বিএমইউতে প্রথমবার ইমার্জেন্সি মেডিসিনে এমডি কোর্স চালু

প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২৬, ২০:০০ | অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)-এ প্রথমবারের মতো ‘ইমার্জেন্সি মেডিসিন’ বিষয়ে এমডি কোর্স শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে এক উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন সিডনির লোকাল হেলথ ডিস্ট্রিক্টের সিনিয়র স্টাফ স্পেশালিস্ট (ইমার্জেন্সি মেডিসিন) বিষয়ক সহযোগী অধ্যাপক ডা. রেজা আলী।

গুরুত্বপূর্ণ ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএমইউ-এর মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোঃ নাজমুল হোসেন, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা।

বিএমইউ-এর জেনারেল সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ফারুক ইশতিয়াকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ডীন অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ, অধ্যাপক ডা. মোঃ ইব্রাহীম সিদ্দিক, পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইরতেকা রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার মোনাস বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতনামা ফ্যাকাল্টিবৃন্দ, বিএমইউ-এর ডীনবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষকরা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ এক ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে, যেখান থেকে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে নবীন চিকিৎসকরা দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত ফ্যাকাল্টিদের তত্ত্বাবধানে উপযুক্ত বিশেষজ্ঞ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবেন এবং রোগীদের উচ্চমানের জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রদান করতে সক্ষম হবেন।

বক্তারা আরও বলেন, বিএমইউ-এর অধীনে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে ভর্তি হওয়া চিকিৎসকদের সংখ্যা প্রতি বছর বাড়বে। মানসম্পন্ন, আধুনিক ও জীবনরক্ষাকারী জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিএমইউ নিরলসভাবে কাজ করে যাবে।

এ সময় বক্তারা দেশে ইমার্জেন্সি মেডিসিন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ তৈরি, দক্ষ জনবল গড়ে তোলা, দেশ-বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।