কৃষকদের জন্য শস্যবিমা চালু করবে সরকার : প্রতিমন্ত্রী অমিত
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
যশোর প্রতিনিধি

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার কৃষকদের জন্য শস্যবিমা চালু করবে। এর মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। গতকাল শুক্রবার যশোরে অভ্যন্তরীণ বোরো মৌসুমে ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগ যৌথভাবে সরকারি খাদ্য গুদামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাতের কালি মোছার আগেই সরকার কৃষক কার্ড প্রদানের মাধ্যমে নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেছে। কৃষকরা এখন সরকারি ভর্তুকি মূল্যে কৃষি উপকরণ কিনতে পারছেন। প্রয়োজনে তারা স্বল্প সুদে কৃষিঋণও নিতে পারবেন। এ ছাড়া নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশের কৃষি খাতের অগ্রযাত্রার সূচনা করেছিলেন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার কৃষিবান্ধব কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও সরকারের প্রচেষ্টায় কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ, ডিজেল ও সার সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে ধান ক্রয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের মাধ্যমে বোরো সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেফাউর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার হক এবং জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুসহ আরও অনেকে। কৃষকরা সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এর মাধ্যমে তারা ধানের ন্যায্যমূল্য পাবেন। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেফাউর রহমান জানান, চলতি বোরো মৌসুমে যশোর জেলায় ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ হাজার ১৬৬ মেট্রিক টন। সরকারিভাবে প্রতি কেজি ধানের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬ টাকা।
