অপোর ফটোগ্রাফি
প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
প্রযুক্তি প্রতিবেদক

২৩ হাজারেরও বেশি এন্ট্রির মাঝ থেকে যদি আপনাকে সেরা ফটোগ্রাফটি বেছে নিতে বলা হয়, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আপনি কোনটিকে প্রাধান্য দেবেন? দৃষ্টিনন্দন কম্পোজিশন, তীব্র আবেগ, অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি, নাকি এমন কোনো গল্প যা মনের কোণে চিরকাল রয়ে যায়?
'অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬'-এ ঠিক এই চ্যালেঞ্জটিই বিচারকদের সামনে এসে দাঁড়িয়েছিল, যেখানে সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জমা পড়া হাজার হাজার ছবির মধ্য থেকে সেরাটি খুঁজে নেওয়ার দায়িত্বে ছিলেন দেশের চারজন স্বনামধন্য ফটোগ্রাফার ও ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলার। বিচারকদের ভিন্ন ও স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গি থেকে প্রতিটি ছবি মূল্যায়ন করা হয়েছিল। ফলে, হাজারো ছবির ভিড়ে শেষপর্যন্ত কোন ছবিটি সেরা হিসেবে উঠে আসবে, তা জানার কৌতূহল পুরো প্রতিযোগিতাকে আরও বেশি রোমাঞ্চকর করে তোলে।
বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে অপোর 'এভরি ফটো টেলস এ স্টোরি' প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় তরুণ ফটোপ্রেমীদের স্মার্টফোনের ক্যামেরায় চারপাশের পৃথিবীকে নিজের দৃষ্টিতে তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়। পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের সাথে যৌথভাবে আয়োজিত অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি প্রেজেন্টস 'অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬' মোট পাঁচটি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়- পোর্ট্রেট, নেচার অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ, স্ট্রিট অ্যান্ড আর্কিটেকচার, লো লাইট ও হেরিটেজ অ্যান্ড কালচার।
বিপুলসংখ্যক ছবির মধ্য থেকে সেরাটি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিচারকরা কেবল কারিগরি নৈপুণ্যের দিকেই নজর দেননি। একটি ছবি কতোটা আবেগ তৈরি করতে পারে, তার মৌলিকত্ব, ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, বিষয়বস্তুর উপস্থাপন ও গল্প বলার সক্ষমতাও মূল্যায়নের গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হয়ে উঠেছিল।
পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও ফটোগ্রাফি বিভাগের প্রধান খন্দকার তানভীর মুরাদের মতে, সেরা ছবি বাছাইয়ের মূল বিষয়টি কেবল দৃষ্টিনন্দন কোনো দৃশ্য বন্দি করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি বলেন, সাধারণ মুহূর্তের মাঝে অসাধারণ কিছু আবিষ্কার করার নামই ফটোগ্রাফি, আর অপো সেই দৃষ্টিভঙ্গিকে বাস্তব রূপ দিতে সহায়তা করে। একটি সঠিক সৃজনশীল দৃষ্টিকোণ কীভাবে সাধারণ কোনো দৃশ্যকে অসাধারণ করে তোলে ও কারিগরি দক্ষতার পাশাপাশি, একজন ফটোগ্রাফারের ভিন্নভাবে দেখার সক্ষমতা যে কতোটা গুরুত্বপূর্ণ, তার এই বক্তব্যে সেটাই প্রতিফলিত হয়েছে।
