প্রিন্ট সংস্করণ
০০:০০, ০১ আগস্ট, ২০২৬
মহাপ্রলয়ে মহাকাল নিজেরই ছায়াকে সমাধিস্থ করে
সময় তখন অনস্তিত্বের করোটিতে জন্ম নেওয়া এক নিঃশব্দ শৈবাল।
সৃষ্টি কেবল শূন্যতার দীর্ঘশ্বাসের সাময়িক অনুবাদ
নক্ষত্রেরা মৃত দেবতার চোখে জমে থাকা লবণকণা।
অস্তিত্ব এক ভাঙা আয়না- প্রতিটি প্রতিবিম্বই অনুপস্থিতির সাক্ষ্য,
নীরবতা এখানে ভাষারও প্রাচীন পূর্বপুরুষ।
আমি দেখি, মৃত্যু জীবনের বিপরীত নয়- তার অন্তর্লিখিত ব্যাকরণ
মহাকাল কেবল ক্ষয় নয়, বিস্মৃতিরও এক অনন্ত স্থপতি।
অনন্ত নিজের বৃত্তে ঘুরে শূন্যতাকেই ঈশ্বর বলে ডাকে
প্রলয় তাই ধ্বংস নয়, সকল অর্থের অবসান-উৎসব।
চেতনা এক নির্বাসিত পাখি, অনস্তিত্ব তার একমাত্র আকাশ,
জন্ম কেবল বিলম্বিত বিলুপ্তির আরেক নাম।
স্বপ্নেরা মহাবিশ্বের অস্থিমজ্জায় জমে থাকা নীল ধুলো
তবু শূন্যতাই সকল পূর্ণতার আদিম উপমা।
মহাপ্রলয়ের শেষে কেউ থাকে না- থাকে কেবল সম্ভাবনা,
আর মহাকাল, নিজেরই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শেষে, আবার সময়ের জন্ম দেয়।