থ্রি-হুইলারে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা

প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  বিজয় ঘোষ, রাজশাহী

ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে পুঠিয়ায় সিএনজিচালিত হিউম্যান হলার (ইমা), ত্রিহুলার (অটোরিকশা) এবং যাত্রীবাহী বাসের স্ট্যান্ড গড়ে তোলে দাপটের সঙ্গে মহাসড়কে চলাচল করছে। যার কারণে বেশিরভাগ সময় যানজট ও দুঘর্টনা লেগেই থাকে। এতে জনগণকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সেখানে ট্রাফিক পুলিশ ডিউটি করলেও তা নিয়ন্ত্রণ হয় না। বিষয়টি দ্রুত ববস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা গেছে, রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলা সদরে হাইওয়ে সড়ক থেকে আড়ানী সড়কের সংযুক্ত সড়ক। সেখানে দীর্ঘদিনের পুরাতন মসজিদ রয়েছে। ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের মধ্যেভাগে উঁচু থাকায় রাস্তার দুই পার্শ্বে রেলিং রয়েছে। মহাসড়কের পার্শ্বে মসজিদ থাকায় আর মহাসড়রে দুই পার্শ্বে রেলিং থাকায় রাস্তার দক্ষিণ পার্শ্বে রাস্তাটি সরু পথ রয়েছে। সেখানে মসজিদের পার্শ্বে এবং মহাসড়কের রেলিং এর ধারে স্ট্যান্ড তৈরি করে ত্রিহুলার (অটোরিকশা) সিরিয়াল ধরে দাঁড়িয়ে থাকে। এছাড়া স্ট্যাড থেকে বানেশ্বর যাওয়ার জন্য লোক উঠানোর সময় মাহসড়কের রেলিং এর ভেতরে অটোরিকশা রেখে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে লোক উঠানামা করেন। এছাড়া নাটোর থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহী গামী হিউম্যান হলার (ইমা) গাড়ি সেখানে মহাসড়কের মধ্যে গাড়ি বন্ধ রেখে লোক উঠানামা করান ড্রাইভার। শুধু তাই নয়, মহাসড়কে এইসব যানবাহন চলচলের নিয়ম না থাকলেও তার দাপটের সঙ্গে চলাচল করছে।

জানা গেছে, রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইক এবং সিএনজি অটোরিকশার দুর্ঘটনায় রেকর্ড সংখ্যক মৃত্যু হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক জাতীয় মহাসড়কে তিন চাকার যান (অটোরিকশা, ইজিবাইক) চলাচল নিষিদ্ধ রয়েছে। এরপরও অবৈধভাবে অনেক রিকশা ও অটোরিকশা মহাসড়কে দাপটের সঙ্গে চলাচল করছে। আর মহাসড়কের ওপর বা সংযোগ সড়কে অবৈধ স্ট্যান্ড গড়ে তোলায় যানজট এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে। পুঠিয়া ট্রাফিক ফাঁড়ির টিআই মনির জানান, সেখানে আমাদের ট্রাফিক ডিউটিতে থাকে। মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকালে তাদের সেখান থেকে সড়িয়ে দেওয়া হয়। পবা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোজ্জামেল হক কাজী জানান, মহাসড়কের উপর স্ট্যান্ড নয়। ভাসমান গাড়িগুলো লোক তোলা নামনোর কাজ করে। তবে আমাদের হইওয়ে পুলিশ দেখলে তারা চলে যায়, থাকে না। এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার ভূমি ও পৌর প্রশাসক শিবু দাশ বলেন, আমরা পৌরসভা থেকে মহাসড়কের উপর বাস, ইমা ও ত্রিহুইলার না থামার জন্য সাইনবোর্ড দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই সাইনবোর্ড কে বা কারা খুলে ফেলে দিয়েছে। তবে আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।