শ্রীমঙ্গলে ‘হারমনি ফেস্টিভ্যাল’
প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার

বর্ষাকে কেন্দ্র করে চায়ের দেশ শ্রীমঙ্গলে আয়োজিত ‘হারমনি ফেস্টিভ্যাল’কে ঘিরে সরকার ও দেশের বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠী এবং এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা শুরু হয়েছে।
এ উৎসব স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে। উৎসবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর বৈচিত্র্যময় জীবনাচার, ঐতিহ্যবাহী পণ্য, লোকজ সংস্কৃতি, শৈল্পিক কারুকাজ এবং মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং দেশের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনধারা তুলে ধরতে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের উদ্যোগে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দ্বিতীয়বারের মতো তিন দিনব্যাপী ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল সিজন-২’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
মেলা চলবে আগামী আজ রাত ৯টা পর্যন্ত। শুক্রবার বিকালে শ্রীমঙ্গল উপজেলার ফুলছড়া চা বাগানে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘হারমনি ফেস্টিভ্যাল সিজন-২’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন বলেন, বর্তমান সরকার কমিউনিটি বেইজড ট্যুরিজম, এথনিক ট্যুরিজম এবং টেকসই পর্যটন বিকাশে গুরুত্ব দিচ্ছে। আমরা চাই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি শুধু প্রদর্শিত হবে না, তা পর্যটনের সম্পদে রূপান্তরিত হবে; কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। মন্ত্রী বলেন, শ্রীমঙ্গল শুধু চায়ের রাজধানী নয়, এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক অঞ্চল। এখানে এবং এর আশপাশে প্রায় ২৬টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। তাদের ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, শিল্পকলা ও জীবনধারা বাংলাদেশের জাতীয় সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ ও বর্ণিল করেছে। তিনি বলেন, হারমনি ফেস্টিভ্যাল শুধু একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়; এটি সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক অনন্য মিলনমেলা। এবারের উৎসবে ১৭টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী অংশগ্রহণ করছে, যা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের একটি অনন্য উপস্থাপনা। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, হারমনি ফেস্টিভ্যাল দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, সম্প্রীতি ও ঐতিহ্যকে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরবে এবং সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আয়োজকরা জানান, বর্ষাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এ উৎসব স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে। উৎসবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর বৈচিত্র্যময় জীবনাচার, ঐতিহ্যবাহী পণ্য, লোকজ সংস্কৃতি, শৈল্পিক কারুকাজ এবং মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করা হচ্ছে।
