রূপশৈলী

সৌন্দর্যে ভিন্ন কিছু

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  নাদিয়া আফরিন

টমেটোর লাল রঙের প্রধান উপাদান লাইকোপিন। এটি এক ধরনের শক্তিশালী জারণরোধী উপাদান, যা শরীরের কোষকে ক্ষতিকর জারণপ্রক্রিয়ার প্রভাব থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ও পরিবেশদূষণের কারণে ত্বকের কোষে যে ক্ষতি হতে পারে, তা মোকাবিলায় জারণরোধী উপাদান গুরুত্বপূর্ণ। টমেটোতে রয়েছে ভিটামিন সি, যা কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে। কোলাজেন ত্বকের গঠন ও দৃঢ়তা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয়।

শসার প্রায় ৯৫ শতাংশই পানি। তাই শরীরের পানির চাহিদা পূরণে শসা সহায়ক খাবার। পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। শসায় অল্প পরিমাণে ভিটামিন সি ও অন্যান্য উপকারী উদ্ভিজ্জ উপাদানও রয়েছে। সালাদে শসা রাখলে খাবারে সতেজতা আসে।

গাজরের কমলা রঙের প্রধান বৈশিষ্ট্য বিটা ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদান থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী ভিটামিন এ তৈরি করে। ভিটামিন এ ত্বকের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, কোষের পুনর্গঠন ও সুস্থতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি বিটা ক্যারোটিন জারণরোধী উপাদান হিসেবেও কাজ করে। নিয়মিত পরিমিত গাজর খেলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেতে পারে।

টমেটো, শসা ও গাজরের পাশাপাশি সালাদে রাখা যায় ক্যাপসিকাম, লালশাকের কচি পাতা, লেটুসপাতা, বাঁধাকপি, মুলা, বিট, ব্রকলি ও পেঁয়াজ। ক্যাপসিকামে রয়েছে ভিটামিন সি, যা কোলাজেন তৈরিতে সহায়তা করে। বাঁধাকপি ও ব্রকলিতে রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন ও জারণরোধী উপাদান। বিটে আছে বিটালেইন নামের উদ্ভিজ্জ উপাদান। অন্যদিকে লেটুসপাতা ও মুলা শরীরে পানি ও আঁশের জোগান দেয়। এসব সবজি একসঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করা যায় রঙিন ও পুষ্টিকর সালাদ।

 

মডেল : প্রভা। * ছবি : এটিএম জামাল