জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল সমাবেশ
প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
রংপুর ব্যুরো

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের আঞ্চল পরিচালক মাওলানা আব্দুল হালিম বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশ এবং জাতির কল্যাণে জাতীয় সংসদে গঠনমূলক দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। তিনি গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রংপুর মহানগর শাখার উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর মহানগরী শাখার আমির উপাধ্যক্ষ মাওলানা এটিএম আজম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল সহকারী পরিচালক মাওলানা মমতাজ উদ্দিন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল টিম সদস্য ও রংপুর-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল। বক্তব্য দেন- জামায়াতে ইসলামর রংপুর মহানগর সহকারী সেক্রেটারি ও রংপুর-১ গংগাচড়া আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক রায়হান সিরাজী, জামায়াতের রংপুর জেলা সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক, জামায়াতের রংপুর মহানগর সেক্রেটারি আনোয়ারুল হক কাজল। এ সময় মহানগর সহকারী সেক্রেটারি আল আমীন হাসান, পেশাজীবী সাংগঠনিক থানা-২ এর আমির অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, পরশুরাম থানা আমির অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম, মাহিগঞ্জ থানা আমির মোহাম্মদ মোহসিন অলী, হাজীরহাট থানা আমির বেলাল হোসেন, তাজহাট থানা আমির অ্যাডভোকেট রবিউল ইসলাম, সদর উপজেলা আমির মাওলানা মাজাহারুল ইসলাম, মহানগর তালিমুল কোরআন বিভাগের সভাপতি ও কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা শাহজাহান সিরাজ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের রংপুর মহানগর সভাপতি অ্যাডভোকেট কাওছার আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে দেশের সর্বস্তরের জনগণ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ইসলামের পক্ষে ব্যাপকভাবে ভোট দিয়েছে। মানুষের এই অকুন্ঠ ভালবাসা দিয়ে আগামীর সুখী সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়তে আমাদের নিরলসভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, বিগত সময়ে আমরা নির্বাচনি যুদ্ধ করেছি, এখন দেশপ্রেমিক খাঁটি মুমিন হিসেবে নিজেদের গড়ার যুদ্ধ করতে হবে। আমরা জনগনের সেবকের ভূমিকা পালন করব। যে দায়িত্বশীল আমিত্ব পোষণ করবেন, তিনি জামায়াতের সবচেয়ে অযোগ্য ব্যক্তি বলে উল্লেখ করে মাওলানা হালিম বলেন, সংগঠনের সবস্তরের জনশক্তিকে তাকওয়া অর্জনের জন্য পুরোদমে আত্মগঠনমূলক প্রশিক্ষণ এবং কার্যক্রম বৃদ্ধি করতে হবে।
