পর্যটকদের দৃষ্টি কাড়ছে রামসাগর দিঘি
প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
সিদ্দিক হোসেন, দিনাজপুর

দিনাজপুর সদর উপজেলার তাজপুর গ্রামে অবস্থিত ঐতিহাসিক রামসাগর দিঘি। সারাবছর পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত থাকে এটি। তবে শীতকালে দেশি-বিদেশি পর্যটক এবং দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে শিক্ষা সফরে আসা শিক্ষার্থীদের আগমনে এখানে উৎসবের আমেজ বেড়ে যায়। রামসাগর পর্যটক কেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত বন বিভাগের কর্মকর্তা হাসান ফিরোজ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, এখন শীতের মৌসুমের মাঝামাঝি সময়। হেমন্তের শুরু থেকে শীতের শেষ পর্যন্ত রামসাগর এলাকায় পর্যটক ও শিক্ষা সফরে আগত শিক্ষার্থীদের আগমন বেশি ঘটে। প্রতিদিন আনন্দঘন উৎসব পরিবেশে আগত পর্যটকদের পদচারণায় রামসাগর এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। হাসান ফিরোজ বলেন, রামসাগরের গেস্ট হাউজে পর্যটকদের থাকার জন্য ৮টি রুম রয়েছে। কিন্তু শীতে পর্যটকদের আগমন বেড়ে যাওয়ায় গেস্ট হাউজের কোনো রুম খালি থাকে না। শীতকালে আগাম মোবাইলে গেস্ট হাউজের রুমগুলো বুকিং দিয়ে রাখছেন পর্যটকেরা। বন বিভাগের ১৫ জন এসব দায়িত্বে রয়েছেন।
ভিআইপি পর্যটকেরা এখানে এসে দেশের সর্ববৃহৎ বড়দিঘি ও মনোমুগ্ধকর জলরাশি নান্দনিক পরিবেশে উপভোগ করতে গেস্ট হাউসে কয়েকদিন অবস্থান করেন। পর্যটকরা তৃপ্তি সহকারে রামসাগর এলাকায় বিচরণ করে আবার ফিরে যান। পর্যটকদের অবস্থানকালীন তাদের সেবার মান ঠিক রাখা হয়। ফলে এখানে হেমন্ত ও কার্তিকের শুরু থেকে বসন্তে ফাগুন-চৈত্র মাস পর্যন্ত পর্যটকদের আগমন বেশি থাকে। পিকনিকের মৌসুম শুরু হওয়ায় এখন প্রায় প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০টি বাস ভর্তি লোকজন বিভিন্ন এলাকা থেকে এখানে পিকনিক করতে আসছেন। পিকনিকে আসা লোকজন এখানে আনন্দ সহকারে রামসাগরে গোসল করে তৃপ্তি নেন। তারা অনেকেই বলেন, রামসাগরে গোসল করাটা স্মৃতি হয়ে থাকবে। রামসাগরের বিশাল জলরাশির পাশাপাশি, এখানে রয়েছে মিনি চিড়িয়াখানা।
