জ্বালানি তেল কেনার পরিমাণ নির্ধারণ

প্রকাশ : ০৮ মার্চ ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবরে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে চুয়াডাঙ্গায় প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কিনে মজুত করার প্রবণতা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। জেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকে ক্রেতারা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করছেন। অনেকেই বেশি পরিমাণ তেল নিতে এলেও কম তেল নিয়েই ফিরে যাচ্ছেন। অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন পাম্প মালিকরা। চুয়াডাঙ্গা শহরের একাডেমি মোড়ের মোজাম্মেল হক পেট্রোল পাম্পের সহকারী ম্যানেজার আশাবুল হক বলেন, ?‘আমরা খুলনার নোয়াপাড়া ডিপো থেকে তেল সংগ্রহ করি। বর্তমানে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোটা সিস্টেম চালু হয়েছে। আগে দৈনিক তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার লিটার তেল বিক্রি হতো। এখন চাহিদা বেড়ে ১০-১২ হাজার লিটার বিক্রি হচ্ছে। শহরের আরেকটি তেলপাম্প মেসার্স জোয়ার্দার পেট্রোলিয়াম। এ স্টেশনের ক্যাশিয়ার মনজের আলী বলেন, ‘আগে যেখানে দৈনিক প্রায় পাঁচ হাজার লিটার ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি হতো, এখন তা বেড়ে প্রায় ১২ হাজার লিটারে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ ক্রেতাদের পাঁচ লিটারের বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে কৃষকদের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতা রাখা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের ঝিনাইদহ বাস টার্মিনাল সংলগ্ন মামুন ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মুকুল হোসেন বলেন, ‘আগে দৈনিক পাঁচ হাজার লিটার তেল বিক্রি হতো, এখন প্রায় ১০ হাজার লিটার বিক্রি হচ্ছে। ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় আমরা ক্রেতাদের প্রয়োজনমতো দিতে পারছি না।