চুয়াডাঙ্গায় সালিশ চলাকালে সংঘর্ষে নিহত এক
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শঙ্করচন্দ্র গ্রামের চেয়ারম্যান বাসভবনে (কার্যালয়ে) পাওনা টাকা নিয়ে সালিশ বৈঠক চলাকালে প্রতিপক্ষের হামলায় আলিমুদ্দিন (৫০) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছে। গত শুক্রবার রাত ৯টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহত আলিমুদ্দিন উপজেলার শস্করচন্দ্র গ্রামের ঝড়ু মন্ডলের ছেলে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে লিয়াকত আলী নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবগত রাতে পাওনা টাকা নিয়ে শঙ্করচন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুজন আলীর বাসভবনের নিচে (কার্যালয়ে) সালিশ বৈঠক চলছিল। এ সময় লিয়াকত আলীর সঙ্গে পাওনাদার জিয়ার কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে লিয়াকত আলী ও তার লোকজন জিয়ার চাচা আলিমুদ্দিনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের চাচা কালু মন্ডল জানান, তার নাতির ছেলে জিয়া একই এলাকার লিয়াকত আলীর কাছে ১৩ থেকে ১৪ লাখ টাকা পাবে। এই টাকার জন্য চেয়ারম্যানের বাসভবনে সালিশ বৈঠক চলাকালীন সময় লিয়াকত আলী ও তার লোকজন অতর্কিত হামলা চালিয়ে তার ভাতিজা আলিমুদ্দিনকে পিটিয়ে হত্যা করে। শঙ্কুর চন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুজন আলী জানান, আরিফ একই এলাকার লিয়াকতের কাছে পাওনা টাকার জন্য আমার কাছে বিচার দেয়। এই ঘটনা নিয়ে বাসভবনে সালিশ বৈঠক চলছিল। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এতে আলিমুদ্দিন গুরুতর আহত হয়। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সে মারা যায়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে লিয়াকত আলী নামের একজনকে আটক করা হয়েছে।
