‘যমুনার ভাঙনরোধে শিগগিরই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ শুরু হবে’

প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার যমুনা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে অচিরেই স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণকাজ শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এমপি। গতকাল শুক্রবার দুপুরে সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের চরপৌলি এলাকার নদীভাঙনকবলিত স্থান পরিদর্শন শেষে নদী তীরবর্তী মিন্টু মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ভাঙনকবলিত মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর বামতীরে ভাঙনকবলিত এলাকাগুলো সুরক্ষায় প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ এবং জনগণের স্বার্থে আগামি অর্থবছর থেকে যমুনা নদীর ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ শুরু করা হবে। তিনি বলেন, সরকার নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। যমুনার ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যেই নিজে সরেজমিন পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসেছেন। যমুনা নদীর ভাঙনে প্রতিবছর নদীতীরের অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ দুর্ভোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেন, আমরা যা বলি তাই করি। নির্বাচনের আগে যমুনার ভাঙন রোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলামণ্ড সরকার তা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছে। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের পাশাপাশি এ অঞ্চলের উন্নয়নে সড়ক নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলীর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. শাহজাহান সিরাজ, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি খন্দকার আহমেদুল হক সাতিল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দলীয় নেতাকর্মী এবং ভাঙনকবলিত এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।