মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ছে

প্রকাশ : ১৬ মার্চ ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  এসএম তফিজ উদ্দিন, সিরাজগঞ্জ

ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। এরইমধ্যে ঈদ ঘরমুখো মানুষ নারীর টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে। তবে চারলেন এ মহাসড়কে এবার যানজটের ভোগান্তির তেমন আশঙ্কা নেই। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ঈদকে সামনে রেখে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার দ্বিগুণ যানবাহন যমুনা সেতুর ওপর দিয়ে চলাচল করছে প্রতিদিন। আর এর আগে প্রায় ১৪/১৫ হাজার যানবাহন চলাচল করতো।

সে সময় ঈদের সামনে মহাসড়কে যানজট লেগেই থাকতো। যমুনা সেতুর পশ্চিমপাড় সংযোগ এ মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে উড়ালসেতু নির্মাণ এবং হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ এলাকায় সার্ভিস সড়ক চালু হওয়ায় এবার ঈদযাত্রা হবে স্বস্তির।

এরইমধ্যে মহাসড়কে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সব ধরনের ব্যবস্থাগ্রহণ করছে জেলা পুলিশ। গতকাল রোববার বিকাল থেকে মহাসড়কে বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনে ঈদ ঘরমুখো মানুষ বাড়ি ফিরছে।

এ বিষয়ে যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ওসি আমিরুল ইসলাম, হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ওসি ইসমাইল হোসেন ও ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) মোফাখখারুল ইসলাম আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতুর নির্দেশনায় এরইমধ্যে ঈদ ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তায় মহাসড়কে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মহাসড়কজুড়ে দিনরাত পুলিশের বিশেষ টহল শুরু হয়েছে। মহাসড়কে যান চলাচল পর্যবেক্ষণে সিসি ক্যামেরা ও ড্রোন ব্যবহার করা হবে। সেইসঙ্গে ফিটনেসবিহীন, জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন যেন সড়কে চলতে না পারে। সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি শুরু হয়েছে। এছাড়াও যানজট নিরসনেও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এরইমধ্যে বাসসহ অনেক যানবাহনে ঈদ ঘরমুখো মানুষ বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে। তবে এবার মহাসড়কের যানজটে ভোগান্তির তেমন আশঙ্কা নেই।

সিরাজগঞ্জ সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমরান ফারহান সুমেল বলেন, নির্বিঘ্নে ঈদযাত্রায় মহাসড়কের এরইমধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে মহাসড়কের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট সরিয়ে নিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ঈদ ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্নে ঈদযাত্রায় মহাসড়কে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মহাসড়কে প্রায় দেড় হাজার পুলিশ সদস্য কঠোর দায়িত্ব পালন শুরু করছে। এছাড়া মহাসড়কজুড়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।