দুর্গাপুরে বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত, আতঙ্কে পথচারী

প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  মোফাজ্জল, দুর্গাপুর (রাজশাহী)

রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা। প্রতিটি মোড়ে ও পাড়া মহল্লায় দলবেঁধে থাকা এসব কুকুর সুযোগ পেলেই পথচারীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে কামড়িয়ে দেয়। রাতে রাস্তায় চলতে গিয়ে কুকুরের সামনে পড়ে পথচারীদেরকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। ফলে পথচারীদের রাস্তায় চলা দায় হয়ে উঠেছে। আর বাইরের অপরিচিত কেউ এলে তো রক্ষাই নেই। জানা গেছে, পৌরসভা থেকে নিধনের মাধ্যমে বেওয়ারিশ কুকুর বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা হতো। কিন্তু এখন নিধনের মাধ্যমে কুকুর নিয়ন্ত্রণ নয়, ভ্যাকসিন ব্যবহার করে কুকুরের জন্মনিয়ন্ত্রণের নির্দেশ রয়েছে। ভ্যাকসিনের অভাব এবং কুকুর নিধন বন্ধ থাকায় লাগামহীনভাবে বাড়ছে বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা। এটা দুর্গাপুর উপজেলা বাসীর জন্য মহাবিপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সূত্র বলছে, এ সময়ের কুকুর জলাতঙ্ক বহন করে। কুকুরের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় জলাতঙ্কের ঝুঁকিও বাড়ছে। ওইসব কুকুর নিয়ন্ত্রণ না করা হলে যেকোনো সময় জলাতঙ্ক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে। আর এই জলাতঙ্কের ঝুঁকি নিয়েই চলছে দুর্গাপুর উপজেলা বাসী। অথচ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দুর্গাপুর পৌর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার দুই ধারে দাঁড়িয়ে থাকে কুকুর। একটি কুকুর তেড়ে এলে তার সঙ্গে আসে এক পাল কুকুর। এতে পথচারীর অবস্থা বেহাল হয়ে পড়ে। এমনকি দুর্গাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বারান্দায় ও উপজেলা পরিষদের মাঠে দল বেঁধে বেওয়ারিশ কুকুর ঘুরতে দেখা গেছে। পথচারীরা জানান, বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে উপজেলার রাস্তায় চলা দায়। পথে দলবদ্ধ কুকুর নিয়ে দুশ্চিন্তায় পথচারী। এখনই এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেয়া হলে প্রতি নিয়তই কুকুরের তাড়া খেতে হবে পথচারীদের। রাতে রাস্তা থাকে বেওয়ারিশ কুকুরের দখলে এবং অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের পেছনে ধাওয়া করে। তাদের মতে, এ অবস্থায় উপজেলাবাসীর জন্য আতঙ্কের বিষয় হচ্ছে জলাতঙ্ক।