হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের লেন চালু ঈদে ঘরমুখো মানুষের স্বস্তি
প্রকাশ : ২৫ মে ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
এস এম তফিজ উদ্দিন, সিরাজগঞ্জ

ঈদযাত্রায় যানজট নিরসনে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের বগুড়া-রংপুরগামী ফ্লাইওভার লেন চালু হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ লেন চালু হওয়ায় ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমতে শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, হাটিকুমরুল গোলচত্বর দিয়ে উত্তরবঙ্গে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে এবং এ চত্বর থেকেই ঢাকা-পাবনা, দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুরমুখী যানবাহন পৃথকভাবে চলাচল করে। ঈদ মৌসুমে প্রতিদিন এ মহাসড়কের গোলচত্বর দিয়ে দূরপাল্লার বাসসহ প্রায় ৫২ হাজার যানবাহন চলাচল করে। এতে বিশেষ করে যমুনা সেতুর পশ্চিমপাড় সংযোগ মহাসড়ক থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত ঈদ ঘরমুখো মানুষের যানজটে দুর্ভোগ পোহাতে হতো।
এ যানজট নিরসনে গত বৃহস্পতিবার উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার ওই ইন্টারচেঞ্জ লেন খুলে দেওয়া হয়। এতে উত্তরাঞ্চলের ঈদযাত্রা মানুষের যাত্রা এবার অনেকটাই স্বস্তি শুরু হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে বিভিন্ন দূরপাল্লার বাসের চালক ও যাত্রীরা বলছেন, যানজট ও দুর্ভোগের আরেক নাম ছিল হাটিকুমরুল মোড়। এ নতুন লেন চালু হওয়ায় এবার ঈদযাত্রা অনেক নির্বিঘ্ন হবে।
সাসেক-২ প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক সরফরাজ হোসাইন বলেন, উত্তরবঙ্গগামী প্রায় ৬০ শতাংশ যানবাহন এ লেন দিয়ে চলাচল করবে এবং এরমধ্যেই চলাচল শুরু করেছে।
এতে এবার ঈদ ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারবে। প্রায় ৭৩৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ প্রকল্পের কাজ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ওসি আমিরুল ইসলাম ও হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ওসি ইসমাইল হোসেন আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, পবিত্র ঈদ ঘিরে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে যানবাহনের চাপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে পশুবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী পরিবহন একসঙ্গে চলাচল করায় এ চাপ বাড়বে। তবে হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের এ লেন চালু হওয়ায় এরমধ্যেই চাপ কমতে শুরু করেছে এবং মহাসড়কে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জেলা পুলিশের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলছেন, ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তায় মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এরমধ্যেই পুলিশের গঠিত বিভিন্ন টিম মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করছেন এবং টহল ও বিভিন্ন কৌশল অবস্থান জোরদার করা হয়েছে। এছাড়াও পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ও র্যাব সদস্যরা মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
