পদ্মা-মেঘনার ইলিশ সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে

প্রকাশ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুর নৌ-সীমানার পদ্মা-মেঘনা নদীতে গত কয়েক বছর বড় সাইজের ইলিশ খুবই কম ধরা পড়ছে। ছোট সাইজের ইলিশ কেনাবেচা করে চলছে শতাধিক আড়তদাররা। তবে বড় সাইজের ইলিশ সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে।

এককেজি ওজনের ইলিশ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২০০ টাকা (মণ ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা)। গত এক সপ্তাহ ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে জানালেন ব্যবসায়ীরা। গতকাল বুধবার সদর উপজেলার হানারচর ইউনিয়নের হরিনা মাছঘাটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। ঘাটের ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন বলেন, গত এক সপ্তাহ ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। এর আগে সারাদিন অলস সময় কাটাতে হয়েছে।

আড়তের অন্য ব্যবসায়ী শহীদ উল্যাহ বলেন, তিনি সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলেদের ধরে আনা ছোট ইলিশ থেকে বাছাই করে কয়েকটি বড় ইলিশ সংরক্ষণ করেছেন। ওজন ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি। এসব ইলিশ প্রতিকেজি বিক্রি করেছেন ৩ হাজার থেকে ৩২০০ টাকা। পাইকারি ইলিশ বিক্রেতা কালু হাওলাদার বলেন, জেলেরা বড় ইলিশ কম পায়। ৬ থেকে ৮টায় কেজি ইলিশ বেশি পাওয়া যায়।

এসব ইলিশ প্রতি হালি বিক্রি হয় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হয় ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকা। এই আড়তে শহর থেকে আসা ক্রেতা আবদুল বারেক ও জসিম উদ্দিন বলেন, এই ঘাটে তাজা ইলিশ পাওয়া যায়। তবে দাম বেশি হওয়ার কারণে বড় ইলিশ কেনার সাধ্য নেই। ঘাটের প্রবীণ মাছ ব্যবসায়ী হারুনুর রশিদ খান বলেন, নিষিদ্ধ কারেন্টজালের ব্যবহার কমেনি।

বছরের দুটি সময় অর্থাৎ জাটকা ও মা ইলিশ সংরক্ষণের সময় অভিযান কঠোর হওয়া দরকার। জাটকা সংরক্ষণ না হওয়ায় ইলিশ বড় হওয়ার সুযোগ পায় না। যে কারণে নদীর ইলিশ আকারে খুবই ছোট।