নবীনগরে কোরবানির পশুর হাট জমে উঠেছে

প্রকাশ : ২৫ মে ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  ইব্রাহীম খলিল, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন কোরবানির পশুর হাটগুলোতে এখন জমে উঠেছে ক্রেতা-বিক্রেতার উপচে পড়া ভিড়। গৃহস্থে ও খামারে লালন-পালন করা গরু, ছাগল ও মহিষ নিয়ে হাটে আসছেন গৃহস্থ ও খামারিরা। ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতিতে গরম হয়ে উঠেছে হাট ও আশপাশের এলাকা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে হাটে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা।

সরেজমিন দেখা যায়, কোরবানির ঈদের সময় যত এগিয়ে আসছে, ততই ভিড় বাড়ছে পশুর হাটগুলোতে।

ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতিতে মুখর পুরো হাট এলাকা। হাটে ছোট, মাঝারি ও বড় বিভিন্ন আকারের পশুর সমাহার দেখা যায়। বিশেষ করে দেশীয় জাতের গরুর চাহিদা বেশি বলে জানান বিক্রেতারা। অনেক গৃহস্থ-খামারি সারা বছর ধরে কোরবানির পশু লালন-পালন করে এখন ভালো দামের আশায় হাটে বিক্রি করতে আসছেন। ক্রেতা আবুল বাশার মুনশী বলেন, হাটে অনেক গরু, ছাগল, মহিষ এসেছে। এবার এখনো গরু, ছাগল, মহিষের দাম স্বাভাবিক রয়েছে এবং পছন্দ অনুযায়ী পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে গরু বিক্রেতা সাত্তার মিয়া বলেন, খাবার ও পরিচর্যার খরচ বেড়ে যাওয়ায় গরু লালন-পালনে ব্যয় বেড়েছে। দাম ভালো না পেলে লোকসান গুণতে হবে। বাজারে ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি থাকায় বড় গরু বিক্রয় নিয়ে উদ্বেগে আছেন খামারিরা।

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। সুস্থ পশু বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। প্রতি বছর পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে গরু আসার ফলে খামারিদের লোকসান গুণতে হয়। তবে এ বছর পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে গরু না আসলে ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন খামারিরা।