।
আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বৈঠক শেষে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে ব্যানার–পোস্টার অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।
এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে নয়াপল্টনে ব্যানার–পোস্টার সরানোর কাজের নেতৃত্ব দেন রুহুল কবির রিজভী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, সদস্য সচিব মোস্তফা জামান, দক্ষিণ মহানগরের সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবীন, যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্না, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জুয়েল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, সহসভাপতি ডা. জাহেদুল কবির জাহিদ, ছাত্রদলের রাজু আহমেদ ও ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়ালসহ অন্য নেতারা।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ব্যানার ও পোস্টার রাজনৈতিক মতপ্রকাশের একটি মাধ্যম হলেও এসব লাগানোর ফলে শহরের সৌন্দর্য ও নান্দনিকতা নষ্ট হচ্ছে এবং নানা ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। ব্যানার–পোস্টার লাগাতে গিয়ে যেন কারও অধিকার ক্ষুণ্ন না হয়, সে কারণে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এই নির্দেশনা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, আমরা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল সবাই স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ব্যানার–পোস্টার সরানোর কাজ শুরু করেছি। ম্যাডামের মৃত্যুতে শোকের ব্যানার–পোস্টার হয়তো আরও কয়েকদিন থাকবে।
রিজভী আরও বলেন, ইতোমধ্যে বৈঠক করে দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। কোনো কর্মসূচি শেষ হলে নিজ উদ্যোগেই সংশ্লিষ্ট ব্যানার–পোস্টার সরিয়ে ফেলা উচিত। সেই লক্ষ্যেই ঢাকা মহানগরীতে আজ এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে এবং এটি সারা দেশে চলবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তিন দিনের মধ্যেই দেশব্যাপী সব ব্যানার ও পোস্টার অপসারণ করা সম্ভব হবে।
