কাবাঘরে হামলার কালো অধ্যায়
আবদুল্লাহ আল মুবাশ্বির
প্রকাশ : ০২ জুন ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাস। কাবা শরিফের প্রাঙ্গণে প্রায় ৫০ হাজার মুসল্লির সমাগম হলো। ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সুবাইলের ইমামতিতে মাত্র ফজরের নামাজ শেষ হলো। সালাম ফেরানোর পরপরই শুরু হলো চারদিক থেকে মুহুর্মুহু গোলাগুলির শব্দ। হজ করতে আসা বিভিন্ন আরবি-অনারবি মুসল্লি ভয়ে ছোটাছুটি শুরু করল। তিন শতাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী পাহারায় নিয়োজিত পুলিশদের হত্যা করল। তারা কাবার প্রধান প্রবেশদ্বারগুলো বন্ধ করে মুসল্লিদের দিকে অস্ত্র তাক করল। অন্য একটা দল কাবার ভূগর্ভস্থ থেকে বেরিয়ে আকাশে গুলি ছুড়তে লাগল। সম্পূর্ণ ঘটনা যেন চোখের পলকেই ঘটে গেল। সামনের কাতার থেকে একজন বেশ আক্রমণাত্মক হয়ে উঠল। কাবার ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সুবাইলের কাছ থেকে মাইক কেড়ে নিল। মাইক হাতে লোকটি সৌদি সরকারের দুঃশাসন ও দুর্নীতির বিবরণ দিতে লাগল।
দুঃশাসনের ফিরিস্তি ও ইমাম মাহদি দাবি : মুসল্লিরা স্তম্ভিত। মাইক হাতে নিল জুহাইমান আল-ওতাইবি। সে এক সময় সৌদি ন্যাশনাল গার্ডে চাকরি করত। সে এ পুরো আক্রমণের নেতা। সৌদি সরকারের দুঃশাসনের ফিরিস্তি ও পৃথিবীজুড়ে অন্যায় ও পাপকর্মের বিবরণ দিয়ে জুহাইমান উপস্থিত ৫০ হাজার মুসল্লিকে বোঝাতে চাইল, একটা পরিবর্তন আবশ্যক। লম্বা একটা সময় এভাবে বক্তৃতা চলতে থাকল। হঠাৎ মুসল্লিদের হতবিহ্বল করে জুহাইমান বলল, ‘একমাত্র ইমাম মাহদির কাছেই আছে পরিত্রাণের উপায়। তিনি আজ আমাদের মধ্যে উপস্থিত রয়েছেন।’ এরপর সে বলা শুরু করল, রাসুল (সা.) ইমাম মাহদির আগমন সম্পর্কে কী কী বলে গেছেন। উপস্থিত লোকদের মধ্য থেকে ঘটনার আকস্মিকতা কাটার আগেই সে আরেকজন লোককে দাঁড়াতে বলল। সেই ব্যক্তি দাঁড়াল। ধীরগতিতে রোকন ও মাকামের মধ্যবর্তী স্থানে এসে অবস্থান করল। এ দ্বিতীয় ব্যক্তি ছিল মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-কাহতানি। যে ছিল তথাকথিত ইমাম মাহদি। সে আসলে কুরাইশ বংশের কাহতান গোত্রের অধিবাসী ছিল।
ভেতরের খবর ছিল অজানা : সাধারণত প্রতি নামাজের পরই হেরেম শরিফে জানাজা হয়। জানাজার জন্য সেদিন জুহাইমানের সহযোগীরা হেরেম শরিফে প্রবেশ করিয়েছিল বেশ কয়েকটি কফিন; যার কোনোটিতেই লাশ ছিল না। কফিন ভর্তি ছিল আগ্নেয়াস্ত্র। তখন আবার কাবা শরিফের নির্মাণকাজ চলছিল। এর সুযোগ নিয়ে জুহাইমান কিছু পিকাপ ট্রাকে আরও কিছু আগ্নেয়াস্ত্র কাবার ভূগর্ভস্থ অংশে আগের দিন চালান করল। তখন মসজিদ সম্প্রসারণ কাজের দায়িত্বে ছিল বিন লাদেনের গ্রুপ। বিন লাদেন গ্রুপের একজন এ ঘটনা দেখে ফোন করে বাইরে জানিয়ে দিল। এরপরই সন্ত্রাসীরা কেটে দিল টেলিফোন তার। কিন্তু বিশ্ব জেনে গেল, কাবায় কিছু একটা হচ্ছে। উল্লেখ্য, এই সেই ধনী বিন লাদেন গ্রুপ, যার প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ বিন লাদেন। তার পুত্রই ওসামা বিন লাদেন। তবে বিন লাদেন গ্রুপের সঙ্গে আল-কায়দার কোনো সম্পর্ক ছিল না। এখনও সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে এ মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি। সন্ত্রাসীরা মসজিদের ওপরে ‘ডিফেন্সিভ পজিশনে’ চলে গেল। তারা মিনারে মিনারে স্নাইপার রাখল। বাকি সবাই মাটির নিচে আশ্রয় নিল। বাইরের কেউ জানত না, ভেতরে কতজন জিম্মি। কেউ জানত না, ভেতরে কী হচ্ছে, কেমন ক্ষয়ক্ষতি; এরা কারা, কী চায়, কী করবে!
সম্মিলিতভাবে নতুন কৌশলের ছক : সৌদি বাদশা ফাহাদ তখন তিউনিসিয়াতে মিটিংয়ে ছিলেন। আর ন্যাশনাল গার্ডের প্রধান প্রিন্স আবদুল্লাহ ছিলেন মরক্কোতে। তাই কিং খালিদ এ মিশনের দায়িত্ব দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স সুলতানের ওপর। সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স নায়েফ। প্রাথমিকভাবে একশ পুলিশ মসজিদ পুনরুদ্ধার করতে চেষ্টা করল। কিন্তু এতে প্রচুর পুলিশ সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রাণ হারাল। ভেতরে জিম্মিকারীরা সংখ্যায় প্রচুর অনুমান করে পুলিশের সঙ্গে সৌদি আর্মি আর ন্যাশনাল গার্ড যোগ দিল। মিনারে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনী পারল না। প্রচুর সৈনিক স্নাইপারের গুলিতে নিহত হলো। জরুরি মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সৌদি সরকার তৎকালীন মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সবচেয়ে চৌকশ পাকিস্তানি আর্মি স্পেশাল ফোর্সের সাহায্য চাইল। পাকিস্তান আর্মি এসে সম্মিলিতভাবে নতুন কৌশলের ছক কষল।
রাজপরিবারের ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবি : রাতের মধ্যে পুরো মক্কা খালি করে ফেলা হলো। শূন্য হলো মক্কা নগরী। এ পর্যায়ে এসে পুলিশ, আর্মির যৌথ মিলিটারি ফোর্সকে ধর্মীয় বাধার সম্মুখীন হতে হলো। বাইরে যতটুকু খবর গেছে, তা থেকে ফতোয়া কমিটি দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছিল, এটি কি আসলেই রাসুল (সা.)-এর ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে নাকি বানোয়াট? অনেক কিছুই মিলছে, আবার মিলছেও না। তাছাড়া হেরেম শরিফে রক্তপাতের আদেশ কি দেওয়া উচিত হবে? ইত্যাদি। উল্লেখ্য, মানুষ তো অনেক দূর সাধারণ অবস্থায় মক্কাতে গাছও উপড়ে ফেলা যায় না, গাছের প্রাণ নিধনও হারাম। ফতোয়া কমিটির প্রধান আবদুল্লাহ ইবনে বাজ সংশয়ে পড়ে গেলেন। পুরো কাবা শরিফের নিয়ন্ত্রণ তখন জুহাইমানের হাতে। সে কাবা শরিফের সব ক’টি টেলিফোন লাইন কেটে দিল। কাবার মিনারের ওপর তার বাহিনীর লোক নিয়োজিত করল; যাতে কেউ সামনে এলেই তাকে হত্যা করা যায়। তারপর মাইকে রাজপরিবারের ক্ষমতা তার কাছে হস্তান্তরের দাবি জানানো হলো।
সৌদি ইতিহাসে ভয়াবহ সমস্যার সম্মুখীন : সৌদি ইতিহাসে এই প্রথম সরকার এমন ভয়াবহ সমস্যার সম্মুখীন হলো। কাবা শরিফে কি ঘটছে তা তাদের কাছে ধোঁয়াটে। যখন বুঝল, সন্ত্রাসীরা কাবা শরিফ দখল করে নিয়েছে, তখন তারা ঠিক করতে পারল না- তাদের কী করা উচিত। কারণ, কাবা শরিফে সব প্রকার যুদ্ধ-বিগ্রহ ও হত্যা নিষিদ্ধ। সৌদি সরকার আগেই ফতোয়া কমিটির প্রধান আবদুল আজিজ বিন বাজের কাছে ফতোয়া চাইল। আবদুল আজিজ অন্য স্কলারদের সঙ্গে পরামর্শ করে ফতোয়া দিলেন, এ পরিস্থিতিতে কাবা শরিফ সন্ত্রাসীদের থেকে পুনরুদ্ধার করতে সৌদি সরকার পাল্টা আক্রমণ চালাতে পারবে। সৌদি সরকার তাৎক্ষণিক সেনাবাহিনী ও সৌদি ন্যাশনাল গার্ডের সৈন্য পাঠাল। কিন্তু সমস্যা বাধল অন্য জায়গায়। কাবার মিনারে মিনারে ওৎ পেতে থাকা জুহাইমান বাহিনী গুলি করে সহজেই সৈন্যদের হত্যা করতে লাগল। কাবা শরিফের প্রাঙ্গণে প্রায় ৫০ হাজার মুসলমান অবরুদ্ধ হয়ে পড়ল। সংকটের মধ্য দিয়ে তিনদিন কেটে গেল। কাবার ইমাম সাহেব জুহাইমান ও কথিত ইমাম মাহদির আচরণে বুঝলেন, পুরো ঘটনা উগ্র ও বিপথগামী গোষ্ঠীর কাজ। তিনি মুক্তদের সঙ্গে কৌশলে বেরিয়ে গেলেন।
সৌদি কর্তৃপক্ষকে ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করলেন। হেরেম শরিফে ঢোকার চেষ্টা করল যৌথ বাহিনী। অভিযানের আগে সৌদি কর্তৃপক্ষ জুহাইমান ও কথিত ইমাম মাহদিকে আত্মসমর্পণ করার আহ্বান জানাল। কিন্তু জুহাইমান অনমনীয়। সে মাইকে তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া পেশ করতে লাগল। তার দাবি-দাওয়ার মধ্যে ছিল নারীদের যেকোনো রকমের শিক্ষা থেকে বিরত রাখা, সৌদি আরবের সব টেলিভিশন বাজেয়াপ্ত করা ও সৌদি আরব থেকে সব অমুসলিম বিতাড়িত করা। সৌদি সরকার দাবি মানতে অস্বীকৃতি জানাল।
পেশাদারিত্বের স্বার্থে কমান্ডোদের ইসলাম গ্রহণ : এভাবে কেটে গেল কয়েকদিন। রক্তারক্তি এড়ানোর জন্য সিদ্ধান্ত হলো, অবরোধের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের ভাতে মারা হবে। কিন্তু বোঝা গেল, তারা প্রচুর খেজুর নিয়ে ঢুকেছে, আর জমজম কূপ থাকায় পানিরও সমস্যা নেই। সুতরাং এ সিদ্ধান্ত বাতিল করে সৌদি সরকার বাধ্য হয়ে ফ্রান্সের কাছে কমান্ডো সহযোগিতা চাইল। ফ্রান্স সরকার সঙ্গে সঙ্গে তিনজন কমান্ডো পাঠাল। যারা প্রত্যেকে ৩০০ সন্ত্রাসীকে প্রতিরোধে সক্ষম। এতে দেখা দিল আরেক বিপত্তি। ফ্রান্স থেকে আসা কমান্ডো ছিল অমুসলিম। ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী কোনো অমুসলিম হেরেম শরিফে প্রবেশ করতে পারে না। বিষয়টি জানানোর পর পেশাদারিত্বের স্বার্থে কমান্ডোরা ইসলাম গ্রহণ করে অপারেশনে অংশ নিল। তিন কমান্ডোর নেতৃত্বে সৌদি সেনাবাহিনী ও পাকিস্তানি স্পেশাল ফোর্স কয়েকবার আন্ডারগ্রাউন্ড সুড়ঙ্গ দিয়ে মিশনের চেষ্টা করল। তারা কাউকে নিশানা করতে ব্যর্থ হলো। কাবাঘরের আন্ডার গ্রাউন্ড সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা ছিল না। তখন কাবা শরিফের নির্মাণকাজে নিয়োজিত ছিল বিন লাদেন কন্সট্রাকশন কোম্পানি। সৌদি কর্তৃপক্ষ তাদের কাছ থেকে কাবার ভেতরের বিবরণ জেনে নিল। কাবা শরিফের নিচে রয়েছে কয়েকশ ঘর, রয়েছে হাজারো গলি। এসবের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণী ছক বিন লাদেন কন্সট্রাকশন কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ারদের কাছে হস্তান্তর করল। ততক্ষণে সৌদি সেনাবাহিনীকে সাহায্য করতে আসা ফরাসি বিশেষ কমান্ডো বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিল পাকিস্তানের বিশেষ কমান্ডো দল। তিন দেশের বাহিনী মিলে কাবা শরিফ পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা করল।
ফরাসি বিশেষ কমান্ডো বাহিনীর কলা-কৌশল : নবম দিনের মাথায় অবরুদ্ধ হেরেম শরিফ সন্ত্রাসীমুক্ত করার উদ্দেশ্যে সম্মিলিত বাহিনী তাদের ট্যাংক ও কামান বহর নিয়ে কাবা শরিফের কাছে অবস্থান নিল। সকাল গড়িয়ে দুপুর এলো। এক পর্যায়ে তারা শুরু করল গোলা ছোড়া। ফরাসি বিশেষ কমান্ডো বাহিনী সৌদি আরবের পদাতিক বাহিনীকে নিয়ে দ্রুত এগিয়ে গেল। জুহাইমানের বাহিনী কাবা শরিফের ফটকের কাছে ও ভূগর্ভস্থ অংশে অবস্থান নিল। শুরু হলো উভয়পক্ষের তুমুল যুদ্ধ। ভূগর্ভস্থ অংশ থেকে সন্ত্রাসীদের বের করে আনতে ফরাসি বিশেষ কমান্ডো বাহিনী পানি দিয়ে কাবা শরিফের পুরো মেঝে পরিপূর্ণ করে দিল। এর মধ্যে বৈদ্যুতিক তার ছেড়ে দিয়ে বিদ্যুৎতাড়িত করল। এতে জুহাইমান বাহিনী কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ল। কিছুটা ছন্নছাড়াও হলো। এবার সেনাবাহিনী শুরু করল বেপরোয়া গুলি। হেলিকপ্টার থেকে পাকিস্তানি কমান্ডোরা মিনারে মিনারে নেমে গুলি চালাল। এতে কথিত ইমাম মাহদি ও তার বেশ কিছু অনুসারী মারা গেল। তখনও ভূগর্ভের উঁচু অংশে লুকিয়ে ছিল কিছু সন্ত্রাসী। এদের কব্জা করার জন্য ফরাসি বিশেষ বাহিনী বিষবাষ্প ছড়াল। তারপরও কিছু সন্ত্রাসী রয়ে গেল। এবার সৌদি আরব সেনাবাহিনী ওপর থেকে ভূগর্ভস্থ অংশে গর্ত খুঁড়ে গ্রেনেড নিক্ষেপ করল। এতে ভেতরে থাকা সন্ত্রাসীর অনেকেই মারা গেল, বাকিরা বেরিয়ে এলো।
আমেরিকাবিদ্বেষ চরমমাত্রায় বেড়ে যাওয়ার কারণ : সেনাবাহিনী তখন ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী জুহাইমান ও তার সত্তরজন সহযোগীকে গ্রেফতার করল। সেনাবাহিনীর হাতে বন্দী জুহাইমানের ৬৭ জন সহযোগীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো। এ ঘটনায় ১২৭ জন সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্য মারা গেল। আহত হলো ৪৫১ জন। জুহাইমান বাহিনীর মারা গেল ২৬০ জন সন্ত্রাসী। কাবা শরিফ সন্ত্রাসীদের দখলে থাকে দুই সপ্তাহ। এ পুরো সময় হেরেম শরিফে তাওয়াফ বা নামাজ হয়নি। রাতারাতি এ খবর সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ল। তৎক্ষণাৎ ইরানের ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনি এটিকে ইহুদি-খ্রিষ্টানদের চক্রান্ত বলে দাবি করেন। ফলে সারা বিশ্বে মুসলমানদের মধ্যে আমেরিকাবিদ্বেষ চরমমাত্রায় বেড়ে গেল। পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস পুড়িয়ে দেওয়া হয়। লিবিয়ার ত্রিপোলিতেও যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ভেঙে পুড়িয়ে দেয় বিক্ষুব্ধরা। ইতিহাসের পাতায় খচিত হয় পবিত্র কাবা শরিফে দীর্ঘ বারো দিনের এক কালো অধ্যায়।
লেখক : শিক্ষার্থী, আরবি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
