ফরিদপুরে বিতরণ করা হলো বকনা গরু
প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
ফরিদপুর প্রতিনিধি
নদীভাঙন আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফরিদপুরসহ ৭ জেলার চরাঞ্চলের মানুষ। সেই চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এবার বড় উদ্যোগ নিলো সরকার। ‘নদীবিধৌত চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প’ এর আওতায় ফরিদপুরে সুফলভোগী খামারিদের মধ্যে বিতরণ করা হলো উন্নত জাতের বকনা গরু। গতকাল সোমবার সকালে ফরিদপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে এ বকনা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. একেএম আসজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. আব্দুর রহিম। এছাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপকারভোগী খামারিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। নদীবিধৌত চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পটি ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, রাজবাড়ী, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর- এই ৭ জেলার চরাঞ্চলে বাস্তবায়ন হচ্ছে।
প্রকল্পের মূল লক্ষ্য চরাঞ্চলের প্রান্তিক ও দরিদ্র খামারিদের স্বাবলম্বী করা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, চরাঞ্চলের মানুষের প্রধান সমস্যা হলো আয়ের উৎস কম। বন্যা ও নদীভাঙনে ফসল নষ্ট হয়। তাই বিকল্প আয় হিসেবে গবাদিপশু পালনকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
এর মাধ্যমেই দুধ ও মাংসের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। অনুষ্ঠানে ফরিদপুর সদরসহ আশপাশের চরাঞ্চলের নির্বাচিত সুফলভোগী খামারিদের মাঝে উন্নত জাতের বকনা গরু তুলে দেন প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ। এমপি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। এই বকনা গরুগুলো শুধু উপহার নয়, এটি আপনাদের ভবিষ্যতের পুঁজি। সঠিকভাবে লালন-পালন করলে এক বছর পর এগুলো থেকেই দুধ পাবেন, বাচ্চা পাবেন। এতে আপনাদের সংসারে স্বচ্ছলতা আসবে।’ তিনি আরও বলেন, প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত খামারিদের প্রশিক্ষণ ও চিকিৎসা সহায়তা দেবেন। যাতে খামারিরা লোকসানের মুখে না পড়েন।
