মৌলভীবাজারে শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত
প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
স্বপন দেব, মৌলভীবাজার

বিশাল হাওর, পাহাড় ও চা বাগান বেষ্টিত মৌলভীবাজার জেলায় জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো পৌষের শীত। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন জেলার ৯৩টি চা বাগানের চা শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষেরা।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিস জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। জেলায় গত বুধবার তাপমাত্রা ছিল ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে ঘন কুয়াশার সঙ্গে হিমেল কনকনে বাতাস থাকায় শীতের তীব্রতা অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে। এদিকে, তীব্র শীত উপেক্ষা করে সকাল থেকেই কাজে যেতে হচ্ছে চা শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীদের। তবে পর্যাপ্ত গরম কাপড় না থাকায় শীতের মধ্যে শ্রমিকরা কষ্ট করে কাজ করছেন। প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে গ্রামগঞ্জের মানুষ দারুণ কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। বুধবার সারাদিন কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশ ছিল, সূর্যের দেখা মেলেনি এবং একই অবস্থা বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই। এতে ফুটপাতে নিম্ন আয়ের মানুষের শীতের গরম কাপড় কেনার ধুম লেগেছে। তবে গত কয়েকদিন থেকেই শীতের তীব্রতা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষগুলো। এছাড়াও দিনের বেলা ২টার পর সামান্য রোদের দেখা মিললেও কমেনি শীতের তীব্রতা।শীতের তীব্রতা বাড়ায় মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল ও সাতটি উপজেলা হাসপাতালসহ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বহির্বিভাগে প্রতিদিন শীতজনিত রোগীর ভিড় বাড়ছেই। হাসপাতালে প্রতিদিন শিশু, বৃদ্ধ নারী ও পুরুষ রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। বিশেষ করে বৃদ্ধ ও শিশুদের নিমিউনিয়া, শ্বাসকষ্ট, কোল্ড ডায়রিয়াসহ শীতজনিত রোগ বেড়েছে।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিছুর রহমান বলেন, ‘কয়েকদিন পর গতকাল বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
