ঢাকা বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

বিশ্ববিখ্যাত মুসলিম স্থাপত্যকর্ম

বিশ্বে ইসলাম প্রচারের সঙ্গে সঙ্গে যুগে যুগে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে জন্ম নিয়েছেন ক্ষণজন্মা প্রতাপশালী অনেক মুসলিম শাসক। তাদের হাত ধরে নির্মিত অভূতপূর্ব দৃষ্টিনন্দন বিভিন্ন ইসলামিক স্থাপত্য ছড়িয়ে আছে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে। পারস্য অঞ্চলের পাশাপাশি এগুলো গড়ে উঠেছিল ইউরোপ থেকে দক্ষিণ এশিয়া পর্যন্ত। বিশেষত অটোমান সাম্রাজ্যের বিস্তার মুসলিম স্থাপত্যশৈলীকে নিয়ে গিয়েছিল অন্যমাত্রায়। শিল্পকলা-চারুকলা এবং স্থাপত্যকলা-অলঙ্করণকলায় মান উত্তীর্ণ বলেই কাল থেকে কালান্তর স্মরণীয় হয়ে আছে এবং থাকবে মুসলিম স্থাপত্য নিদর্শনগুলো। অপূর্ব সে স্থাপত্যশৈলীর মধ্যে রয়েছে মসজিদ, রাজপ্রাসাদ, দুর্গ, সেতুসহ বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা। ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি এগুলো সভ্যতা ও ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ইসলামি ইতিহাসের তথ্য মতে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা শত-সহস্র ইসলামিক ও মুসলিম স্থাপনার মধ্য থেকে কয়েকটি নিদর্শনের আলেখ্য উপস্থাপন করছেন আলোকিত বাংলাদেশের সহ-সম্পাদক মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ ভূঞা
বিশ্ববিখ্যাত মুসলিম স্থাপত্যকর্ম

মসজিদে আকসা

ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ এবং প্রথম কেবলা ‘মসজিদুল আকসা’ বা ‘বাইতুল মুকাদ্দাস’ সুপ্রাচীন শহর জেরুজালেমে অবস্থিত। মহানবী (সা.) মক্কার মসজিদুল হারাম, মদিনার মসজিদে নববি ও মসজিদুল আকসার উদ্দেশে সফরকে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন, যা অন্য কোনো মসজিদ সম্পর্কে করেননি। এর গুরুত্ব সম্পর্কে মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘ঘরে নামাজ পড়লে এক গুণ, মসজিদে ২৫ গুণ, মসজিদে নববি ও আকসায় ৫০ হাজার গুণ, মসজিদে হারামে এক লাখ গুণ সাওয়াব।’ (ইবনে মাজাহ)।

হজরত ইবরাহিম (আ.) কর্তৃক কাবাঘর নির্মাণের ৪০ বছর পর হজরত ইয়াকুব (আ.) জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদ নির্মাণ করেন। অতঃপর হজরত সুলায়মান (আ.) জিনদের মাধ্যমে এ পবিত্র মসজিদের পুনর্নিমাণ করেন। ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে পুরো বায়তুল মুকাদ্দাস এলাকা মুসলমানদের অধীনে আসে। ১০৯৯ সালের ১৫ জুলাই খ্রিষ্টান ক্রুসেডাররা নামধারী মুসলিম শাসকদের সহায়তায় সমগ্র সিরিয়া ও ফিলিস্তিন দখল করে। তারা ১০৯৯ সালের ৭ জুন বায়তুল মুকাদ্দাস অবরোধ করে এবং ১৫ জুলাই মসজিদের ভেতর প্রবেশ করে ব্যাপক পরিবর্তন করে একে গির্জায় পরিণত করে। ১১৬৯ সালের ২৩ মার্চ ফাতেমি খিলাফতের কেন্দ্রীয় খলিফার নির্দেশে সালাহউদ্দিন আইয়ুবি (রহ.) গভর্নর ও সেনাপ্রধান হয়ে মিশরে আগমন করেন। এরপর ১১৮৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে মুসলিম বীর সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবি (রহ.) জেরুজালেম শহর মুসলমানদের অধিকারে নিয়ে আসেন। অতঃপর ১১৮৭ সালের ২ অক্টোবর শুক্রবার সালাহউদ্দিন আইয়ুবি (রহ.) বিজয়ী বেশে বায়তুল মুকাদ্দাসে প্রবেশ করেন। বায়তুল মুকাদ্দাস মুক্ত হওয়ার পর সেখানকার মুসলিমরা প্রায় ৯০ বছর পর ক্রুসেডারদের অত্যাচার থেকে রেহাই পেয়েছিল।

দ্য আল-হাম্বরা

এটি মূলত একটি প্রাসাদ। একে এককথায় যৌগিক দুর্গও বলা হয়। স্পেনের আন্দালুসিয়ার গ্রানাডা নামক স্থানে এই প্রাসাদটি অবস্থিত। স্পেনের মুসলিম নাসরি রাজবংশের শাসনামল চলাকালীন তেরোশ’ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে আন্দালুসের গ্রানাডা আমিরাতের মরিশ শাসকরা প্রাসাদটি নির্মাণ করেন। অসাধারণ সৌন্দর্যময়তাই এই প্রাসাদটির মূল আকর্ষণ। বাগান, ঝরনা ও চমৎকার শিল্পসম্মত বিভিন্ন অলঙ্করণ রয়েছে প্রাসাদটির ভেতরে। ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান নির্বাচন কমিটি ১৯৮৪ সালে ২ নভেম্বর আল-হাম্বরাকে মানবতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে।

আলহামরা প্রাসাদটি নাসরি রাজবংশের শাসনকালে তৈরি করা হয়েছিল। তখন এটি রাজার বাসস্থান এবং রাজসভা হিসেবে ব্যবহার করা হতো। ১২৩৮ সালে মুহাম্মদ ইবনে নাসর গ্রানাডা দখলের জন্য এলভিয়ার দরজা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং তিনি এর নাম দেন আলহামার, যার অর্থ লাল, কারণ তার দাড়ির রং ছিল লাল। এত বিশাল প্রাসাদ ও দুর্গ নির্মাণের জন্য কোনো নকশাবিদের পূর্বপরিকল্পনা ছিল না। তাই এটির অবিন্যস্ত গঠন দেখে অনেকেই বিস্মিত হন।

রোম মসজিদ

খ্রিস্টানদের কাছে ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহর রোমে রয়েছে ইসলামিক স্থাপত্যের অপূর্ব নিদর্শন রোম মসজিদ। বিশাল এ মসজিদটিকে ডাকা হয় মস্কো দি রোমা নামে। তবে মুসলিম বিশ্বের কাছে এটি রোম মসজিদ নামেই পরিচিত। বিশাল এ মসজিদটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৮৪ সালে। প্রায় ১০ বছর লাগে মসজিদটির নির্মাণ কাজ শেষ হতে। ১৯৯৫ সালের ১ জুলাই মসজিদটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। তিন লাখ ২০ হাজার বর্গফুটের এ মসজিদটি ইসলামিক স্থাপত্যের গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। এর ভেতর একত্রে ১২ হাজার মুসল্লি নামাজ পড়তে পারেন। রোম মসজিদ ইতালি ও ইউরোপের সবচেয়ে বড় মসজিদ। আফগানিস্তানের রাজপুত্র মুহাম্মদ হাসান ও তার স্ত্রী রাজিয়া বেগমের উদ্যোগের পাশাপাশি সৌদি আরবের যুবরাজ ফয়সাল এ মসজিদ নির্মাণের জন্য অর্থ সহায়তা করেন। মসজিদটি নির্মাণে খরচ হয় ৪০ মিলিয়ন ইউরো। ইসলামিক স্থাপত্য হিসেবে এটি বেশ আলোচিত হলেও এর স্থপতি দু’জন কেউই মুসলমান নন।

শেখ জায়েদ গ্র্যান্ড মসজিদ

সংযুক্ত আরব আমিরাতের সবচেয়ে বড় এবং বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম ও সুন্দরতম মসজিদ এটি। মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছে দেশটির প্রয়াত রাষ্ট্রপ্রধান শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের নামানুসারে। মসজিদটি নির্মাণের উপাদান হিসেবে মার্বেল পাথর, মূল্যবান স্ফটিক পাথর ও মৃৎশিল্প ব্যবহার করা হয়েছে।

এছাড়া এই মসজিদে স্থাপিত রয়েছে লাখ লাখ স্বচ্ছ পাথর দিয়ে তৈরি বিশ্বের বৃহত্তম একটি ঝাড়বাতি।

সারা বিশ্বের মুসলিমণ্ডঅমুসলিম পর্যটকদের কাছে শেখ জায়েদ গ্র্যান্ড মসজিদটি অন্যতম জনপ্রিয় একটি দর্শনীয় স্থান ও মুসলিম স্থাপত্য নিদর্শন হিসেবে তাৎপর্যপূর্ণ।

নাসির আল মুলক মসজিদ

নাসির আল মুলক মসজিদ ইরানের শিরাজে অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী মসজিদ। গোলাপি মসজিদ নামেও মসজিদটি বেশ পরিচিত। ১৮৮৮ সালে এটি নির্মিত। রঙিন গ্লাসের অলঙ্কার একটি বিশেষ আয়োজন ব্যবহৃত হয়েছে এই স্থাপত্যটিতে।

যখন এই রঙিন জানালা দিয়ে সূর্যের আলো প্রবেশ করে তখন পুরো স্থানটি সৌন্দর্যমণ্ডিত এক রঙিন আলোয় আলোকিত হয়। গোটা মসজিদটি ইরানি স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত। গোটা মুসলিম বিশ্বের অন্যতম সুন্দর একটি মুসলিম স্থাপত্য এই নাসির আল মুলক মসজিদ।

সুলায়মানিয়া মসজিদ

তুরস্কের ইস্তান্বুুল শহরে অবস্থিত এটি ওই দেশের সবচেয়ে বড় মসজিদ। মসজিদটি নির্মিত হয় ১৫৫০ থেকে ১৫৫৭ সালের মধ্যবর্তী সময়ে। মসজিদটি ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ লিস্টে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই স্থাপত্যটি উসমানীয় স্থাপত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। তুরস্কের বাদশাহ প্রথম সুলায়মান এই মসজিদ নির্মাণের আদেশ দিয়েছিলেন। আর এজন্য মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছে তার নামেই। মসজিদে একটি মিনার বসানো হয়েছে। এটি বিশ্বের প্রথম মসজিদ, যেখানে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে চারটি মিনার স্থাপন করা হয়েছে।

হাসান দ্বিতীয় মসজিদ

দ্বিতীয় হাসান মসজিদটি মরক্কোর উপকূলীয় শহর কাসাব্লাংকায় অবস্থিত। মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা এই মসজিদটি। এটি আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে বড় মসজিদ হিসেবেও পরিচিত। ১৯৯৩ সালে এটি স্থাপিত হয়েছে। লোকমুখে বা কাসাব্লাংকায় এটিকে ভাসমান মসজিদও বলা হয়। এর কারণ হলো, মসজিদের তিন ভাগের এক ভাগ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত। ২১০ মিটার উচ্চতা সম্পন্ন মসজিদের মিনার রয়েছে। এর উচ্চতা প্রায় ৬০ তলা ভবনের সমান। সমুদ্রপথে চলমান নাবিকদের পবিত্র কাবা শরিফের পথপ্রদর্শনে সহযোগিতার কথা চিন্তা করে মিনারের ওপর একটি বিশেষ লেজার রশ্মি স্থাপিত হয়েছে। ৩০ কিলোমিটার দূর থেকেও বিশেষ এই রশ্মিটি স্পষ্ট দেখা যায়। এই মসজিদের মিনারটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু মিনার হিসেবে স্বীকৃত।

চেফচাওয়েন

পনেরো শতকে নির্মিত হয় ঐতিহ্যবাহী এই স্থাপত্যটি। রাইফ পর্বতের পাশে অবস্থিত একটি গ্রাম চেফচাওয়েন। এই স্থাপত্যটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক প্রামাণ্য হিসেবে বিশ্বময় স্বীকৃত। স্থাপত্যটির বেশিরভাগই নীল রং। এজন্য এই গ্রামটিকে নীলগ্রামও বলা হয়। নানা দেশ থেকে বহু মুসলিমণ্ডঅমুসলিম পর্যটক সারা বছর এই গ্রামে আসেন। রাস্তায় হেঁটে হেঁটে দর্শক এই গ্রামের সৌন্দর্য উপভোগ করেন।

মন্তাজা প্যালেস

মন্তাজা প্রাসাদটি বিশ্বের অন্যতম মুসলিম স্থাপত্য নিদর্শনের অন্যতম। ১৯৩২ সালে এটি নির্মিত হয়েছে। রাজা ফুয়াদ কর্তৃক নির্মিত একটি গ্রীষ্মকালীন প্রাসাদ হিসেবেও এই প্রাসাদের বেশ পরিচিতি রয়েছে। ভূমধ্যসাগরের তীরে এ স্থাপত্যটি অবস্থিত। তুর্কি এবং ফ্লোরেনটাইন কারুশৈলী দ্বারা প্রাসাদের স্থাপত্যকলা সজ্জিত। যে কেউ চাইলেই মনোরম বাগানে প্রবেশ করতে পারে। কারণ প্রাসাদের রাজপথ এবং বিস্তৃত রাজকীয় বাগানগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত।

জামে মস্ক অব ইস্পাহান

ইরানের তৃতীয় বৃহত্তম শহর ইস্পাহানের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এটি। বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা অন্যতম একটি মুসলিম স্থাপত্য। জামে মস্ক অব ইস্পাহানটি বারোশ’ শতাব্দীতে পুনর্নির্মাণ করা হয়। সাত থেকে দশ শতাব্দীকালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। ২০১২ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের স্থাপনা হিসেবে এই মসজিদণ্ডস্থাপত্যটিকে ঘোষণা করেছে। গোটা মসজিদটি আইওয়ান নির্মাণশৈলীতে নির্মিত।

সুলতান আমির আহমদ বাথহাউস

এটি মূলত একটি গোসলখানা। বিশ্বে অন্যতম সব মুসলিম স্থাপত্যশিল্পের এক অনন্য স্থাপনা এই বাথহাউস। ষোলোশ’ শতকে বিখ্যাত এই স্থাপত্যটি নির্মিত হয়েছে। ইরানের একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র এটি। বিশ্বময় খ্যাতিলাভ করেছে এই মুসলিম স্থাপত্যটি। আশ্চর্য ও অলঙ্কারময় টাইলস দিয়ে সুসজ্জিত গোটা স্থাপত্যটি। স্থাপনাটির বেশির ভাগ টাইলসই নীলকান্তমণি ও স্বর্ণখচিত। এছাড়া পৃথিবীজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে মুসলিমদের সাড়া জাগানো অগণিত বিখ্যাত সব স্থাপত্যশিল্প, যা এখানও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে সভ্যতার সাক্ষী হয়ে।

বুর্জ আল আরব

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থিত একটি হোটেল এই বুর্জ আল আরব। গোটা বিশ্বের বৃহত্তম হোটেলগুলোর তালিকায় চতুর্থ সুউচ্চ হোটেল হিসেবে এটি স্বীকৃত। ‘বেস্ট হোটেল ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’ এবং ‘বেস্ট হোটেল ইন দ্য মিডল ইস্ট’ ক্যাটাগরির মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছে এই বুর্জ আল আরব। কারও কারও মতে, বুর্জ আল আরব মানে হলো আরবের সম্মান। আবার কেউ বলেন, বুর্জ আল আরবের সম্পূর্ণ অর্থ হলো ‘আরবের স্তম্ভ’। আরব বিশ্বের অন্যতম ধনাঢ্য ব্যক্তি এবং আরব আমিরাতের শাসক শেখ নাহিয়ানের পারিবারিক সম্পত্তি এটি। বিশ্ববিখ্যাত এই স্থাপনাটির স্থপতি টম রাইট। স্থাপত্য পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করেছে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাটকিনস’। এই হোটেলের নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকান কন্ট্রাক্টর ম্যুরে অ্যান্ড রবার্টস। ইন্টেরিয়র নকশা করেছেন কেএসি ইন্টারন্যাশনালের ডিজাইন প্রিন্সিপাল খুয়ান চিউ।

আলোকিত বাংলাদেশ
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত