নতুন ঠিকানায় 'চট্টগ্রাম কাস্টমস'
প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
চট্টগ্রাম ব্যুরো
জরাজীর্ণ ভবন ছেড়ে অস্থায়ী ঠিকানায় যাচ্ছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। ১ নভেম্বর থেকে নগরীর আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সীমিত পরিসরে শুরু হয়েছে শুল্কায়ন কার্যক্রম। এরই মধ্যে কয়েকটি সেকশন অস্থায়ী কার্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে। বাকি সেকশনগুলোও ধাপে ধাপে সরিয়ে নেওয়া হবে। রাজস্ব আদায়ের দিক থেকে দেশের বৃহত্তম এই কাস্টম স্টেশনের সব শাখা ও অনলাইনসেবা আগামী এক মাসের মধ্যে নতুন কার্যালয়ে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। ১ ডিসেম্বর থেকে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে পূর্ণাঙ্গভাবে চলবে শুল্কায়ন কার্যক্রম। অন্যদিকে, কাস্টম হাউসের বর্তমান ভবনের জায়গায় নির্মাণ করা হবে আধুনিক বহুতল ভবন। শিগগিরই এর নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। নতুন ভবন নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী কার্যালয় থেকেই চলবে শুল্কায়ন কার্যক্রম। চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি ও রপ্তানি হওয়া পণ্যের শুল্কায়নসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে। আমদানি ও রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধি ছাড়াও প্রতিটি কর্মদিবসে শুল্কায়নসংক্রান্ত কাজে এখানে কয়েক হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। প্রতিদিন জমা পড়ে দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার বিল অব এন্ট্রি। দেশের কাস্টম স্টেশনগুলোর মধ্যে এখান থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আদায় হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ কাস্টম হাউস থেকে ৮১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। বন্দর ও কাস্টম হাউস ব্যবহারকারীরা জানান, প্রায় প্রতিবছরই আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ও রাজস্ব আদায়ের পরিধি বাড়ছে। তবে সেই তুলনায় বাড়েনি কাস্টম হাউসের পরিসর। দীর্ঘদিন ধরে বন্দর ভবনসংলগ্ন পুরোনো ও জরাজীর্ণ ভবনে চলছিল দাপ্তরিক কার্যক্রম।
কাস্টম হাউসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রতিদিন বিভিন্ন কাজে আসা মানুষের চাপ সামাল দিতে পারছিল না ভবনটি। গাদাগাদি করে অফিস করতে হতো কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। মানুষের ভিড়ে কোনো কোনো কক্ষ ও বারান্দায় হাঁটার জায়গাও থাকত না। ভবনের পলেস্তরা খসে পড়ত। ছাদ চুঁইয়ে পানি পড়ে নষ্ট হতো মূল্যবান কাগজপত্র। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন ব্যবসায়ীরা। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ আল আমিন জানান, ১ নভেম্বর থেকে আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বন্ড ও কয়েকটি সাব টিমের কার্যক্রম পরিচালিত হচ।
