জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে যাদের
বগুড়ায় ২০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
বগুড়া প্রতিনিধি
বগুড়া জেলার ৭টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছেন চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৭ জন প্রার্থী। এ ছাড়া হেভিওয়েট প্রার্থী নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ আরও ১৩ জন প্রার্থী। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম এক-অষ্টমাংশ না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে প্রদত্ত ভোটের অন্তত ১২ দশমিক ৫ শতাংশ বা আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে হয়।
রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্না (কেটলি প্রতীক) ৩ হাজার ৪২৬ ভোট পেয়েছেন। অথচ এই আসনে ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৯৩টি। নিয়ম অনুযায়ী জামানত ফিরে পেতে তার প্রয়োজন ছিল ৩১ হাজারেরও বেশি ভোট। এই আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বগুড়া জেলা সভাপতি এবং সাবেক সংসদ সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ ও (৪৩৪ ভোট), ইসলামী আন্দোলনের জামাল উদ্দিন ৯১৩ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের এবিএম মোস্তফা কামাল পাশা, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আসাদুল হক এবং গণফোরামের মো. জুলফিকার আলী, বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনে জাতীয় পাটির শাহিনুল ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের শাহজাহান আলী তালুকদার তাদের জামানত রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনেও একই ভাগ্য বরণ করেছেন জাতীয় পাটির শাহীন মোস্তফা কামাল ও ইসলামী আন্দোলনের মুহা. ইদ্রিস আলী।
সবচেয়ে বড় নির্বাচনি এলাকা বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে ৪ লাখ ৯ হাজার ১৯৫টি ভোট পড়লেও এলডিপির খান কুদরত-ই-সাকলায়েন, ইসলামী আন্দোলনের মীর মাহমুদুর রহমান এবং সিপিবির শিপন কুমার রবিদাস ন্যূনতম ভোট পেতে ব্যর্থ হন। এ ছাড়া বগুড়া-৬ (সদর) আসনে জেএসডির আবদুল্লাহ আল ওয়াকি, ইসলামী আন্দোলনের মামুনুর রশিদ এবং বাসদের একমাত্র নারী প্রাার্থী দিলরুবার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে জামানত হারিয়েছেন মুসলিম লীগের আনছার আলী ও ইসলামী আন্দোলনের শফিকুল ইসলাম।
বগুড়া জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ফজলুল করিম বলেন, আইন অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশ পেতে ব্যর্থ হওয়ায় এই ২০ প্রার্থী তাদের জামানতের টাকা আর ফেরত পাবেন না।
